উদ্দীপকের উল্লিখিত পরিবর্তন "ভ্রুণতাত্ত্বিক প্রমাণ" কে ই নির্দেশ করে।
ভ্রুণতত্ত্ব জৈব বিবর্তনের অন্যতম প্রত্যক্ষ প্রমাণ। বিজ্ঞানী কার্ল ভন বেয়ার ভ্রূণের সাদৃশ্য লক্ষ্য করে বলেছেন -“ভ্রুণ অবস্থায় একটি জীব তার আদি ইতিহাসকে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করে থাকে”। পৃথিবীর সকল মেরুদন্ডী প্রাণী একটিমাত্র পূর্বপুরুষ থেকে সৃষ্টি হয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন ভাবে বিকশিত এবং অভিযোজিত হয়েছে।
উদ্দীপক অনুযায়ী পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে জীবেরা পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য ক্রমাগত এবং অত্যন্ত ধীর গতিসম্পন্ন দৈহিক পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং এর মাধ্যমে নতুন জীবের সৃষ্টি করে। অর্থাৎ একটি প্রাণীতে বা জিবে কোন পরিবর্তন হঠাৎ করে আসে না।তাদের দৈহিক পরিবর্তন ধীরে ধীরে সম্পন্ন হয়। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে তারা অভিযোজন করে নতুন পরিবেশের সাথে, নতুন প্রকৃতিতে টিকে থাকার ক্ষমতা অর্জন করে। আবার ভ্রুণতত্ত্ব অনুযায়ী মাছ, উভচর সরীসৃপ, পাখি ইত্যাদি স্তন্যপায়ীর ভুলগুলোকে প্রথম অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক করা কষ্টসাধ্য। পরিস্ফুটন এর পরবর্তী সময়ে প্রত্যেকের শ্রেণী অনুযায়ী বিশেষ বৈশিষ্ট্য গুলো প্রকাশিত হয়। পরিস্ফুটন কালে তারা তাদের পূর্বপুরুষের ক্রমবিকাশের ঘটনাবলী পুনরাবৃত্ত করে। উভয় ঘটনারই মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে টিকে থাকার লড়াই এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ। তাই উদ্দীপকের উল্লিখিত পরিবর্তন এবং ভ্রুণতাত্ত্বিক প্রমাণের মুল বিষয়বস্তু একই।