উদ্দীপকের শেষোক্ত প্রাণীটি হলো ডাইনোসরের প্রতিকৃতি । জীবাশ্ম প্রমাণ থেকে এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। আদি শিলাস্তরের প্রস্তরীভূত অথবা পাললিক শিলাস্তরে প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত।
প্রাগৈতিহাসিক (বিলুপ্ত) জীবের দেহ, দেহাংশ বা দেহের কোনো অংশের ছাপ কিংবা রাসায়নিক পদার্থে সৃষ্ট জীবদেহের অনুরূপ কাঠামোকে জীবাশ্ম বলা হয়। অর্থাৎ অতীতে যেসব ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়ে গেছে তাদের দেহাংশ বা হাড়, কঙ্কাল, ডিমের খোলস ইত্যাদি। এছাড়া শিলাস্তরের উপরে প্রাপ্ত পায়ের ছাপকে কার্বন রেডিয়েশন দ্বারা পরীক্ষার মাধ্যমে ডাইনোসরদের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়। বিশেষ করে মেসোজয়িক মহাকালের ট্রায়াসিক কালে ডাইনোসরের উদ্ভব ঘটেছিল যা আজ থেকে সাড়ে ২২ কোটি বছর পূর্বে। আবার মেসোজয়িক মহাকালের ক্রিটেসিয়াস কালে ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটে যা আজ থেকে সাড়ে ১৩ কোটি বছর আগে।
তাই উপরোক্ত মহাকালের ক্রিটেসিয়াস কালের প্রাপ্ত জীবাশ্ম থেকে সহজেই ডাইনোসরের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় ।