উদ্দীপকে উল্লেখিত একটি বিবর্তনের গতিপথ। এর স্বপক্ষে দুটি প্রমাণ নিম্নে বর্ণনা করা হলো:
সংযোগকারী জীবাশ্ম (connecting fossil)
অনেক সময় নিকটবর্তী দুটি গ্রুপের বা পর্বের বা মধ্যবর্তী দর্শন কোন প্রাণী বা জীবাশ্ম দেখতে পাওয়া যায়। যে জীবাশ্মের মাধ্যমে এর সংযোগ স্থাপিত হয়ে তাকে সংযোগকারী জীবাশ্রয়। আর্কিওপটেরিক্স টুরিস্টের জাতীয় পাখির জীবাশ্মে পাখি ও সরীসৃপ এর বৈশিষ্ট্য বলি দেখা যায়। ফলে কি পাখি ও সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর মধ্যে সংযোগকারী বলে ধারণা করা হয়। এটি একটি সংযোগকারী জীবাশ্ম।
সংযোগকারী জীব (connecting organisms)
উৎপত্তির পর বর্তমান অবধি যে সমস্ত প্রাণী অঙ্গসংস্থানিক ও শরীর বৃত্তীয় ও কাজ অপরিবর্তিত রেখে পৃথিবীতে বেঁচে আছে, কিন্তু তাদের সময়ের অন্য প্রাণীরা বহু আগে বিলুপ্ত হয়েছে, সেই বেঁচে থাকা জীবদের বলে জীবন্ত জীবাশ্ম।
যেমন: সাইকাস,প্লাটিপাস,আর্থোপ্রোডা ইত্যাদি।
প্লাটিপাস (platypus):
এ জাতীয় প্রাণীর চোয়াল হাসের ন্যায় চঞ্চুবিশিষ্ট । এর দেহে লোমাবৃত এবং শাবককে স্তন্যদান করে। এরা কুসুমযুক্ত অসংখ্য ডিম পাড়ে এবং এতে রেচনতন্ত্র সরীসৃপের ন্যায়। দেখা যাচ্ছে যে, প্লাটিপাস সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর মিশ্র চরিত্র বহন করে।অতএব ধারনা করা যায় যে, সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী থেকেই স্তন্যপায়ী প্রাণীর উদ্ভব ঘটে থাকে।