শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের অ্যানজাইনা রোগ প্রতিরোধের উপায় নিচে বর্ণিত হলো- অ্যানজাইনা রোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া এবং তা ধরে রাখাই হচ্ছে অ্যানজাইনা প্রতিরোধের প্রধান উপায়। এজন্য কিছু বিষয় গুরুত্বের সাথে পালন করা উচিত। তবে কিছু বিষয় আছে যার নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে নেই, যেমন- বয়স, পিলভেন, হৃদরোগ অ্যানজাইনার পারিবারিক ইতিহাস। যেসব বিষয় আমাদের নাগালের মধ্যে আছে সেগুলো মেনে চলতে হবে। এ বিষয়গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো- ১. ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। ২. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ৩. রক্তের কোলেস্টেরল মাত্রা সর্বদা সঠিক রাখতে হবে। ৪. দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে হবে। ৫. চর্বি জাতীয় খাবার ত্যাগ করতে হবে। ৬. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে। ৭. দেহের স্থূলতা দূর করতে হবে। ৮. অ্যালকোহল ও মদ্যপান বর্জন করতে হবে। ৯. মানসিক প্রশান্তিতে থাকতে হবে। ১০. বছরে কমপক্ষে একবার সম্পূর্ণ শরীরের চেকআপ করাতে হবে। উপরিউল্লিখিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে মেনে চললে অ্যানজাইন থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 4: রক্ত ও সংবহন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 4: রক্ত ও সংবহন · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়? বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

হৃদপেশিতে অক্সিজেন (O2)O^2) সরবরাহ না হলে বুকে তীব্র ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং ঘাম হয় ।

Mymensingh · 2021

উত্তর

BMI অর্থাৎ Body Mass Index হলো দেহের উচ্চতা ও ওজনের আনুপাতিক হার ।

উত্তর

লসিকা নালি ও লসিকা গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্রের মাধ্যমে সমগ্র দেহে লসিকা রস প্রবাহিত হয় তাকে লসিকাতন্ত্র বলে। ডেনিস বিজ্ঞানী Olaus Rudbeck এবং Thomas Bartholin, ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম মানুষের লসিকাতন্ত্রের বিবরণ দেন। রক্ত সংবহনতন্ত্র এবং লসিকাতন্ত্র উভয়েই সমগ্র দেহে ফ্লুইড সংবহন করে বলে লসিকাতন্ত্রকে কখনো কখনো দ্বিতীয় সংবহনতন্ত্র বলেও অভিহিত করা হয়। লসিকাতন্ত্র প্রধান দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত, যথা- লসিকানালি ও লসিকাগ্রন্থি।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত লক্ষণগুলি হলো “অ্যানজাইনা” রোগের। অ্যানজাইনা রোগের কারণ নিম্নরূপ- করোনারি ধমনি দ্বারা হূৎপিণ্ডের প্রাচীরের পেশিতে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে পেশির কোষগুলো অক্সিজেন ও শর্করা স্বল্পতায় পড়ে এবং শক্তি উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়। কিন্তু দেহে অবিরাম রক্ত সরবরাহের জন্য হৃৎপেশিগুলোকে সর্বদা কার্যক্ষম থাকতে হয়। পরিমিত অক্সিজেনের অভাবে হৃদপেশির কোষগুলো অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিকল্প উৎস পাইরুভিক এসিড থেকে শক্তি উৎপাদন করে। এ সময় উপজাত হিসেবে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়। অধিক পরিমাণ ল্যাকটিক এসিড তৈরি হলে তা পেশিতে জমা হয়, ফলে ব্যথা অনুভূত হয়। করোনারি ধমনির সমস্যা ছাড়াও অ্যানজাইনা হতে পারে। অ্যানজাইনা আক্রান্ত মাত্র ৩০% মানুষের হৃৎপিণ্ডের কপাটিকা সমস্যার কারণে করোনারি আর্টারিতে রক্ত প্রবাহ বিঘ্নিত হয়। এছাড়া অ্যানিমিয়া আক্রান্ত রোগীরও অ্যানজাইনা দেখা দেয় কেননা তাদের রক্তে পরিমিত অক্সিজেন থাকে না। আবার যেসব মানুষের হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর অতিমাত্রায় পুরু থাকে তাদেরও অ্যানজাইনা দেখা দেয়। কারণ তাদের হৃদপ্রাচীর চাহিদার তুলনায় কম পরিমাণ অক্সিজেন পেয়ে থাকে। এক কথায় হৃদপেশি যখন O2 সমৃদ্ধ রক্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ পায় না তখন অ্যানজাইনা ব্যথার সৃষ্টি হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের অ্যানজাইনা রোগ প্রতিরোধের উপায় নিচে বর্ণিত হলো- অ্যানজাইনা রোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া এবং তা ধরে রাখাই হচ্ছে অ্যানজাইনা প্রতিরোধের প্রধান উপায়। এজন্য কিছু বিষয় গুরুত্বের সাথে পালন করা উচিত। তবে কিছু বিষয় আছে যার নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে নেই, যেমন- বয়স, পিলভেন, হৃদরোগ অ্যানজাইনার পারিবারিক ইতিহাস। যেসব বিষয় আমাদের নাগালের মধ্যে আছে সেগুলো মেনে চলতে হবে। এ বিষয়গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো- ১. ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। ২. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ৩. রক্তের কোলেস্টেরল মাত্রা সর্বদা সঠিক রাখতে হবে। ৪. দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে হবে। ৫. চর্বি জাতীয় খাবার ত্যাগ করতে হবে। ৬. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে। ৭. দেহের স্থূলতা দূর করতে হবে। ৮. অ্যালকোহল ও মদ্যপান বর্জন করতে হবে। ৯. মানসিক প্রশান্তিতে থাকতে হবে। ১০. বছরে কমপক্ষে একবার সম্পূর্ণ শরীরের চেকআপ করাতে হবে। উপরিউল্লিখিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে মেনে চললে অ্যানজাইন থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।
HSCBiology 2nd PaperChapter 4: রক্ত ও সংবহন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.কোনটি বর্ণ নিরপেক্ষ?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের কোনটি অদানাদার শ্বেত রক্তকণিকা?

বরিশাল বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের মাঝে কী ভালভ থাকে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.স্বয়ংক্রিয়ভাবে হৃদস্পন্দনের গতি ঠিক রাখে কোনটি?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মানবদেহে লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কতদিন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.অণুচক্রিকার কাজ কোনটি?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন রোগে হৃদপিণ্ড বড় হয়ে যায়?

সিলেট বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোনটি অদানাদার শ্বেত কণিকা?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ইওসিনোফিলের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?

ঢাকা বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টরে সহায়তাকারী স্নায়ু- i. ভ্যাগাস ii. গ্লসোফ্যারিঞ্জিয়াল iii. ট্রকলিয়ার নিচের কোনটি সঠিক?

যশোর বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিপূর্ণ কারণ নিচের কোনটি?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাইপার টেনশনের কারণ- i. বংশগতীয় বৈশিষ্ট্য ii. অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাদ্য গ্রহণ iii. ধূমপান ও মদ্যপান নিচের কোনটি সঠিক?

বরিশাল বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।