উদ্দীপকের C হলো রুই মাছের আঁইশ। রুই মাছের আঁইশ হচ্ছে সাইক্লয়েড জাতীয় আঁইশ। এই আঁইশের গঠন ও কাজ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
আঁইশের গঠন : আঁইশের গঠন হচ্ছে পাতলা অস্থিময়। আঁইশ মাছের দেহকে ঢেকে রাখে। এটি চকচকে রূপালি গোলাকার অথবা ডিম্বাকার। আঁইশগুলো ত্বকের ডার্মাল স্তর হতে সৃষ্টি হয়। আঁইশ রাসায়নিকভাবে চুন ও কোলাজেন তন্তু দ্বারা গঠিত। আঁইশের কেন্দ্রে একটি স্বচ্ছ ক্ষুদ্র অংশ থাকে একে ফোকাস বা নিউক্লিয়াস বলে । ফোকাসের চারদিকে বৃত্তাকারে সজ্জিত কতকগুলো আল-সদৃশ রেখা থাকে এগুলো সারকুলি বা বৃদ্ধি রেখা। সারকুলির সাহায্যে মাছের বয়স নির্ণয় করা যায়। আঁইশের আল-বিহীন অঞ্চলকে বলা হয় রেডিই। আঁইশের অগ্র, পশ্চাৎ ও পার্শ্বক্ষেত্র রয়েছে। আঁইশের সম্মুখভাগ তন্তুময় যোজক টিস্যু নির্মিত এবং ডার্মিসের পকেটে প্রবিষ্ট থাকে । আইশগুলো পরস্পরকে আংশিক ঢেকে লম্বালম্বি ও কোণাকুণি সারিতে বিন্যস্ত থাকে। আঁইশগুলো সবসময় মিউকাসের পাতলা পিচ্ছিল আস্তরণে আবৃত থাকে।
আঁইশের কাজ : আঁইশ মাছের প্রধান প্রতিরক্ষাকারী অঙ্গ। এছাড়া আঁইশ মাছের শ্রেণিবিন্যাসে বয়স ও বৃদ্ধির হার নির্ণয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।