উদ্দীপকে চিত্রটি হল মানুষের হৃদপিণ্ড। হৃদপিন্ডের তীর চিহ্নিত গতিপথ গুলো হল -
১.ইনফিরিয়র ভেনাক্যাভা, ২. সুপিরিয়র ভেনাক্যাভা, ৩.আ্যওর্টা, ৪.পালমোনারি শিরা, ৫.পালমোমারি ধমনি।
নিচে গতিপথগুলোর ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা করা হলো:
১.ইনফিরিয়র ভেনাক্যাভা: সাধারণ ডান এবং বাম ইলিয়াক নিয়ে গঠিত হয়। প্রতিটি শাখা পুনরায় অন্তঃস্থ এবং বহিঃস্থ ইলিয়াখ শিরা নিয়ে গঠিত হয়। অন্তঃস্থ ইলিয়াক শ্রোণী অঞ্চল, মলাশয়, জরায়ু প্রভৃতি থেকে ও বহিঃস্থ ইলিয়াত পায়ের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সাফোনাপার্ভা, টিবিয়াল, পপলিশিয়াল, শিরার মাধ্যমে রক্ত সংগ্রহ করে এবং পরিশেষে ইনফিরিয়র ভেনাক্যাভা গঠন করে।
২.সুপিরিয়র ভেনাক্যাভা: ডান এবং বাম ব্রাকিও-শেফালী বা ইনোমিনেট শিরা,সাবক্লেভিয়ান শিরা ও অন্তঃস্থ জুগুলার শিরা নিয়ে গঠিত।
৩.আ্যওর্টা: আ্যওর্টা করোনারি ধমনি প্রদানের পরেই উপরিভাগ চলে যায় এবং বাঁকা হয়ে তিনটি প্রধান শাখা প্রদান করে।এদের আ্যওর্টিও আর্চ বলে।প্রধান শাখা তিনটি হলো-ব্রাকিও-সেফালিক বা ইনোমিনেট,বাম সাধারণ ক্যারেটিড ও বাম সাভক্লেভিয়ান।
৪.পালমোনারি শিরা: যে শিরা ফুসফুস থেকে O2 সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপিন্ডে নিয়ে আসে তাকে পালমোনারি শিরা বলে। শিরার উৎপত্তি কৌশিক জালিকা থেকে এবং সমাপ্তি হৃদপিণ্ড। শিরার প্রাচীর ভবনের নয় তিনটি স্তরে গঠিত হলেও এদের প্রাচীর বেশ পাতলা, নরম এবং অস্থিতিস্থাপক। রুমেন বড় হয় এবং কপাটিকাযুক্ত।
৫.পালমোনারি ধমনী: যে ধমনী CO2 সমৃদ্ধ রক্তকে হৃদপিণ্ড থেকে ফুসফুসে পৌঁছে দেয় তাকে পালমোনারি ধমনী বলে। দমনের উৎপত্তি হৃদপিণ্ড থেকে এবং সমাপ্ত কৌশিক জালিকাতে। এদের রুমের ছোট ও কপাটিকাবিহীন। ধমনীর প্রাচীর বেশ পুরু, হিরো ও স্থিতিস্থাপক এবং তিন স্তর বিশিষ্ট।