উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম কার্যক্রমটি হলো শ্বসন যা শ্বসনতন্ত্রের দ্বারা সংঘটিত হয়। নিচে শ্বসনকার্যক্রম বর্ণনা করা হলো—
O2 ও CO2 প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাসের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করে ও নির্গত হয়। প্রশ্বাস বা শ্বাস গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বায়ুর সাথে O2 ফুসফুসে প্রবেশ করে। এসময় গম্বুজাকৃতির পেশি বেষ্টিত মধ্যচ্ছদার অরীয় পেশি সংকুচিত হলে তা নিচের দিকে নেমে আসে। এতে বক্ষগহ্বরের ব্যাস বৃদ্ধি পায় ও ফুসফুসের মধ্যে বায়ুচাপ বৃদ্ধি পায়। এ আয়তন বৃদ্ধিতে বহিঃস্থ পশুকা পেশিও সহায়তা করে। প্রশ্বাসের সময় বর্ধিত বক্ষগহ্বরের কারণে সৃষ্ট হ্রাসকৃত বায়ুচাপকে সমান করার জন্য ফুসফুসে বায়ু প্রবেশ করে।
প্রশ্বাসের পরপরই নিঃশ্বাস সংঘটিত হয়। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফুসফুসে সংগৃহীত CO2 সমৃদ্ধ বায়ু পরিবেশে নির্গত হয়। এ প্রক্রিয়াটি প্রধানত মধ্যচ্ছদা পেশি এবং পর্শকার স্বস্থানে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে ঘটে থাকে । পেশিসমূহের স্থিতিস্থাপক ধর্মের জন্যই তা পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে। এসময় সংশ্লিষ্ট পেশিসমূহের চাপে মধ্যচ্ছদা ধনুকের ন্যায় বেঁকে বক্ষগহ্বরের আয়তন কমিয়ে দেয়। ফলে বায়ুচাপ অধিক হওয়ায় ফুসফুসস্থ বায়ু নাসাপথে বাইরে বের হতে থাকে। এভাবে শ্বসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।