Chapter 5 : শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া Biology 2nd Paper

HSC Biology 2nd Paper এর Chapter 5 : শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৪৫২

প্রশ্ন

Biology 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানবদেহে রক্তের মাধ্যমে O₂ ও CO₂ এর পরিবহন ঘটে। একইভাবে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত অন্য একটি প্রাণীতে কতগুলো সূক্ষ্মনালিকা এবং তাদের শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে ০₂ ও CO₂ এর পরিবহন ঘটে।

Sylhet · 2017

ক
ব্রাংকিওস্টেগাল ঝিল্লি কী?

উত্তর

রুই মাছের কানকোর পশ্চাৎ কিনারায় অবস্থিত অস্থিনির্মিত, যে পাতলা ঝিল্লি কানকো দেহপৃষ্ঠের সাথে আটকে রাখে তাই ব্রাংকিওস্টেগাল ঝিল্লি।
খ
রুই মাছের বায়ুথলি গ্রাসনালির সাথে যুক্ত থাকে কেনো?

উত্তর

রুই মাছের বায়ুথলি গ্রাসনালির সাথে যুক্ত থাকে। কারণ এর ফলে মুখের মাধ্যমে সহজেই বায়ুথলি বায়ু দ্বারা পূর্ণ এবং খালি হতে পারে। এই সংযোগের কারণে রুই মাছ সহজেই বায়ুথলিকে বায়ু পূর্ণ করে পানিতে ভাসতে পারে। এভাবে বায়ু গ্রহণ করে বায়ুথলির সাহায্যে মাছ পানিতে তার আপেক্ষিক গুরুত্ব বজায় রাখে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ২য় প্রাণীটির শ্বসন অঙ্গের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে মানুষের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির মতো অপর একটি প্রাণীর রক্ত সঞ্চালনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে দ্বিতীয় প্রাণীটি হলো মাছ এবং মাছের শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা, যা সূক্ষ্মনালিকা ও শাখা- প্রশাখার মাধ্যমে রক্ত-সঞ্চালন করে O₂ এবং CO₂ পরিবহন করে। নিচে ফুলকার গঠন বর্ণনা করা হলো: প্রতিটি ফুলকা দু'সারি ফুলকা সূত্রক বা ফুলকা ফিলামেন্ট নিয়ে গঠিত। এগুলো ভেতরের দিকে ব্রাঙ্কিয়াল আর্চের সাথে যুক্ত থাকে। ফুলকা ল্যামিলার প্রতিটি সারিকে হেমিব্রাঙ্ক বলে। দু'সারি হেমিব্রাঙ্কের মধ্যে হ্রাসপ্রাপ্ত ইন্টারব্রাঙ্কিয়াল পর্দা থাকে। প্রতিটি ফুলকা ফিলামেন্ট অনেকগুলো ছোট ছোট আড়াআড়ি সাজানো পাত বা প্লেট নিয়ে গঠিত। ফুলকাগুলো গলবিলের দু'পাশে অবস্থিত দুটি ফুলকা প্রকোষ্ঠের মাঝে মোট চারজোড়া বিদ্যমান থাকে এবং এগুলো কানকুয়া দ্বারা আবৃত থাকে। গলবিলের পার্শ্বপ্রাচীরে পাঁচ জোড়া ফুলকা ছিদ্র থাকে। এগুলো দিয়ে গলবিল ফুলকার সাথে যুক্ত থাকে। ফুলকা ছিদ্রসমূহের মধ্যে পাঁচটি ফুলকা আর্চ থাকে, যাদের মধ্যে পঞ্চমটি কোনো ফুলকা বহন করে না। ফুলকা আর্চের ভেতরের দিকে গলবিল প্রাচীর থেকে কয়েকটি ভাঁজের মতো গিল রেকার সৃষ্টি হয়। এগুলো ফুলকাসমূহকে কঠিন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা করে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির শ্বসন কৌশল কি একই রকম? যুক্তিসহ বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকে মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির মতো একই প্রকৃতির রক্ত সঞ্চালন বিশিষ্ট অপর একটি প্রাণীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২য় প্রাণীটি হলো মাছ এবং এর প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। ফুলকা সূক্ষ্মনালিকা ও শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে রক্তে ০₂ এবং CO₂ সরবরাহ করে। কিন্তু মানুষের থেকে এই প্রক্রিয়া একটু ভিন্ন। মাছের শ্বসনতন্ত্র ফুলকা, বায়ুথলি ও ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা দিয়ে গঠিত। কিন্তু মানুষের শ্বসনতন্ত্র নাসারন্দ্র, নাসাগহবর, নাসাগলাবিল, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালি, ফুসফুস নিয়ে গঠিত। মাছের দুই জোড়া ফুলকা থাকে। কিন্তু মানুষের এক জোড়া ফুসফুস থাকে। মাছ পানি থেকে O₂ গ্রহণ করে। মাছ মুখ দিয়ে পানি শোষণ করে এবং তা গলবিলের ভেতর দিয়ে ফুলকার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে যাবার সময় ০₂ এবং CO₂ গ্যাস ব্যাপন প্রক্রিয়ায় আদান-প্রদান হয়। অপরদিকে মানুষ বায়ু থেকে O₂ গ্রহণ করে। মানুষের নাসারন্দ্র দিয়ে বায়ু প্রবেশ করে নাসাগলবিল, শ্বাসনালি দিয়ে ফুসফুসে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে অ্যালভিওলাসের মাধ্যমে বায়ু থেকে ০₂ এবং CO₂ ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে আদান-প্রদান হয়। এছাড়া মাছের দেহে বায়ুথলি রয়েছে যা শ্বসনে সহায়তা করে। কিন্তু মানুষের দেহে কোনো বায়ুথলি নেই। গঠনগত পার্থক্য থাকলেও মানুষ ও মাছ উভয়ের শ্বসনতন্ত্রই দেহে ০₂ এবং CO₂ গ্যাস পরিবহন করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানবদেহে রক্তের মাধ্যমে O₂ ও CO₂ এর পরিবহন ঘটে। একইভাবে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত অন্য একটি প্রাণীতে কতগুলো সূক্ষ্মনালিকা এবং তাদের শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে ০₂ ও CO₂ এর পরিবহন ঘটে।

Sylhet · 2017

ক
ব্রাংকিওস্টেগাল ঝিল্লি কী?

উত্তর

রুই মাছের কানকোর পশ্চাৎ কিনারায় অবস্থিত অস্থিনির্মিত, যে পাতলা ঝিল্লি কানকো দেহপৃষ্ঠের সাথে আটকে রাখে তাই ব্রাংকিওস্টেগাল ঝিল্লি।
খ
রুই মাছের বায়ুথলি গ্রাসনালির সাথে যুক্ত থাকে কেনো?

উত্তর

রুই মাছের বায়ুথলি গ্রাসনালির সাথে যুক্ত থাকে। কারণ এর ফলে মুখের মাধ্যমে সহজেই বায়ুথলি বায়ু দ্বারা পূর্ণ এবং খালি হতে পারে। এই সংযোগের কারণে রুই মাছ সহজেই বায়ুথলিকে বায়ু পূর্ণ করে পানিতে ভাসতে পারে। এভাবে বায়ু গ্রহণ করে বায়ুথলির সাহায্যে মাছ পানিতে তার আপেক্ষিক গুরুত্ব বজায় রাখে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ২য় প্রাণীটির শ্বসন অঙ্গের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে মানুষের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির মতো অপর একটি প্রাণীর রক্ত সঞ্চালনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে দ্বিতীয় প্রাণীটি হলো মাছ এবং মাছের শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা, যা সূক্ষ্মনালিকা ও শাখা- প্রশাখার মাধ্যমে রক্ত-সঞ্চালন করে O₂ এবং CO₂ পরিবহন করে। নিচে ফুলকার গঠন বর্ণনা করা হলো: প্রতিটি ফুলকা দু'সারি ফুলকা সূত্রক বা ফুলকা ফিলামেন্ট নিয়ে গঠিত। এগুলো ভেতরের দিকে ব্রাঙ্কিয়াল আর্চের সাথে যুক্ত থাকে। ফুলকা ল্যামিলার প্রতিটি সারিকে হেমিব্রাঙ্ক বলে। দু'সারি হেমিব্রাঙ্কের মধ্যে হ্রাসপ্রাপ্ত ইন্টারব্রাঙ্কিয়াল পর্দা থাকে। প্রতিটি ফুলকা ফিলামেন্ট অনেকগুলো ছোট ছোট আড়াআড়ি সাজানো পাত বা প্লেট নিয়ে গঠিত। ফুলকাগুলো গলবিলের দু'পাশে অবস্থিত দুটি ফুলকা প্রকোষ্ঠের মাঝে মোট চারজোড়া বিদ্যমান থাকে এবং এগুলো কানকুয়া দ্বারা আবৃত থাকে। গলবিলের পার্শ্বপ্রাচীরে পাঁচ জোড়া ফুলকা ছিদ্র থাকে। এগুলো দিয়ে গলবিল ফুলকার সাথে যুক্ত থাকে। ফুলকা ছিদ্রসমূহের মধ্যে পাঁচটি ফুলকা আর্চ থাকে, যাদের মধ্যে পঞ্চমটি কোনো ফুলকা বহন করে না। ফুলকা আর্চের ভেতরের দিকে গলবিল প্রাচীর থেকে কয়েকটি ভাঁজের মতো গিল রেকার সৃষ্টি হয়। এগুলো ফুলকাসমূহকে কঠিন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা করে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির শ্বসন কৌশল কি একই রকম? যুক্তিসহ বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকে মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির মতো একই প্রকৃতির রক্ত সঞ্চালন বিশিষ্ট অপর একটি প্রাণীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২য় প্রাণীটি হলো মাছ এবং এর প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। ফুলকা সূক্ষ্মনালিকা ও শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে রক্তে ০₂ এবং CO₂ সরবরাহ করে। কিন্তু মানুষের থেকে এই প্রক্রিয়া একটু ভিন্ন। মাছের শ্বসনতন্ত্র ফুলকা, বায়ুথলি ও ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা দিয়ে গঠিত। কিন্তু মানুষের শ্বসনতন্ত্র নাসারন্দ্র, নাসাগহবর, নাসাগলাবিল, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালি, ফুসফুস নিয়ে গঠিত। মাছের দুই জোড়া ফুলকা থাকে। কিন্তু মানুষের এক জোড়া ফুসফুস থাকে। মাছ পানি থেকে O₂ গ্রহণ করে। মাছ মুখ দিয়ে পানি শোষণ করে এবং তা গলবিলের ভেতর দিয়ে ফুলকার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে যাবার সময় ০₂ এবং CO₂ গ্যাস ব্যাপন প্রক্রিয়ায় আদান-প্রদান হয়। অপরদিকে মানুষ বায়ু থেকে O₂ গ্রহণ করে। মানুষের নাসারন্দ্র দিয়ে বায়ু প্রবেশ করে নাসাগলবিল, শ্বাসনালি দিয়ে ফুসফুসে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে অ্যালভিওলাসের মাধ্যমে বায়ু থেকে ০₂ এবং CO₂ ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে আদান-প্রদান হয়। এছাড়া মাছের দেহে বায়ুথলি রয়েছে যা শ্বসনে সহায়তা করে। কিন্তু মানুষের দেহে কোনো বায়ুথলি নেই। গঠনগত পার্থক্য থাকলেও মানুষ ও মাছ উভয়ের শ্বসনতন্ত্রই দেহে ০₂ এবং CO₂ গ্যাস পরিবহন করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানবদেহের বক্ষগহ্বরে দুটি বায়ুপূর্ণ থলি রয়েছে। প্রতিটি থলি অসংখ্য বায়ুকুঠুরিতে বিভক্ত। এরা বিশেষ কৌশলে সংকুচিত ও প্রসারিত (ভেন্টিলেশন) হয়।

Chittagong · 2017

ক
হেপারিন কী?

উত্তর

হেপারিন হলো বেসোফিল থেকে উৎপন্ন একটি বিশেষ পদার্থ যা রক্তনালির গাত্রে রক্ত জমাট রোধ করে।
খ
BMI বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচক হলো BMI (Body Mass Index)। দেহের মোট ওজনকে (কেজি এককে) উচ্চতার (মিটার এককে) বর্গ দিয়ে ভাগ করলে BMI পাওয়া যায়। একজন সুস্থ স্বাভাবিক ব্যক্তির BMI ১৮.৫ - ২৪.৯ এর মধ্যে থাকে। BMI মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত একটি বায়ুকুঠুরির গঠন বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বায়ুকুঠুরিটি হলো অ্যালভিওলাস। এটি ফুসফুসের গঠন ও কার্যগত একক। এটি ক্ষুদ্র বুদ বুদ সদৃশ বায়ুকুঠুরি। এদের প্রাচীরে কৈশিক জালিকা নিবিড়ভাবে অবস্থান করে। পালমোনারি ধমনি থেকে এদের উৎপত্তি ঘটে এবং পুনরায় মিলে পালমোনারি শিরা গঠন করে। এদের প্রাচীর চ্যাপ্টাকৃতির স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা গঠিত। এছাড়া প্রাচীরে কিছু স্থিতিস্থাপক কোলাজেন সূত্রক থাকে, যে কারণে অ্যালভিওলাসের সংকোচন-প্রসারণ ঘটে থাকে। অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে কিছু বিশেষ কোষ থাকে যারা সারফেকট্যান্ট নামক ডিটারজেন্টের অনুরূপ ফসফোলিপিড রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। সারফেকট্যান্ট সারফেস টেনশন হ্রাস করে অ্যালভিওলাসের স্ফীত অবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে। অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে ফ্যাগোসাইটিক অ্যালভিওলার ম্যাক্রোফেজ থাকে। এ ম্যাক্রোফেজ অণুজীবসহ বহিরাগত বস্তু বিনষ্ট করে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ভেন্টিলেশন কৌশলটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত কৌশলটি হলো মানুষের প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস কার্যক্রম বা ভেন্টিলেশন কৌশল। মানুষের প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস কার্যক্রম প্রক্রিয়াটি মস্তিষ্কের পশ্চাৎ অংশের মেডুলা অবলঙ্গাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। মস্তিষ্কের শ্বাসকেন্দ্র নামক এক গুচ্ছ স্নায়ু শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্কের পন্সের পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র এবং মেডুলার পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এদেরকে শ্বাসকেন্দ্র বলে। পন্সের দুইজোড়া স্নায়ু যথাক্রমে নিউমোট্যাক্সিক ও অ্যাপনিউস্টিক স্নায়ুকেন্দ্র নামে পরিচিত। অন্যদিকে মেডুলায় দুইজোড়া স্নায়কেন্দ্র যথাক্রমে প্রশ্বাস কেন্দ্র ও নিঃশ্বাস কেন্দ্র নামে পরিচিত। উপরিউক্ত স্নায়কেন্দ্রসমূহ শ্বসন সংশ্লিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে স্নায়ুজালক দ্বারা যুক্ত থাকে। প্রথমে নিউমোট্যাক্সিক কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে যায় এবং সেখান থেকে নিঃশ্বাস কেন্দ্রে যায়। নিঃশ্বাস কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা প্রশ্বাস কেন্দ্রে গমন করে এবং সেখান থেকে ডায়াফ্রামে যায়। ফলে ডায়াফ্রাম কার্যক্রম শুরু করে। অপরদিকে প্রশ্বাসকেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা ইন্টারকোস্টাল পেশিকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে ইন্টারকোস্টাল পেশি কার্যক্রম শুরু করে। অন্যদিকে ফুসফুস থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে গমন করে। এভাবে মস্তিষ্কের মেডুলা অবলঙ্গাটায় অবস্থিত পনস ও মেডুলা প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানবদেহের বক্ষগহ্বরে দুটি বায়ুপূর্ণ থলি রয়েছে। প্রতিটি থলি অসংখ্য বায়ুকুঠুরিতে বিভক্ত। এরা বিশেষ কৌশলে সংকুচিত ও প্রসারিত (ভেন্টিলেশন) হয়।

Chittagong · 2017

ক
হেপারিন কী?

উত্তর

হেপারিন হলো বেসোফিল থেকে উৎপন্ন একটি বিশেষ পদার্থ যা রক্তনালির গাত্রে রক্ত জমাট রোধ করে।
খ
BMI বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচক হলো BMI (Body Mass Index)। দেহের মোট ওজনকে (কেজি এককে) উচ্চতার (মিটার এককে) বর্গ দিয়ে ভাগ করলে BMI পাওয়া যায়। একজন সুস্থ স্বাভাবিক ব্যক্তির BMI ১৮.৫ - ২৪.৯ এর মধ্যে থাকে। BMI মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত একটি বায়ুকুঠুরির গঠন বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বায়ুকুঠুরিটি হলো অ্যালভিওলাস। এটি ফুসফুসের গঠন ও কার্যগত একক। এটি ক্ষুদ্র বুদ বুদ সদৃশ বায়ুকুঠুরি। এদের প্রাচীরে কৈশিক জালিকা নিবিড়ভাবে অবস্থান করে। পালমোনারি ধমনি থেকে এদের উৎপত্তি ঘটে এবং পুনরায় মিলে পালমোনারি শিরা গঠন করে। এদের প্রাচীর চ্যাপ্টাকৃতির স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা গঠিত। এছাড়া প্রাচীরে কিছু স্থিতিস্থাপক কোলাজেন সূত্রক থাকে, যে কারণে অ্যালভিওলাসের সংকোচন-প্রসারণ ঘটে থাকে। অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে কিছু বিশেষ কোষ থাকে যারা সারফেকট্যান্ট নামক ডিটারজেন্টের অনুরূপ ফসফোলিপিড রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। সারফেকট্যান্ট সারফেস টেনশন হ্রাস করে অ্যালভিওলাসের স্ফীত অবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে। অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে ফ্যাগোসাইটিক অ্যালভিওলার ম্যাক্রোফেজ থাকে। এ ম্যাক্রোফেজ অণুজীবসহ বহিরাগত বস্তু বিনষ্ট করে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ভেন্টিলেশন কৌশলটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত কৌশলটি হলো মানুষের প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস কার্যক্রম বা ভেন্টিলেশন কৌশল। মানুষের প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস কার্যক্রম প্রক্রিয়াটি মস্তিষ্কের পশ্চাৎ অংশের মেডুলা অবলঙ্গাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। মস্তিষ্কের শ্বাসকেন্দ্র নামক এক গুচ্ছ স্নায়ু শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্কের পন্সের পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র এবং মেডুলার পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এদেরকে শ্বাসকেন্দ্র বলে। পন্সের দুইজোড়া স্নায়ু যথাক্রমে নিউমোট্যাক্সিক ও অ্যাপনিউস্টিক স্নায়ুকেন্দ্র নামে পরিচিত। অন্যদিকে মেডুলায় দুইজোড়া স্নায়কেন্দ্র যথাক্রমে প্রশ্বাস কেন্দ্র ও নিঃশ্বাস কেন্দ্র নামে পরিচিত। উপরিউক্ত স্নায়কেন্দ্রসমূহ শ্বসন সংশ্লিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে স্নায়ুজালক দ্বারা যুক্ত থাকে। প্রথমে নিউমোট্যাক্সিক কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে যায় এবং সেখান থেকে নিঃশ্বাস কেন্দ্রে যায়। নিঃশ্বাস কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা প্রশ্বাস কেন্দ্রে গমন করে এবং সেখান থেকে ডায়াফ্রামে যায়। ফলে ডায়াফ্রাম কার্যক্রম শুরু করে। অপরদিকে প্রশ্বাসকেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা ইন্টারকোস্টাল পেশিকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে ইন্টারকোস্টাল পেশি কার্যক্রম শুরু করে। অন্যদিকে ফুসফুস থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে গমন করে। এভাবে মস্তিষ্কের মেডুলা অবলঙ্গাটায় অবস্থিত পনস ও মেডুলা প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাথার খুলিতে মুখমণ্ডলীয় অংশে নাসাগহ্বরের দু'পাশে কয়েক জোড়া বিশেষ গহ্বর থাকে যা বাতাসের পরিবর্তে তরলে পূর্ণ হলে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে প্রদাহের সৃষ্টি করে।

Jessore · 2017

ক
অ্যালভিওলাস কী?

উত্তর

ফুসফুসে স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াল কোষে গঠিত ও কৈশিক জালিকাসমৃদ্ধ প্রকোষ্ঠের মতো গ্যাসীয় বিনিময় তলই হলো অ্যালভিওলাস।
খ
এপিগ্লটিস এর কাজগুলো লেখো।

উত্তর

স্বরযন্ত্রের মুখবিবর গ্লটিস নামক যে ছিদ্র দিয়ে উন্মুক্ত হয় তার মুখে ঢাকনার মতো অংশই হলো এপিগ্লটিস। খাদ্য গলাধঃকরণের সময় এপিগ্লটিস স্বরযন্ত্রের মুখ বন্ধ করে দেয় এবং খাদ্যবস্তুকে শ্বাসনালিতে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত গহ্বরগুলোর নাম, অবস্থান ও প্রদাহ সম্পর্কে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত গহ্বরটি বলতে সাইনাসকে বোঝানো হয়েছে। সাইনাস তরলে পূর্ণ হলে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে সাইনুসাইটিস রোগের সৃষ্টি করে। অবস্থানের উপর ভিত্তি করে মানবদেহে চার ধরনের সাইনাস রয়েছে। এসব সাইনাসে সৃষ্ট সাইনুসাইটিসের অবস্থানও ভিন্ন। নিচে এদের নাম, অবস্থান ও প্রদাহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হলো- i. ম্যাক্সিলারি সাইনাস: ম্যাক্সিলারি অঞ্চলে এদের অবস্থান। এই সংক্রমণে ম্যাক্সিলা বা গালে চাপ প্রয়োগে ব্যথা অনুভূত হয়। বিশেষ করে দাঁত ও মাথায় ব্যথা হয়। ii. ফ্রন্টাল সাইনাস: চোখের ওপরে অবস্থিত। এর ফলে ফ্রন্টাল সাইনাসে চাপ প্রয়োগে ব্যথা অনুভূত হয় এবং মাথা ব্যথা দেখা দেয়। iii. এথময়েড সাইনাস: দুই চোখের মাঝে অবস্থিত। এক্ষেত্রে দুই চোখের মাঝখানে বা পেছনে ব্যথা অনুভূত হয়। এথময়েড সাইনাসে মিউকাস পর্দা সংক্রমিত হয়। iv . স্ফেনয়েড সাইনাস: স্ফেনয়েড সাইনাস আক্রান্ত হলে চোখের পশ্চাৎ বা মাথার চূড়ায় ব্যথা অনুভূত হয়।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রদাহ থেকে কীভাবে মুক্ত থাকা যায়- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রদাহ বলতে সাইনাসে সৃষ্ট প্রদাহ বা সাইনুসাইটিসকে বোঝানো হয়েছে। এই প্রদাহের ফলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। এই প্রদাহ থেকে মুক্ত থাকতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- i. শুষ্ক, খোলামেলা এবং যথেষ্ট আলো বাতাস আছে এমন ঘরে বসবাস করা। ii. ধূলাবালি থেকে দূরে থাকা। iii. ঘন ঘন ঠাণ্ডা না লাগানো। iv. একটু লবণ পানি নাক দিয়ে টেনে নেওয়া এবং মুখের ওপর গরম সেক দেওয়া। গরম ভাপ নেওয়া। vi. নিওসাইনেফ্রিন ব্যবহার করা। vii. প্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক, হিস্টাসিন জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করা। এছাড়াও যদি রোগ এড়ানো না যায় তাহলে নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া। এ নিয়মগুলো মেনে চললে সাইনুসাইটিস থেকে মুক্ত থাকা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাথার খুলিতে মুখমণ্ডলীয় অংশে নাসাগহ্বরের দু'পাশে কয়েক জোড়া বিশেষ গহ্বর থাকে যা বাতাসের পরিবর্তে তরলে পূর্ণ হলে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে প্রদাহের সৃষ্টি করে।

Jessore · 2017

ক
অ্যালভিওলাস কী?

উত্তর

ফুসফুসে স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াল কোষে গঠিত ও কৈশিক জালিকাসমৃদ্ধ প্রকোষ্ঠের মতো গ্যাসীয় বিনিময় তলই হলো অ্যালভিওলাস।
খ
এপিগ্লটিস এর কাজগুলো লেখো।

উত্তর

স্বরযন্ত্রের মুখবিবর গ্লটিস নামক যে ছিদ্র দিয়ে উন্মুক্ত হয় তার মুখে ঢাকনার মতো অংশই হলো এপিগ্লটিস। খাদ্য গলাধঃকরণের সময় এপিগ্লটিস স্বরযন্ত্রের মুখ বন্ধ করে দেয় এবং খাদ্যবস্তুকে শ্বাসনালিতে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত গহ্বরগুলোর নাম, অবস্থান ও প্রদাহ সম্পর্কে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত গহ্বরটি বলতে সাইনাসকে বোঝানো হয়েছে। সাইনাস তরলে পূর্ণ হলে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে সাইনুসাইটিস রোগের সৃষ্টি করে। অবস্থানের উপর ভিত্তি করে মানবদেহে চার ধরনের সাইনাস রয়েছে। এসব সাইনাসে সৃষ্ট সাইনুসাইটিসের অবস্থানও ভিন্ন। নিচে এদের নাম, অবস্থান ও প্রদাহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হলো- i. ম্যাক্সিলারি সাইনাস: ম্যাক্সিলারি অঞ্চলে এদের অবস্থান। এই সংক্রমণে ম্যাক্সিলা বা গালে চাপ প্রয়োগে ব্যথা অনুভূত হয়। বিশেষ করে দাঁত ও মাথায় ব্যথা হয়। ii. ফ্রন্টাল সাইনাস: চোখের ওপরে অবস্থিত। এর ফলে ফ্রন্টাল সাইনাসে চাপ প্রয়োগে ব্যথা অনুভূত হয় এবং মাথা ব্যথা দেখা দেয়। iii. এথময়েড সাইনাস: দুই চোখের মাঝে অবস্থিত। এক্ষেত্রে দুই চোখের মাঝখানে বা পেছনে ব্যথা অনুভূত হয়। এথময়েড সাইনাসে মিউকাস পর্দা সংক্রমিত হয়। iv . স্ফেনয়েড সাইনাস: স্ফেনয়েড সাইনাস আক্রান্ত হলে চোখের পশ্চাৎ বা মাথার চূড়ায় ব্যথা অনুভূত হয়।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রদাহ থেকে কীভাবে মুক্ত থাকা যায়- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রদাহ বলতে সাইনাসে সৃষ্ট প্রদাহ বা সাইনুসাইটিসকে বোঝানো হয়েছে। এই প্রদাহের ফলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। এই প্রদাহ থেকে মুক্ত থাকতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- i. শুষ্ক, খোলামেলা এবং যথেষ্ট আলো বাতাস আছে এমন ঘরে বসবাস করা। ii. ধূলাবালি থেকে দূরে থাকা। iii. ঘন ঘন ঠাণ্ডা না লাগানো। iv. একটু লবণ পানি নাক দিয়ে টেনে নেওয়া এবং মুখের ওপর গরম সেক দেওয়া। গরম ভাপ নেওয়া। vi. নিওসাইনেফ্রিন ব্যবহার করা। vii. প্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক, হিস্টাসিন জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করা। এছাড়াও যদি রোগ এড়ানো না যায় তাহলে নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া। এ নিয়মগুলো মেনে চললে সাইনুসাইটিস থেকে মুক্ত থাকা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো