উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো ফুসফুস যা ভূনীয় ২৩ সপ্তাহে কাজ করতে শুরু করে। বাইরের পরিবেশের সাথে গ্যাস বিনিময়ের মাধ্যমে অর্থাৎ বহিঃশ্বসনের মাধ্যমে ফুসফুস পরিবেশের সাথে সমন্বয় সাধন করে । নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
বহিঃবিনিময় বা বহিঃশ্বসন একধরনের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ফুসফুসে O2 সমৃদ্ধ বায়ু প্রবেশ করে এবং CO2 সমৃদ্ধ বায়ু ফুসফুস থেকে বের হয়ে যায়। বহিঃশ্বসন দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়। যথা- শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ। শ্বাসগ্রহণ প্রক্রিয়ায় ডায়াফ্রাম ও ইন্টারকোস্টাল পেশির সংকোচনে বক্ষীয় গহ্বর সবদিকে বেড়ে যায়। এ কারণে ফুসফুস প্রসারিত হয়ে এর ভেতরের আয়তনও বেড়ে যায়। ফলে ফুসফুসের অভ্যন্তরে বায়ুচাপ কমে যায় এবং নাসিকাপথের বায়ু অর্থাৎ O2 ফুসফুসে প্রবেশ করে। আবার শ্বাসগ্রহণ এর পরপরই শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়। শ্বাসগ্রহণে অংশগ্রহণকারী পেশিগুলোর প্রসারণ বা শিথিলতার জন্য শ্বাসত্যাগ ঘটে। এ ধাপে বক্ষগহ্বরের আয়তন কমে যায় এবং প্লুরার অন্তঃস্থ চাপ ও ফুসফুসের বায়ুর চাপ বেড়ে যায়। CO2-যুক্ত বাতাস তখন ফুসফুস থেকে নাসিকাপথে বেরিয়ে গেলে ফুসফুসের আয়তনও কমে যায় ।
এভাবে গ্যাস বিনিময়ের মাধ্যমে উদ্দীপকের অঙ্গটি অর্থাৎ ফুসফুস বাইরের পরিবেশের সাথে সমন্বয় সাধন করে ।