শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রশিক্ষিত ব্যক্তির কৃতকাজের ধারাবাহিতা বর্ণনা করো।

উত্তর: মুখ হতে মুখের সাহায্যে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস (Mouth to Mouth Artificial Respiration) সময়মত সাহায্য পেলে কিভাবে একটি জীবন বেঁচে যেতে পারে তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ মুখ হতে মুখের সাহায্যে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যবস্থা গ্রহণ । পানিতে ডুবে, কোনো কারণে অক্সিজেনের অভাব, বৈদ্যুতিক শক, বিষপান বা গ্যাস গ্রহণ প্রভৃতি নানা কারণে শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে । যে কারণেই হোক শিশু বা কিশোরকে (কিংবা পূর্ণবয়স্ককে) বাঁচাতে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে দ্রুত মুখ থেকে মুখে শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে । অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার সঙ্গে শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। এ কারণে প্রথমেই দেখতে হবে বুকের উঠানামা বা কফের লক্ষণ আছে কিনা । না থাকলে ধাপে ধাপে মুখ-মুখে শ্বাসপ্রশ্বাস কার্যক্রম চালু করতে হবে। ধাপ-১ : চিৎকার করে কাউকে অ্যাম্বুলেন্স বা ডাক্তার ডাকার অনুরোধ করতে হবে । ধাপ-২ : বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির জিভ সামনের দিকে টেনে দেখতে হবে মুখ-তালু গলায় কিছু আটকে আছে কিনা, থাকলে আস্তে উপুড় করে আঙ্গুলের সাহায্যে বের করে আনতে হবে । বিশেষ করে বেশি পরিমাণে মিউকাস থাকলে তা তাড়াতাড়ি পরিষ্কার করে নিতে হবে। ধাপ-৩ : রোগীকে শক্ত খাট, টেবিল বা মাটিতে চিৎ করে এমনভাবে শুইয়ে দিতে হবে যাতে নাক সে দিকে বা আকাশের দিকে থাকে । এবার যতখানি খোলা যায় মুখ হা করতে হবে । এতে শ্বাসনালির ভিতর নিতে হবে । ছোট শিশু হলে তার নাক-মুখ ঢেকে নিজের মুখ চেপে ধরতে হবে (সামান্য বাতাসও যেন পারে) । এরপর আস্তে আস্তে ফুঁ দিতে হবে, লক্ষ রাখতে হবে যেন রোগীর বুক সামান্য ফুলে উঠে । জোরে ফুঁ দেয়া যায় না, তাহলে শিশুর ফুসফুসের কোথাও ছিঁড়ে যেতে পারে । বয়স্কদের ক্ষেত্রে, একহাতে তার নাক চেপে ধরে মুখের উপরে মুখ স্থাপন করতে হবে । তখন সজোরে ফুঁ দিয়ে রোগীর বুক উঁচু হয় তা নিশ্চিত হতে হবে । এভাবে দুবার ফুঁ দিতে হবে । ধাপ-৫ : ধাপ ৪ চলাকালীন কখনওবা রোগীর হৃৎস্পন্দন থেমে যেতে পারে । এমন অবস্থায় দুবার প্রশ্বাস দেয়ার পর রোগীর নাড়ি চেপে দেখতে হবে । কনুইয়ের সামনে দু-আঙ্গুলে হালকা চাপ দিয়ে নাড়ির অবস্থা বুঝতে হবে । বয়স্কশিশুর ক্ষেত্রে ঘাড়ে শ্বাসনালির পাশে আঙ্গুলের চাপে নাড়ির স্পন্দন একেবারেই না পাওয়া গেলে বুকের মাঝখানে উঃফলকে চাপ দিয়ে মালিশ করতে হবে । ধাপ-৬ : ঘটনাস্থলে একাধিক ব্যক্তি থাকলে একজন বুক মালিশ করবে, আরেকজন মুখ-মুখে শ্বাস চালিয়ে যেতে হবে । কম বয়সি শিশুর ক্ষেত্রে ৩ আঙ্গুল দিয়ে নিপলের ঠিক নিচে চাপ দিয়ে মালিশ করতে হবে । ঘরে যদি আর কেউ না থাকে তাহলে একবার মুখ-মুখে শ্বাস দিয়ে ৫ বার মালিশ করতে হবে । বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশি চাপের প্রয়োজন হতে পারে, তখন হাতের তালুর গোড়া (palm of hand) ব্যবহার করা যেতে পারে। মালিশের সময় বুক প্রায় দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত চেপে নিচে নামিয়ে দিতে হতে পারে । রোগীর বুকের দিকে লক্ষ রাখতে হবে । বুক উঠানামা করতে শুরু করলে মুখে বাতাস প্রবেশ করানো বন্ধ করে দিতে হবে । তা নাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত চিকিৎসক, অক্সিজেন নল, অক্সিজেন ব্যাগ, সিলিন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়া যাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে ।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 5 : শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 5 : শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রশিক্ষিত ব্যক্তির কৃতকাজের ধারাবাহিতা বর্ণনা করো।

উদ্দীপক

শ্বসন একটি ছন্দময় প্রক্রিয়া। শ্বাসকেন্দ্র, শ্বসন সংশ্লিষ্ট প্রতিবর্তী ক্রিয়া ইত্যাদি শ্বাসক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। বিশেষ পরিস্থিতিতে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রয়োজন হলে একজন প্রশিক্ষিত ব্যক্তিকেই এ কাজটি করতে হয়।

Dhaka · 2022

উত্তর

কানের ভিতরে বা বাইরে যে কোন অংশে সংক্রমণজনিত প্রদাহকে ওটাইটিস (otitis) বলে । কানের মধ্যকর্মে সংক্রমণজনিত প্রদাহকে বলা হয় ওটাইটিস মিডিয়া (otitis media / middle ear infection)।

উত্তর

হিমোগ্লোবিন হচ্ছে মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তের লোহিত কণিকায় এবং অনেক অমেরুদণ্ডী প্রাণীর প্লাজমায় (রক্তরস) বিস্তৃত লাল বর্ণের প্রোটিনধর্মী অক্সিজেনবাহী শ্বাসরঞ্জক। লোহিত রক্তকণিকার প্রধান প্রোটিন হচ্ছে হিমোগ্লোবিন। বর্ণের জন্যই লোহিত কণিকা লাল দেখায় এবং লোহিত কণিকার সংখ্যাধিক্যের কারণে রক্ত লাল দেখায়। হিমোগ্লোবিন শ্বসন গ্যাস অক্সিজেন পরিবহনে প্রধান ভূমিকা পালন করে, কিছু পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইডও বহন করে। চারটি একক নিয়ে গঠিত হিমোগ্লোবিন একটি গোল অণু । এর প্রতিটি একক পলিপেপটাইড জাতীয় প্রোটিন গ্লোবিন (globin) এবং লৌহগঠিত হিম (heme) নিয়ে গঠিত। রক্তে হিম ও গ্লোবিন ১:২৫ অনুপাতে উপস্থিত থাকে। হিমের ৩৩.৩৩% লৌহ (Fe)। পূর্ণবয়স্ক মানুষের সমগ্র রক্তে মাত্র ৪-৫ গ্রাম লৌহ থাকে।

উত্তর

মুখ হতে মুখের সাহায্যে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস (Mouth to Mouth Artificial Respiration) সময়মত সাহায্য পেলে কিভাবে একটি জীবন বেঁচে যেতে পারে তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ মুখ হতে মুখের সাহায্যে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যবস্থা গ্রহণ । পানিতে ডুবে, কোনো কারণে অক্সিজেনের অভাব, বৈদ্যুতিক শক, বিষপান বা গ্যাস গ্রহণ প্রভৃতি নানা কারণে শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে । যে কারণেই হোক শিশু বা কিশোরকে (কিংবা পূর্ণবয়স্ককে) বাঁচাতে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে দ্রুত মুখ থেকে মুখে শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে । অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার সঙ্গে শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। এ কারণে প্রথমেই দেখতে হবে বুকের উঠানামা বা কফের লক্ষণ আছে কিনা । না থাকলে ধাপে ধাপে মুখ-মুখে শ্বাসপ্রশ্বাস কার্যক্রম চালু করতে হবে। ধাপ-১ : চিৎকার করে কাউকে অ্যাম্বুলেন্স বা ডাক্তার ডাকার অনুরোধ করতে হবে । ধাপ-২ : বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির জিভ সামনের দিকে টেনে দেখতে হবে মুখ-তালু গলায় কিছু আটকে আছে কিনা, থাকলে আস্তে উপুড় করে আঙ্গুলের সাহায্যে বের করে আনতে হবে । বিশেষ করে বেশি পরিমাণে মিউকাস থাকলে তা তাড়াতাড়ি পরিষ্কার করে নিতে হবে। ধাপ-৩ : রোগীকে শক্ত খাট, টেবিল বা মাটিতে চিৎ করে এমনভাবে শুইয়ে দিতে হবে যাতে নাক সে দিকে বা আকাশের দিকে থাকে । এবার যতখানি খোলা যায় মুখ হা করতে হবে । এতে শ্বাসনালির ভিতর নিতে হবে । ছোট শিশু হলে তার নাক-মুখ ঢেকে নিজের মুখ চেপে ধরতে হবে (সামান্য বাতাসও যেন পারে) । এরপর আস্তে আস্তে ফুঁ দিতে হবে, লক্ষ রাখতে হবে যেন রোগীর বুক সামান্য ফুলে উঠে । জোরে ফুঁ দেয়া যায় না, তাহলে শিশুর ফুসফুসের কোথাও ছিঁড়ে যেতে পারে । বয়স্কদের ক্ষেত্রে, একহাতে তার নাক চেপে ধরে মুখের উপরে মুখ স্থাপন করতে হবে । তখন সজোরে ফুঁ দিয়ে রোগীর বুক উঁচু হয় তা নিশ্চিত হতে হবে । এভাবে দুবার ফুঁ দিতে হবে । ধাপ-৫ : ধাপ ৪ চলাকালীন কখনওবা রোগীর হৃৎস্পন্দন থেমে যেতে পারে । এমন অবস্থায় দুবার প্রশ্বাস দেয়ার পর রোগীর নাড়ি চেপে দেখতে হবে । কনুইয়ের সামনে দু-আঙ্গুলে হালকা চাপ দিয়ে নাড়ির অবস্থা বুঝতে হবে । বয়স্কশিশুর ক্ষেত্রে ঘাড়ে শ্বাসনালির পাশে আঙ্গুলের চাপে নাড়ির স্পন্দন একেবারেই না পাওয়া গেলে বুকের মাঝখানে উঃফলকে চাপ দিয়ে মালিশ করতে হবে । ধাপ-৬ : ঘটনাস্থলে একাধিক ব্যক্তি থাকলে একজন বুক মালিশ করবে, আরেকজন মুখ-মুখে শ্বাস চালিয়ে যেতে হবে । কম বয়সি শিশুর ক্ষেত্রে ৩ আঙ্গুল দিয়ে নিপলের ঠিক নিচে চাপ দিয়ে মালিশ করতে হবে । ঘরে যদি আর কেউ না থাকে তাহলে একবার মুখ-মুখে শ্বাস দিয়ে ৫ বার মালিশ করতে হবে । বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশি চাপের প্রয়োজন হতে পারে, তখন হাতের তালুর গোড়া (palm of hand) ব্যবহার করা যেতে পারে। মালিশের সময় বুক প্রায় দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত চেপে নিচে নামিয়ে দিতে হতে পারে । রোগীর বুকের দিকে লক্ষ রাখতে হবে । বুক উঠানামা করতে শুরু করলে মুখে বাতাস প্রবেশ করানো বন্ধ করে দিতে হবে । তা নাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত চিকিৎসক, অক্সিজেন নল, অক্সিজেন ব্যাগ, সিলিন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়া যাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে ।

উত্তর

উদ্দীপকের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াটির শুধুই স্নায়বিক নিয়ন্ত্রণ হয় না।রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ ও ঘটে থাকে। শ্বসনের রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ (Chemical Control): রক্তে CO2, O2, এবং H+ আয়নের মাত্রায় শ্বাসক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। অক্সিজেন : রক্তে O2, এর অভাব বা আধিক্য ঘটলে ক্যারোটিড ও অ্যাওর্টিক বডির কেমোরিসেপ্টর কোষগুলো উদ্দীপিত হয়ে স্নায়ুতাড়নার মাধ্যমে শ্বাসকেন্দ্রকে উদ্দীপ্ত করে। এ উদ্দীপনা রক্ত থেকে শ্বাসকেন্দ্র সরাসরিও গ্রহণ করতে পারে । O2, এর অভাবজনিত উদ্দীপনা শ্বসনকেন্দ্র থেকে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়ে শ্বসন হার বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে O2, এর আধিক্যজনিত তাড়না শ্বাসকেন্দ্রকে প্রশমিত করে এবং শ্বাসক্রিয়ার হার কমিয়ে দেয়। কার্বন ডাইঅক্সাইড : ক্যারোটিড ও অ্যাওর্টিক বডিতে অবস্থিত কেমোরিসেপ্টর কোষ ও মেডুলায় অবস্থিত কেমোরিসেপ্টর কোষ রক্তের CO2, এর মাত্রায় উদ্দীপিত হয়ে শ্বাসক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। রক্তে CO2, এর চাপ বাড়লে প্রথমে শ্বাসক্রিয়ার গভীরতা ও পরে শ্বাসক্রিয়ার হার বেড়ে যায় । রক্তে CO2, এর মাত্রা কমে এলে শ্বাসক্রিয়ার হারও কে যায়। হাইড্রোজেন আয়ন : রক্তে H+ আয়নের তীব্রতার হ্রাস-বৃদ্ধিতে শ্বাসক্রিয়ারও হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে । H+ আয়নের পরিবর্তনও সরাসরি শ্বাসকেন্দ্র অথবা ক্যারোটিড ও অ্যাওর্টিক বডির মাধ্যমে কাজ করে শ্বাসক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তে H+ আয়ন মাত্রা বৃদ্ধি পেলে আধিক্য অবস্থায় শ্বাসক্রিয়ার হার বেড়ে যায় । এতে CO2, বেশি মাত্রায় ফুসফুস থেকে নিষ্ক্রান্ত হয় । এ অবস্থায় H+এর তীব্রতা কমে গেলে শ্বসন হারও কমে যায় ।
HSCBiology 2nd PaperChapter 5 : শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.ডান ফুসফুসে লোবিউলের সংখ্যা-

  • 4 টি
  • 10 টি
  • 12 টি
  • 20 টি

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.শ্বসনবৃক্ষের কোন অংশ গ্যাস বিনিময়ে অংশগ্রহণ করে?

  • সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস
  • টারসিয়ারি ব্রঙ্কাস
  • টার্মিনাল ব্রঙ্কিওল
  • অ্যালভিওলার নালি

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়-

  • কোষে
  • ফুসফুসে
  • দেহে
  • কোনটিই না

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন শ্বাসরঞ্জকটি প্রধানত অস্থিপেশিতে পাওয়া যায়?

  • হিমোগ্লোবিন
  • মায়োগ্লোবিন
  • হেপারিন
  • বিলিরুবিন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কত?

  • ২৭%
  • ৩০%
  • ৩৩%
  • ৩৭%

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.শ্বসনতন্ত্রের অংশ - i. নাসিকা ii. ফুসফুস
iii. যকৃত নিচের কোনটি সঠিক?

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ফুসফুসের স্বাভাবিক বায়ুধারণ ক্ষমতা কত ml?

  • ২৫০০
  • ৩৫০০
  • ৪৫০০
  • ৫৫০০

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সাইনাসের প্রদাহকে কী বলে?

  • ওটিটিস মিডিয়া
  • সাইনুসাইটিস
  • এলার্জি
  • এমফাইসেমা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রাণিদেহে ফুসফুসীয় শ্বসনকালে CO2 দেহকোষ হতে শ্বসনাঙ্গের দিকেপরিবাহিত হয়-

  • কার্বনিক এসিড রূপে
  • বাইকার্বোনেট রূপে
  • কার্বামিনো যৌগ রূপে
  • উপরের তিনভাবে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মানুষের শ্বসনে শতকরা কতভাগ অক্সিজেন প্লাজমায় ভৌতরূপে পরিবাহিত হয়?

  • 0.1%
  • 0.2%
  • 2.0%
  • 3.0%

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষ বিশ্রামকালে প্রতি মিনিটে কতবার শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে?

  • ১৪-১৮
  • ২০-২৪
  • ২৮-৩২
  • ৩৬-৪০

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কোনটি আমাদের রক্তের বাফার উপাদানের অংশ হিসেবে অম্ল- ক্ষারের সাম্যাবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে?

  • বিলিরুবিন
  • হেপারিন
  • ইউরোবিলিন
  • হিমোগ্লোবিন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ডান ফুসফুসে লোবিউলের সংখ্যা-শ্বসনবৃক্ষের কোন অংশ গ্যাস বিনিময়ে অংশগ্রহণ করে?শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়-কোন শ্বাসরঞ্জকটি প্রধানত অস্থিপেশিতে পাওয়া যায়?লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কত?শ্বসনতন্ত্রের অংশ - i. নাসিকা ii. ফুসফুসiii. যকৃত নিচের কোনটি সঠিক?ফুসফুসের স্বাভাবিক বায়ুধারণ ক্ষমতা কত ml?সাইনাসের প্রদাহকে কী বলে?প্রাণিদেহে ফুসফুসীয় শ্বসনকালে CO2 দেহকোষ হতে শ্বসনাঙ্গের দিকেপরিবাহিত হয়-মানুষের শ্বসনে শতকরা কতভাগ অক্সিজেন প্লাজমায় ভৌতরূপে পরিবাহিত হয়?পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষ বিশ্রামকালে প্রতি মিনিটে কতবার শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন ককোনটি আমাদের রক্তের বাফার উপাদানের অংশ হিসেবে অম্ল- ক্ষারের সাম্যাবস্থা বজায় রাখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।