উদ্দীপকের “গ” হলো গিনিপিগ যা Mammalia শ্রেণির Chordata পর্বের একটি প্রাণী এবং “ক” হলো কেঁচো যা Annelida পর্বের Nonchordata-র অন্তর্গত একটি প্রাণী। এদের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় "গ" প্রাণীটি “ক” প্রাণী হতে উন্নত ।
নিম্নে বৈশিষ্ট্যগুলো দেওয়া হলো- “গ” অর্থাৎ গিনিপিগ এর বৈশিষ্ট্য—
১. দেহত্বক বিভিন্ন গ্রন্থিযুক্ত (ঘর্মগ্রন্থি, সেবাসিয়াস ইত্যাদি) এবং লোম-এ আবৃত।
২. পরিণত স্ত্রী প্রাণীর কার্যকরী স্তনগ্রন্থি থেকে ক্ষরিত মাতৃদুগ্ধে নবজাতক লালিত হয়।
৩. বহিঃকর্ণে পিনা ও মধ্যকর্ণে তিনটি ক্ষুদ্রাস্থি থাকে। চোয়াল বিভিন্ন ধরনের দাঁতযুক্ত।
৪. মাংসল ডায়াফ্রাম বা মধ্যচ্ছদা দিয়ে বক্ষ ও উদর গহ্বর পৃথক থাকে।
৫. এদের হূৎপিণ্ড মসৃণ চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট এবং এরা সমোষ্ণ শোনিত।
৬. পরিণত লোহিত রক্তকণিকা নিউক্লিয়াসবিহীন। "ক" অর্থাৎ কেঁচোর বৈশিষ্ট্য :
১. দেহ লম্বা, নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, এপিথেলিয়াম নিঃসৃত পাতলা কিউটিকল এ আবৃত। ২. প্রকৃত সিলোমযুক্ত।
৩. প্রকৃত খন্ডকায়ন উপস্থিত, আংটির মতো অনেকগুলো একই রকম খণ্ডক নিয়ে দেহ গঠিত। এদের চলন অঙ্গ কাইটিনময় সিটা বা প্যারাপোডিয়া।
৪. দেহের প্রায় প্রতিটি খণ্ডকে অবস্থিত নেফ্রিডিয়া নামক প্যাঁচানো নালিকা প্রধান রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
৫. রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির, রক্তের বর্ণ লাল । ৬. পৌষ্টিকনালি নলাকার ও সম্পূর্ণ, মুখ ও পায়ুছিদ্র সমন্বিত । উপরিউল্লিখিত বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে দেখা যায় গ প্রাণীটি ক প্রাণী হতে উন্নত।