উদ্দীপকে উল্লেখিত “A” দ্বারা শর্করা জাতীয় খাদ্যকে বুঝানো হয়েছে। ক্ষুদ্রান্ত্রে শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক প্রক্রিয়া নিচে বর্ণনা করা হলো-
শর্করা জাতীয় খাদ্য পাকস্থলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রে এলে তা অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রসের ক্রিয়ায় পরিপাক হতে থাকে। অগ্ন্যাশয় রসের পরিপাক, অগ্ন্যাশয়িক অ্যামাইলেজ এবং মল্টেজ নামক এনজাইমের সহায়তায় সংঘটিত হয়। অগ্ন্যাশয়িক অ্যামাইলেজ এনজাইম; গ্লাইকোজেন ও ডেক্সট্রিনকে আর্দ্রবিশ্লেষ করে মল্টোজ ও মলটোট্রায়োজ ও লিমিট ডেক্সট্রিন অণুতে পরিণত করে। উৎপন্ন মল্টোজ মল্টেজ এনজাইমের সাহায্যে গ্লুকোজে পরিণত হয়। আবার আন্ত্রিক রসে শর্করা পরিপাককারী এনজাইম যথা: আন্ত্রিক অ্যামাইলেজ, আইসোমল্টেজ, মল্টেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ ইত্যাদি থাকে। স্টার্চ, ডেক্সট্রিন, আইসোমল্টোজ, মল্টোজ, সুক্রোজ, গ্যালাক্টোজ ভেঙে মল্টোজ, মলটোট্রায়োজ, যেমন- টায়ালিন, মল্টেজ, পেপসিন রেনিন, ট্রিপসিস ইত্যাদি এনজাইম গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও গ্যালাক্টোজ অণুতে পরিণত করে। এভাবে সাধারণত সেলুলোজ ছাড়া অন্যান্য শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক ক্ষুদ্রান্ত্রেই হয়ে থাকে।