এখানে পাত্রের ফলটি হলো পেয়ারা। একে কৌটাজাতকরণের মাধ্যমে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। নিম্নে এর কৌটাজাতকরণ পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো:
i. প্রথমে পেয়ারাকে বোঁটা মুক্ত করে পানি দ্বারা ধোয়া হয়। এরপর 2% (w/v) Na2CO3 দ্রবণে শোধন করা হয়। ফলে উপরের জমে থাকা ফাঙ্গাস ও অন্যান্য অণুজীব মরে যায়।
ii. এরপর টুকরা করে 0.25% সাইট্রিক এসিড দ্রবণে 4-5 min. ডুবিয়ে রাখা হয়। তারপর দ্রবণ থেকে তুলে এনে স্টীম বাথে পুনরায় 5-7 min সিদ্ধ করা হয়। এটাই ব্লাঞ্চিং ধাপ।
iii. পরবর্তীতে টুকরাগুলোকে ক্যানে ভর্তি করে 0.06% সাইট্রিক এসিড, 0.125% এসকরবিক এসিড, পরিমাণমত চিনির ঘন সিরাপসহ কৌটায় ভর্তি করা হয়।
iv. এবার এন্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট হিসাবে 1.25 10-3% X সোডিয়াম বেনজয়েট যোগ করে এগজসটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার সময়কাল 5-7 min ও তাপমাত্রা প্রায় 100°C
V. অতঃপর একে সিলিং এবং স্টেরিলাইজিং করে ঠান্ডা করা হয়। এরপর লেবেল লাগিয়ে উৎপাদনের তারিখ উল্লেখ করে সংরক্ষণ করা হয়।
মূলত পর্যায়ক্রমিক ধাপ এবং ব্যবহৃত এজেন্টগুলো নিয়মমাফিক সংযোজন করে প্রদত্ত ফল বা মৌসুমী ফল পেয়ারাকে সারা বছরের জন্য ক্যানিং করে রাখা যাবে।