১ম পদ্ধতিতে ফরমালির বা কৃত্রিম প্রিজারভেটিভস ব্যাবহার করে খাদ্য সংরক্ষন করা হয়েছে। ২য় ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক খাদ্য প্রিজারভেটিভস ব্যবহার করে খাদ্য সংরক্ষন করার কথা বলা হয়েছে।
২য় পদ্ধতিটি অধিক নিরাপদ পদ্ধতএইপদ্ধতিতে খাদ্যদ্রব্যকে বায়ুরোধী অবস্থায় বা আগুনে শোধিত করে সাধারণত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ যোগ করে কৌটার মধ্যে রেখে সংরক্ষণ করা হয়, যেন এর খাদ্যমান ও স্বাদ অক্ষুণ্ন থাকে। এই খাদ্যদ্রব্যকে বহুদিন পর্যন্ত ভালো রাখা যায়। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অক্সিজেন দূর করে খাদ্যকে জারণের হাত থেকে রক্ষা করা হয়।অপরদিকে ফর্মালিন হল ফর্মালডিহাইডের এক ধরনের পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। এটি পানিতে সহজেই মিশে যায়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়।এই রাসায়নিক পদার্থটি সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, রং, কনস্ট্রাকশন, পেপার তৈরী ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য মারাতœক ক্ষতিকর। এটি লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে পরিবর্তিত হয়। এই দুই পদার্থই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
ফরমালিনে অবস্থিত ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনাকে আক্রান্ত করে এবং রেটিনার কোষ ধ্বংস করে। এর ফলে মানুষকে অন্ধত্ব বরন করতে হতে পারে।ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কারবাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে পেটের ব্যথা, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হতে পারে উদ্দীপকের ২য় পদ্ধতিটি অধিক নিরাপদ।