উদ্দীপকে প্রদর্শিত S হলো RNA.
রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (সংক্ষিপ্তকরণে আরএনএ বা RNA) হল একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা সরাসরি প্রোটিন সংশ্লেষণের সাথে জড়িত এবং পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শ্যুগার, নাইট্রোজেন বেস (A TGC) এবং ফসফেট নিয়ে RNA গঠিত ।
গঠন ও কাজের ভিত্তিতে RNA-কে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
(i) বার্তাবহ RNA (Messenger RNA /mRNA): এর প্রধান কাজ হলো বার্তা বহন করা । mRNA প্রোটিন তৈরির জন্য আমাদের ডিএনএ, জেনেটিক উপাদান থেকে নির্দেশনা বহন করে। এটি একটি বার্তাবাহকের মতো কাজ করে, নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরির ব্লুপ্রিন্টবা রেসিপি বহন করে যা আমাদের দেহের কাজ করার জন্য প্রয়োজন।
(ii) ট্রান্সফার RNA বা tRNA): যে সব RNA জেনেটিক কোড অনুযায়ী একেকটি অ্যামিনো অ্যাসিডকে mRNA অণুতে স্থানান্তর করে প্রোটিন সংশ্লেষে সাহায্য করে সেগুলোকে ট্রান্সফার RNA বলে। এর কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় জেনেটিক কোড অনুযায়ী অ্যামিনো অ্যাসিডকে mRNA অণুতে স্থানান্তর করা।
(iii) রাইবোসোমাল RNA বা rRNA: যে সব RNA রাইবোসোমের প্রধান গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে, তাকে রাইবোসোমাল RNA বলে ।কোষের রাইবোসোমে এদের অবস্থান।এর কাজ রাইবোসোম সৃষ্টিতে অবদান রাখা যার মাধ্যমে কোষে প্রোটিন সংশ্লেষিত হয়।
(iv) বংশগতীয় RNA (Genetic RNA বা gRNA); এটি ডিএনএ থেকে রাইবোসোমে জেনেটিক তথ্য বহন করে, যা প্রোটিন তৈরির জন্য দায়ী । কোনো কোনো ক্ষেত্রে বংশগতির বস্তু হিসেবেও কাজ করে ।
(v) মাইনর RNA (Minor RNA): এর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের এনজাইমের কাঠামো দান করা এবং এনজাইম হিসেবে কাজ করা।