Chapter 1: কোষ ও এর গঠন Biology 1st Paper

HSC Biology 1st Paper এর Chapter 1: কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৮৯৫

প্রশ্ন

Biology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

A = প্যাচানো, দ্বিসূত্রক নিউক্লিক এসিড B = অ্যামাইনো এসিড বহনকারী একসূত্রক নিউক্লিক এসিড
ক
জিনোম কী?

উত্তর

কোনো প্রজাতির নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজমের একটি সেটকে জিনোম বলা হয়।
খ
রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

রাইবোসোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়। রাইবোজোম কে প্যালাডে দানাও বলা হয়।এটি দেহের সকল কোষেই পাওয়া যায়। এটি মূলত জৈবিক প্রোটিন সংশ্লেষণের অর্থাৎ মেসেঞ্জার আরএনএ বা বার্তাবহ আরএনএ থেকে প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া কাজ করে থাকে। তাই একে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
গ
উদ্দীপক 'B′−B^{\prime}-তে নিৰ্দেশিত নিউক্লিক এসিডের গঠন বর্ণনা করো ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র B হলো RNA. RNA এর পূর্ণরুপ হলো রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড । RNA হলো এক সুত্রক বিশিষ্ট পলিনিউক্লিওটাইডের একটি শিকল। RNA অণু একসূত্রক চেইন-এর মতো। চার ধরনের নিউক্লিওটাইড যুক্ত হয়ে একসূত্রকবিশিষ্ট RNA অণু গঠন করে। প্রতিটি নিউক্লিওটাইড রাইবোজ ভাগার, নাইট্রোজেন বেস ও ফসফেট নিয়ে গঠিত। নিউক্লিওটাইডগুলো ফসফোডাই এস্টার বন্ধন দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে। এটি স্থানে স্থানে কুণ্ডলিত অবস্থায় থাকতে পারে। কোনো কোনো RNA অণুর গঠনে একাধিক U- আকৃতির ফাঁস বা লুপ থাকে ।এতে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ সুগার, অজৈব ফসফেট ও নাইট্রোজেন বেস (এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও ইউরাসিল) থাকে।question image
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত 'A′A^{\prime} নিউক্লিক এসিডের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র A হলো DNA. DNA অর্থাৎ ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। DNA কে বংশগতির ধারক ও বাহক বলা হয় । এছাড়াও অনেক গুরুত্বপূর্ন কাজ DNA করে থাকে যেমন- ১। DNA ক্রোমোসোমের গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। ২। এটি বংশগতির আণবিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৩। জীবের সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে। ৪। জীবের বৈশিষ্ট্যসমূহ বংশপরম্পরায় স্থানান্তর করে। ৫। জীবের যাবতীয় বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটায়। ৬। জীবের সকল শারীরতাত্ত্বিক ও জৈবিক কাজকর্মের নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। ৭। জীবের পরিবৃত্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৮। জীবকোষের জৈবিক সংকেত প্রেরক হলো DNA। ৯। DNA-রেপ্লিকেশন বা প্রতিলিপন প্রক্রিয়া জীবের জাতিসত্ত্বা অটুট রাখে এবং প্রজাতি শনাক্তকরণে DNA ভূমিকা রাখে । সুতরাং বলা যায়, জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় DNA এর ভূমিকা অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

A = প্যাচানো, দ্বিসূত্রক নিউক্লিক এসিড B = অ্যামাইনো এসিড বহনকারী একসূত্রক নিউক্লিক এসিড
ক
জিনোম কী?

উত্তর

কোনো প্রজাতির নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজমের একটি সেটকে জিনোম বলা হয়।
খ
রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

রাইবোসোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়। রাইবোজোম কে প্যালাডে দানাও বলা হয়।এটি দেহের সকল কোষেই পাওয়া যায়। এটি মূলত জৈবিক প্রোটিন সংশ্লেষণের অর্থাৎ মেসেঞ্জার আরএনএ বা বার্তাবহ আরএনএ থেকে প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া কাজ করে থাকে। তাই একে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
গ
উদ্দীপক 'B′−B^{\prime}-তে নিৰ্দেশিত নিউক্লিক এসিডের গঠন বর্ণনা করো ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র B হলো RNA. RNA এর পূর্ণরুপ হলো রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড । RNA হলো এক সুত্রক বিশিষ্ট পলিনিউক্লিওটাইডের একটি শিকল। RNA অণু একসূত্রক চেইন-এর মতো। চার ধরনের নিউক্লিওটাইড যুক্ত হয়ে একসূত্রকবিশিষ্ট RNA অণু গঠন করে। প্রতিটি নিউক্লিওটাইড রাইবোজ ভাগার, নাইট্রোজেন বেস ও ফসফেট নিয়ে গঠিত। নিউক্লিওটাইডগুলো ফসফোডাই এস্টার বন্ধন দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে। এটি স্থানে স্থানে কুণ্ডলিত অবস্থায় থাকতে পারে। কোনো কোনো RNA অণুর গঠনে একাধিক U- আকৃতির ফাঁস বা লুপ থাকে ।এতে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ সুগার, অজৈব ফসফেট ও নাইট্রোজেন বেস (এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও ইউরাসিল) থাকে।question image
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত 'A′A^{\prime} নিউক্লিক এসিডের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র A হলো DNA. DNA অর্থাৎ ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। DNA কে বংশগতির ধারক ও বাহক বলা হয় । এছাড়াও অনেক গুরুত্বপূর্ন কাজ DNA করে থাকে যেমন- ১। DNA ক্রোমোসোমের গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। ২। এটি বংশগতির আণবিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৩। জীবের সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে। ৪। জীবের বৈশিষ্ট্যসমূহ বংশপরম্পরায় স্থানান্তর করে। ৫। জীবের যাবতীয় বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটায়। ৬। জীবের সকল শারীরতাত্ত্বিক ও জৈবিক কাজকর্মের নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। ৭। জীবের পরিবৃত্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৮। জীবকোষের জৈবিক সংকেত প্রেরক হলো DNA। ৯। DNA-রেপ্লিকেশন বা প্রতিলিপন প্রক্রিয়া জীবের জাতিসত্ত্বা অটুট রাখে এবং প্রজাতি শনাক্তকরণে DNA ভূমিকা রাখে । সুতরাং বলা যায়, জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় DNA এর ভূমিকা অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্ভিদ কোষের মধ্যে বিদ্যমান বিশেষ দুই প্রকার অঙ্গাণুর একটি শ্বসনিক কাজে এবং অন্যটি খাদ্য তৈরিতে অংশগ্রহণ করে।

Sylhet · 2017

ক
একক পর্দা কী?

উত্তর

প্লাজমামেমব্রেনসহ সকল কোষীয় অঙ্গাণুর আবরণী পর্দাই হলো একক পর্দা।
খ
জেনেটিক কোড বলতে কী বোঝ?

উত্তর

নাইট্রোজেনের যে গ্রুপ কোনো অ্যামাইনো অ্যাসিডের সংকেত গঠন করে তাদের বলা হয় জেনেটিক কোড। DNA অণুতে পাশাপাশি অবস্থিত তিনটি নাইট্রোজেন বেস মিলিতভাবে একটি সক্রিয় জেনেটিক কোড হিসেবে কাজ করে। প্রোটিন সংশ্লেষণে AUG সূচনা কোড হিসেবে এবং UAA, UAG অথবা UGA-এর যেকোনো একটি সমাপ্তি কোড হিসেবে কাজ করে।
গ
উদ্দীপকের প্রথম অঙ্গাণুটির গঠন বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়া, যা শ্বসনিক বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। নিম্নে মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন বর্ণনা করা হলো- মাইটোকন্ড্রিয়া একটি দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী বা মেমব্রেন দিয়ে আবৃত থাকে। মেমব্রেনটি লিপোপ্রোটিন বাইলেয়ার প্রকৃতির। বাইরের স্তরটি মসৃণ কিন্তু ভেতরের স্তরটি কেন্দ্রের দিকে অনেক ভাঁজবিশিষ্ট। ভেতরের মেমব্রেনের এ ভাঁজগুলোকে বলা হয় ক্রিস্টি। দুই মেমব্রেনের মাঝখানের ফাঁকা স্থানকে বলা হয় বহিঃস্থ কক্ষ এবং ভেতরের মেমব্রেন দিয়ে আবদ্ধ অঞ্চলকে বলা হয় অভ্যন্তরীণ কক্ষ। উভয় কক্ষে অবস্থান করে তরল বা ম্যাট্রিক্স। ক্রিস্টিতে স্থানে স্থানে ATP সিনথেসিস নামক গোলাকার বস্তু আছে। এতে ATP সংশ্লেষিত হয়। এছাড়া সমস্ত ক্রিস্টিব্যাপী অনেক ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম অবস্থিত। আগে এদেরকে এক সাথে অক্সিজোম হিসেবে অভিহিত করা হতো। মাইটোকন্ড্রিয়নের নিজস্ব বৃত্তাকার DNA, RNA এবং রাইবোজোম রয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকের দ্বিতীয় অঙ্গাণুটি কীভাবে জীবজগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ২য় অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। এটি জীবজগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- জীবের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম হলো খাদ্য। আর সবুজ উদ্ভিদই কেবলমাত্র সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। আর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রকৃতির সকল জীব খাদ্যের জন্য সবুজ উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি না করলে সকল জীবই খাদ্যাভাবে মারা যেত। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সক্রিয় রাখতে ক্লোরোপ্লাস্টে অবস্থিত ক্লোরোফিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ক্লোরোফিল তথা ক্লোরোপ্লাস্টের অনুপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ অসম্ভব। আর সালোকসংশ্লেষণ না ঘটলে খাদ্য তৈরি সম্ভব নয়। অন্যদিকে, জীবের অস্তিত্ব অনেকাংশেই নির্ভর করে পরিবেশের ভারসাম্যের ওপর। যদি কোনো কারণে পরিবেশে CO₂ এর পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ০₂ এর পরিমাণ কমে যায় তবে পরিবেশ তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। সালোকসংশ্লেষণের সময় সবুজ উদ্ভিদ CO₂ গ্রহণ ও O₂ ত্যাগ করে। ফলে পরিবেশে CO₂ ও O₂ এর সাম্যাবস্থা বজায় থাকে। পরিবেশের এমন সাম্যাবস্থা বজায় রাখতে ক্লোরোপ্লাস্টই মুখ্য ভূমিকা পালন করে। তাই বলা যায়, জীবজগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ক্লোরোপ্লাস্টের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্ভিদ কোষের মধ্যে বিদ্যমান বিশেষ দুই প্রকার অঙ্গাণুর একটি শ্বসনিক কাজে এবং অন্যটি খাদ্য তৈরিতে অংশগ্রহণ করে।

Sylhet · 2017

ক
একক পর্দা কী?

উত্তর

প্লাজমামেমব্রেনসহ সকল কোষীয় অঙ্গাণুর আবরণী পর্দাই হলো একক পর্দা।
খ
জেনেটিক কোড বলতে কী বোঝ?

উত্তর

নাইট্রোজেনের যে গ্রুপ কোনো অ্যামাইনো অ্যাসিডের সংকেত গঠন করে তাদের বলা হয় জেনেটিক কোড। DNA অণুতে পাশাপাশি অবস্থিত তিনটি নাইট্রোজেন বেস মিলিতভাবে একটি সক্রিয় জেনেটিক কোড হিসেবে কাজ করে। প্রোটিন সংশ্লেষণে AUG সূচনা কোড হিসেবে এবং UAA, UAG অথবা UGA-এর যেকোনো একটি সমাপ্তি কোড হিসেবে কাজ করে।
গ
উদ্দীপকের প্রথম অঙ্গাণুটির গঠন বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়া, যা শ্বসনিক বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। নিম্নে মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন বর্ণনা করা হলো- মাইটোকন্ড্রিয়া একটি দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী বা মেমব্রেন দিয়ে আবৃত থাকে। মেমব্রেনটি লিপোপ্রোটিন বাইলেয়ার প্রকৃতির। বাইরের স্তরটি মসৃণ কিন্তু ভেতরের স্তরটি কেন্দ্রের দিকে অনেক ভাঁজবিশিষ্ট। ভেতরের মেমব্রেনের এ ভাঁজগুলোকে বলা হয় ক্রিস্টি। দুই মেমব্রেনের মাঝখানের ফাঁকা স্থানকে বলা হয় বহিঃস্থ কক্ষ এবং ভেতরের মেমব্রেন দিয়ে আবদ্ধ অঞ্চলকে বলা হয় অভ্যন্তরীণ কক্ষ। উভয় কক্ষে অবস্থান করে তরল বা ম্যাট্রিক্স। ক্রিস্টিতে স্থানে স্থানে ATP সিনথেসিস নামক গোলাকার বস্তু আছে। এতে ATP সংশ্লেষিত হয়। এছাড়া সমস্ত ক্রিস্টিব্যাপী অনেক ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম অবস্থিত। আগে এদেরকে এক সাথে অক্সিজোম হিসেবে অভিহিত করা হতো। মাইটোকন্ড্রিয়নের নিজস্ব বৃত্তাকার DNA, RNA এবং রাইবোজোম রয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকের দ্বিতীয় অঙ্গাণুটি কীভাবে জীবজগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ২য় অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। এটি জীবজগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- জীবের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম হলো খাদ্য। আর সবুজ উদ্ভিদই কেবলমাত্র সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। আর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রকৃতির সকল জীব খাদ্যের জন্য সবুজ উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি না করলে সকল জীবই খাদ্যাভাবে মারা যেত। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সক্রিয় রাখতে ক্লোরোপ্লাস্টে অবস্থিত ক্লোরোফিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ক্লোরোফিল তথা ক্লোরোপ্লাস্টের অনুপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ অসম্ভব। আর সালোকসংশ্লেষণ না ঘটলে খাদ্য তৈরি সম্ভব নয়। অন্যদিকে, জীবের অস্তিত্ব অনেকাংশেই নির্ভর করে পরিবেশের ভারসাম্যের ওপর। যদি কোনো কারণে পরিবেশে CO₂ এর পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ০₂ এর পরিমাণ কমে যায় তবে পরিবেশ তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। সালোকসংশ্লেষণের সময় সবুজ উদ্ভিদ CO₂ গ্রহণ ও O₂ ত্যাগ করে। ফলে পরিবেশে CO₂ ও O₂ এর সাম্যাবস্থা বজায় থাকে। পরিবেশের এমন সাম্যাবস্থা বজায় রাখতে ক্লোরোপ্লাস্টই মুখ্য ভূমিকা পালন করে। তাই বলা যায়, জীবজগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ক্লোরোপ্লাস্টের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্ভিদের এক প্রকার অঙ্গাণু খাদ্য তৈরি করে এবং অন্য প্রকার অঙ্গাণু স্নেহ বিপাকে ভূমিকা রাখে ও শক্তি উৎপন্ন করে থাকে।

Dhaka · 2017

ক
ফ্রুটবডি কী?

উত্তর

Agaricus-এর দেহের যে অংশ মাটির উপরে দেখা যায় তাই ফ্রুটবডি।
খ
জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

উদ্ভিদে থাকা অবস্থায় ফলের অভ্যন্তরে বীজের অঙ্কুরোদগমকে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বলা হয়। লবণাক্ত মাটিতে এবং জোয়ার-ভাটার কারণে বীজের এক স্থানে টিকে থাকা কঠিন হওয়ায় সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার বহু উদ্ভিদে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম ঘটে। এক্ষেত্রে গাছে থাকা অবস্থায় অঙ্কুরোদগম শুরু হয়ে লম্বা ভূণমূল সৃষ্টি হয়। মূল একটু বড় ও ভারী হয়ে মাটিতে পড়ে এবং কাদা মাটিতে আটকে যায়, ফলে জোয়ার-ভাটার টানে তা আর ভেসে যায় না। যেমন- সুন্দরী।
গ
উদ্দীপকের ১ম অঙ্গাণুর চিহ্নিত চিত্র আঁক।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ১ম অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। নিচে ক্লোরোপ্লাস্টের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকের ১ম ও ২য় অঙ্গাণুর তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ১ম অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট যা খাদ্য তৈরি করে এবং ২য় অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়া যা কোষে স্নেহ বিপাকে ভূমিকা রাখে ও শক্তি উৎপন্ন করে। নিচে অঙ্গাণু দুটির তুলনামূলক আলোচনা করা হলো- আবরণী ঝিল্লি, স্ট্রোমা, থাইলাকয়েড, গ্রানাম, স্ট্রোমা ল্যামেলি, ফটোসিনথেটিক ইউনিট, ATP সিনথেসিস এবং DNA এ অংশগুলো নিয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত হয়। অপরদিকে আবরণী ঝিল্লি, প্রকোষ্ঠ, ATP সিনথেসিস ও ETS, DNA ও রাইবোজোম এবং অন্যান্য উপাদান নিয়ে মাইটোকন্ড্রিয়া গঠিত। ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়া উভয়ই লিপোপ্রোটিন বাইলেয়ারের দুটি মেমব্রেন নিয়ে গঠিত। উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদকোষে ক্লোরোপ্লাস্টের আকৃতি সাধারণত লেন্সের মতো, তবে নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদকোষে এরা পেয়ালাকার, সর্পিলাকার, জালিকাকার, তারকাকার, গোলাকার ইত্যাদি আকৃতিরও হতে পারে। অপরদিকে, মাইটোকন্ড্রিয়া সাধারণত বৃত্তাকার, দণ্ডাকার, তন্তুকার, তারকাকার ও কুণ্ডলী আকার হতে পারে। সাধারণত গড়ে প্রতিটি উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদকোষে ১০-৪০টি ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে। অপরদিকে, গড়ে প্রতি কোষে ৩০০-৪০০টি মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। রাসায়নিকভাবে কার্বোহাইড্রেট, লিপিড, প্রোটিন, ক্লোরোফিল, ক্যারোটিনয়েড (ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল), DNA, RNA, কিছু সংখ্যক এনজাইম ও কো-এনজাইম নিয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত। অপরদিকে, মাইটোকন্ড্রিয়ায় শুষ্ক ওজনের ৬৫% প্রোটিন, ২৯% গ্লিসারাইড, ৪% লেসিথিন ও সেফালিন এবং ২% কোলেস্টেরল, লিপিডের মধ্যে ৯০% ফসফোলিপিড, বাকি ১০% ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন E এবং কিছু অজৈব পদার্থ বিদ্যমান। ক্লোরোপ্লাস্ট খাদ্য সংশ্লেষে সাহায্য করে বলে একে কোষের রান্নাঘর বা শর্করা জাতীয় খাদ্যের কারখানা বলা হয়। অপরদিকে, কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তিঘর বলা হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্ভিদের এক প্রকার অঙ্গাণু খাদ্য তৈরি করে এবং অন্য প্রকার অঙ্গাণু স্নেহ বিপাকে ভূমিকা রাখে ও শক্তি উৎপন্ন করে থাকে।

Dhaka · 2017

ক
ফ্রুটবডি কী?

উত্তর

Agaricus-এর দেহের যে অংশ মাটির উপরে দেখা যায় তাই ফ্রুটবডি।
খ
জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

উদ্ভিদে থাকা অবস্থায় ফলের অভ্যন্তরে বীজের অঙ্কুরোদগমকে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বলা হয়। লবণাক্ত মাটিতে এবং জোয়ার-ভাটার কারণে বীজের এক স্থানে টিকে থাকা কঠিন হওয়ায় সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার বহু উদ্ভিদে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম ঘটে। এক্ষেত্রে গাছে থাকা অবস্থায় অঙ্কুরোদগম শুরু হয়ে লম্বা ভূণমূল সৃষ্টি হয়। মূল একটু বড় ও ভারী হয়ে মাটিতে পড়ে এবং কাদা মাটিতে আটকে যায়, ফলে জোয়ার-ভাটার টানে তা আর ভেসে যায় না। যেমন- সুন্দরী।
গ
উদ্দীপকের ১ম অঙ্গাণুর চিহ্নিত চিত্র আঁক।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ১ম অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। নিচে ক্লোরোপ্লাস্টের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকের ১ম ও ২য় অঙ্গাণুর তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ১ম অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট যা খাদ্য তৈরি করে এবং ২য় অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়া যা কোষে স্নেহ বিপাকে ভূমিকা রাখে ও শক্তি উৎপন্ন করে। নিচে অঙ্গাণু দুটির তুলনামূলক আলোচনা করা হলো- আবরণী ঝিল্লি, স্ট্রোমা, থাইলাকয়েড, গ্রানাম, স্ট্রোমা ল্যামেলি, ফটোসিনথেটিক ইউনিট, ATP সিনথেসিস এবং DNA এ অংশগুলো নিয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত হয়। অপরদিকে আবরণী ঝিল্লি, প্রকোষ্ঠ, ATP সিনথেসিস ও ETS, DNA ও রাইবোজোম এবং অন্যান্য উপাদান নিয়ে মাইটোকন্ড্রিয়া গঠিত। ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়া উভয়ই লিপোপ্রোটিন বাইলেয়ারের দুটি মেমব্রেন নিয়ে গঠিত। উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদকোষে ক্লোরোপ্লাস্টের আকৃতি সাধারণত লেন্সের মতো, তবে নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদকোষে এরা পেয়ালাকার, সর্পিলাকার, জালিকাকার, তারকাকার, গোলাকার ইত্যাদি আকৃতিরও হতে পারে। অপরদিকে, মাইটোকন্ড্রিয়া সাধারণত বৃত্তাকার, দণ্ডাকার, তন্তুকার, তারকাকার ও কুণ্ডলী আকার হতে পারে। সাধারণত গড়ে প্রতিটি উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদকোষে ১০-৪০টি ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে। অপরদিকে, গড়ে প্রতি কোষে ৩০০-৪০০টি মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। রাসায়নিকভাবে কার্বোহাইড্রেট, লিপিড, প্রোটিন, ক্লোরোফিল, ক্যারোটিনয়েড (ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল), DNA, RNA, কিছু সংখ্যক এনজাইম ও কো-এনজাইম নিয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত। অপরদিকে, মাইটোকন্ড্রিয়ায় শুষ্ক ওজনের ৬৫% প্রোটিন, ২৯% গ্লিসারাইড, ৪% লেসিথিন ও সেফালিন এবং ২% কোলেস্টেরল, লিপিডের মধ্যে ৯০% ফসফোলিপিড, বাকি ১০% ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন E এবং কিছু অজৈব পদার্থ বিদ্যমান। ক্লোরোপ্লাস্ট খাদ্য সংশ্লেষে সাহায্য করে বলে একে কোষের রান্নাঘর বা শর্করা জাতীয় খাদ্যের কারখানা বলা হয়। অপরদিকে, কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তিঘর বলা হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো