উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম মলিকুলার বস্তুটি হলো DNA ।এটি জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে ।
DNA হলো Deoxyribonucleic acid এর সংক্ষিপ্ত রূপ । DNA জীবনের আণবিক ভিত্তি (molecul more of life) হিসেবে স্বীকৃত। DNA বংশগতির সব ধরনের জৈবিক সংকেত বহন করার ক্ষমতা রাখে।প্রকৃত কোষের ক্রোমোসোমের মূল উপাদান হলো DNA. একে "বংশগতির বাহক" বলা হয় কারণ এতে পিতামাতার কাছ থেকে তাদের সন্তানদের কাছে পাঠানো জেনেটিক তথ্য রয়েছে।যখন একটি শিশুর জন্ম হয়, তারা তাদের পিতামাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে ডিএনএ পায়। এটা মা এবং বাবা উভয়ের কাছ থেকে জিনের মিশ্রণ পাওয়ার মতো। এই জিনগুলি আমাদের চোখের রঙ, আমাদের নাকের আকৃতি এবং এমনকি আমাদের উচ্চতা বা আমরা কীভাবে নির্দিষ্ট খাবার প্রক্রিয়াজাত করার মতো জিনিসগুলি সম্পর্কে তথ্য বহন করে।
DNA হলো একটি দীর্ঘ, ডাবল-স্ট্র্যান্ডেড অণু যা চারটি ভিন্ন ধরনের নাইট্রোজেনাস : অ্যাডেনিন (A ), থাইমিন (T ), গুয়ানিন (G), এবং সাইটোসিন (C )বেস দ্বারা গঠিত । এগুলো একটি নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে সাজানো ঠাকে যা একটি জেনেটিক কোড তৈরি করে। এই কোডে চোখের রঙ, চুলের রঙ এবং উচ্চতার মতো বৈশিষ্ট্য সহ একটি জীবের বিকাশ এবং কার্যকারিতার জন্য সমস্ত নির্দেশাবলী রয়েছে।প্রজননের সময়, পিতামাতার ডিএনএ থেকে জেনেটিক তথ্য ডিএনএ প্রতিলিপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সন্তানদের কাছে প্রেরণ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ডিএনএ কোডের অনুলিপি করা জড়িত, যাতে সন্তানের প্রতিটি নতুন কোষে পিতামাতার জেনেটিক তথ্যের একটি সঠিক অনুলিপি থাকে। মিয়োসিসের সময়, যে প্রক্রিয়াটি শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু তৈরি করে, জিনগত উপাদানগুলিকে পুনরায় একত্রিত করা হয় যাতে প্রতিটি সন্তান তাদের পিতামাতার কাছ থেকে জিনের একটি অনন্য সংমিশ্রণ পায়, বংশের মধ্যে তারতম্য তৈরি করে।
সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা সংক্ষেপে থেকে বলা যায়, ডিএনএ জেনেটিক তথ্য বহন করে যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রেরণ করা হয় । । এটি আমাদের শরীরকে কীভাবে বিকাশ এবং কাজ করতে হয় তা বলে দিয়ে আমাদের বৈশিষ্ট্যগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে। আর তাই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণে ডিএনএ এর ভূমিকা অপরিসীম ।