উদ্দীপকে DNA এর কথা বলা হয়েছে যা দ্বি সুত্রক অবস্থায় থাকে।নিচে DNA এর গঠন দেয়া হল:
১) DNA অণু দ্বিসূত্রক, বিন্যাস ডান থেকে বাম দিকে ঘুরানো (প্যাচানো) সিঁড়ির মতো, যাকে বলা হয় ডাবল
(২) সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি 5 - 3' কার্বনমুখী এবং অপরটি 3 -- 5' কার্বনমুখী) হয়ে অবস্থান করে।
(৩) সূত্র দুটি তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ ভাগার (S) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে।
(৫) ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ জগারের 3' ও কার্বনের (৩য় ও ৫ম কার্বনের) সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ ভাগারের। কার্বনের (১ম কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভেতরের দিকে নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে।
(৬) DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থাইমিন এবং সাইটোসিন) থাকে। অ্যাডিনিন (A) এর সম্পূরক ক্ষারক থাইমিন (T) এবং গুয়ানিন (G) এর সম্পূরক ক্ষারক সাইটোসিন (C)।
(৭) DNA অণুর সূত্র দুটির প্রতিটি প্যাচ বা ঘূর্ণনের দৈর্ঘ্য 34 A 3.4 mm)।
(৮) প্রতিটি প্যাচে নাইট্রোজিনাস বেস জোড়ের ১০টি ধাপ সমদূরত্বে অবস্থান করে। ফলে সিঁড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপের দূরত্ব হয় 3.4 A (0.34 nm)।
(৯) প্রতিটি প্যাঁচে হেলিক্স দুটির ব্যাস 20.A2nm)। তবে DNA অণুর দৈর্ঘ্য প্রজাতিভেদে বিভিন্ন । (১০) হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাচ বা ঘূর্ণনে শৃঙ্খলের বাইরের দিকে একটি গভীর খাঁজ (major groove) ও একটি অগভীর খাঁজ (minor groove) সৃষ্টি হয়।
(১১) প্রতিটি ঘূর্ণনে মনোনিউক্লিওটাইডের সংখ্যা 10 জোড়া।
(১২) প্রতিটি প্যাছে হাইড্রোজেন বন্ড সংখ্যা 25 টি।
(১৩) DNA-এর আণবিক ওজন 106-109এর মধ্যে।