উদ্দীপকে প্রক্রিয়া-২ এ RNA থেকে অ্যামাইনো এসিডের পলিমার তৈরির প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে যা ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
RNA থেকে প্রোটিন তৈরি করা হলো ট্রান্সলেশন।RNA-এর সহায়তায় জিন-DNA থেকে এনকোডেড সিকোয়েন্স অনুযায়ী একটির পর একটি অ্যামিনো অ্যাসিড শৃঙ্খলিত করে পলিপেন্টাইড তৈরি করার প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সলেশন।
ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া কোষের সাইটোপ্লাজমে সংঘটিত হয়। এ প্রক্রিয়াকে তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত করে আলোচনা করা হয়ে থাকে। যথা-
১। ট্রান্সলেশনের সূচনা:
ইনিশিয়েটর (IRNA, মেথিওনিন অ্যামিনো অ্যাসিড সংযুক্ত করে রাইবোসোমের ছোট খণ্ডের সাথে একটি যৌগ গঠন করে।এ যৌগ mRNA এর ৫' প্রান্তের ক্যাপ অংশের সাথে আবদ্ধ হলে রাইবোসোম mRNA ধরে ৩' প্রান্তের দিকে চলতে থাকে যতক্ষণ না স্টার্ট কোডন AUG পেয়ে যায়।
২। পলিপেপটাইড চেইন-এর বৃদ্ধিকরণ:
বর্ধিতকরণ হলো প্রথমে আনা মেথিওনিন অ্যামিনো অ্যাসিডের সাথে কোডের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর একটি অ্যামিনো অ্যাসিড এনে যুক্ত করা। সঠিক ইনিশিয়েটর IRNA-ই পরবর্তী কোডনগুলো সঠিকভাবে শনাক্তের পথ সৃষ্টি করে থাকে। বর্ধিতকরণে রাইবোসোমের A. P এবং E সাইট কার্যকরী হয়। এবং
৩। সমাপ্তিকরণ (termination):
রাইবোসোমের সাইট-এতে কোনো স্টপ কোডন (UAA, UAG বা UGA) পৌছালে ট্রান্সলেশনের সমাপ্তি ঘটে। স্টপ কোডন রাইবোসোমের সাইট- A তে যুক্ত হলে অ্যামিনো অ্যাসাইল-IRNA-এর পরিবর্তে একটি প্রোটিন বিলিজ ফ্যাক্টর (Protein release factor) সাইট-A তে সংযুক্ত হয়। এর ফলে পলিপেন্টাইড চেইন সাইট-P থেকে মুক্ত হয়ে যায় এবং একই সাথে রাইবোসোমের দুটি অংশও পৃথক হয়ে যায়। খালি (RNA এবং রিলিজ ফ্যাক্টরও পৃথক হয়ে যায়।