উদ্দীপকের চিত্র B তে দেখানো X অঙ্গানু টি হলো রাইবোজোম যাকে প্রোটিন তৈরির কারখানাও বলা হয়ে থকে।
রাইবোসোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ (তৈরি) করা। তাই রাইবোসোমকে কোষের প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়। প্রোটিন সংশ্লেষণের শুরুতে mRNA আদিকোষের 30S এবং প্রকৃতকোষের 40 S সাব-ইউনিটের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। এরপর আদি কোষে 30S এর সাথে 50S মিলে 70 S একক গঠন করে এবং প্রকৃত কোষে 40 S এর সাথে 60 S সাব-ইউনিট এসে একত্রিত হয়ে 80S একক গঠন করে এবং প্রোটিন সংশ্লেষণ শুরু হয়। এরা সাইটোক্রোম উৎপন্ন করে যারা কোষীয় শ্বসনে ইলেকট্রন পরিবহণ করে। গুকোজের ফসফোরাইলেশন এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থের বিপাক রাইবোসোমে সংঘটিত হয়। mRNA কে নিউক্লিয়েজ এনজাইম ও নতুন পলিপেপটাইড চেইনকে প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের যেকোনো ক্ষতিকর ক্রিয়া থেকে সুরক্ষা করে।এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি লাইসোসোম, প্লাজমামেমব্রেন বা কোষের বাইরে ব্যবহার্য প্রোটিন যুক্ত-রাইবোসোমে উৎপত্তা হইলামুক্ত পাংিবা কেতিম তৈরি হয়া সাইটোপ্লাজম, মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টে ব্যবহার্য প্রোটিন।