উদ্দীপকের A থেকে B তৈরির প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়া:
ট্রান্সক্রিপশন হলো DNA নির্দেশিত RNA সংশ্লেষণ। একটু বাড়িয়ে বলনে বলা যায়, "RNA পলিমারেজ এনজাইম এর DNA বেস সিকোয়েন্স কপি করে mRNA সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সক্রিপশন।" সহজ কথায় DNA থেকে mRNA তেরি প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সক্রিপশন। ট্রান্সক্রিপশনের মাধ্যমে DNA কোড, RNA কোড হিসেবে রাসায়নিকভাবে পুনঃলিখিত DNA হলো ডাবল স্ট্র্যান্ড কিন্তু RNA হলো একক স্ট্র্যান্ডবিশিষ্ট। তাই ট্রান্সক্রিপশন হবে ডাবল স্ট্যান্ডের পরিবর্তে একক স্ট্যান্ডে। যে স্ট্র্যান্ডকে ছাঁচ (template) হিসেবে ব্যবহার করে ট্রান্সক্রাইব করা হবে সেই স্ট্র্যান্ডকে বলা হয় template srand, entisense strand বা non-coding strand। অপর স্ট্র্যান্ডটিকে (যে স্ট্র্যান্ড থেকে ট্রান্সক্রাইব হবে না) বলা হয় হাশিমেন্টারি স্ট্যান্ড, sense strand বা coding strand, কারণ DNA অণুর এই স্ট্র্যান্ডের বেস সিকোয়েন্স আর নতুনভাবে সই RNA অণুর বেস সিকোয়েন্স হবে হুবহু একই রকম, কেবল এর স্থলে । হবে। ট্রান্সক্রিপশনের মাধ্যমে জিন-এর যে অংশটুকু mRNA অণুতে রূপান্তরিত হবে। ঐ অংশটুকুই হলো ট্রান্সক্রিপশন ইউনিট।
(i) DNA ছাঁচ (template)
(ii) RNA-পলিমারেজ এনজাইম যা তিন প্রকার হতে পারে।
(iii) যুক্ত রাইবোনিউক্লিয়োটাইড ট্রাইফসফেট (ATP, GTP, CTP এবং UTP).
(iv) রাসায়নিক শক্তি, ট্রাইফসফেট ভেঙ্গে নিউক্লিয়োটাইড এবং পাইরোফসফেট সৃষ্টিকালে মুক্ত হয়। পাইরোফসফেট
ভেঙ্গে দুই আয়ন ফসফেট তৈরি কালেও কিছু অতিরিক্ত শক্তি পাওয়া যায়।
(v) কিছু সহযোগী প্রোটিন।
ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়া :
● \end{if}]-->DNA অণুতে গ্রথিত রাসায়নিক তথ্যগুলোকে RNA (mRNA) অণুতে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ট্রান্সক্রিপশন।
● \end{if}]-->এক্ষেত্রে ATP, GTP, CTP ও UTP উপকরণগুলো ব্যবহৃত হয়।
● \end{if}]-->এ প্রক্রিয়াটি কোষের নিউক্লিয়াসের মধ্যে সংঘটিত হয়ে থাকে।
● \end{if}]-->ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াটি রাইবোসোমের সাথে সম্পর্কিত নয়।
● \end{if}]--> এ প্রক্রিয়ায় RNA পলিমারেজ এনজাইম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রোমোটারে সংযুক্ত হওয়ার পর RNA পলিমারেজ প্রথমে DNA এর পাক খুলে নেয়।