উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি মায়োসিস বিভাজন প্রক্রিয়া। জীবজগতের জুনক্রম ও অভিব্যক্তিতে মায়োসিস বিভাজনের ভূমিকা রয়েছে।
মায়োসিস আনে বৈচিত্র্য, আর বৈচিত্র্য আনে অভিব্যক্তির ধারা ও প্রবাহ।ক্রসিং ওভারের ফলে এই মায়োসিস বিভাজন প্রক্রিয়ায় দুটি ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময় ঘটে, ফলে জিনগত পরিবর্তন সাধিত হয়। জিনগত পরিবর্তন সাধনের ফলে সৃষ্ট জীবে বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন সাধিত হয়।বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্টিকুলে আসে বৈচিত্র্য, সৃষ্টি হয় নতুন পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতা, আবার কখনো সৃষ্টি হয় নতুন প্রজাতি।ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উন্নত বৈশিষ্ট্যবিশিষ্ট নতুন প্রকরণ সৃষ্টি করা যায়। এভাবেই ফসলি উদ্ভিদের ক্রমাগত উন্নতি সাধন করা হয়।
কোনো জীবের জীবনচক্রে ডিপ্লয়েড (2n) রেণুধর জনু বা অযৌন জনু এবং হ্যাপ্লয়েড (n) লিঙ্গধর জনু বা যৌন জনুর পর্যায়ক্রমিক চক্রাকার আবর্তন কে জনুক্রম বলে।যে সকল জীবের জীবনচক্রে জনুঃক্রম আছে সেখানে মায়োসিস প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে।
সমগ্র উদ্ভিদ জগতে প্রধানত তিন প্রকারের জনুক্রম দেখা যায়। এগুলি হলো: ১) হ্যাপ্লোবায়োন্টিক, ২) ডিপ্লোবায়োন্টিক ও ৩) ট্রাইফেজিক। হ্যাপ্লন্টিক জনুক্রম এর ক্ষেত্রে, মিয়োসিস বিভাজন জাইগোট এ ঘটে। ডিপ্লন্টিক জনুক্রম এর ক্ষেত্রে, মিয়োসিস বিভাজন রেণু মাতৃকোশ এ ঘটে।