উদ্দীপকে চিত্রে দ্বিসূত্রক অংশটি DNA ও একসূত্রক অংশটি হলো RNA। এদের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেয়া হল:
DNA
RNA
দ্বিসূত্রক, প্যাঁচানো বা ঘুরানো সিঁড়ির মতো
একসূত্রক, শিকলের ন্যায়
(i) এতে থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ শু্যগার এবং বি
(ii) DNA-এর পাইরিমিডিনে থাইমিন ও সাইটোসিন বেস থাকে।
(i) এতে থাকে রাইবোজ শ্যগার এবং
(ii) RNA-এর পাইরিমিডিনে ইউরাসিল ও সাইটোসিন বেস থাকে।
DNA-অণুর কোনো প্রকারভেদ নেই। কার্যগত দিক হতে DNA-একই রকম হয়।
কার্যগত দিক হতে RNA পাঁচ প্রকার। যথা- tRNA, rRNA, mRNA, gRNA, মাইনর RNA ।
অনুলিপনের মাধ্যমে নতুন DNA সৃষ্টি হয়।
নতুনভাবে RNA সৃষ্টি হয়। কোনো অনুলিপন হয় না।
প্রধানত ক্রোমোসোমে থাকে। সামান্য পরিমাণ মাইটোকন্ড্রিয়া এবং ক্লোরোপ্লাস্টেও থাকে।
ক্রোমোসোম, সাইটোপ্লাজম, রাইবোসোম ও নিউক্লিয়োলাসে থাকে।
বংশগতির ধারক, বাহক ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করা।
প্রোটিন সংশ্লেষ করা।
DNA বংশগত চরিত্র বহন করে।
ভাইরাল RNA ছাড়া বংশগত চরিত্র বহন করে না।
এতে নিউক্লিয়োটাইডের সংখ্যা অনেক বেশি।
এতে নিউক্লিয়োটাইডের সংখ্যা অনেক কম।
অধিক পরিমাণে অতিবেগুণি রশ্মি শোষণ করে। এদের আণবিক ওজন দশ লক্ষ হতে বহু কোটি ডাল্টন পর্যন্ত হয়।
তুলনামূলকভাবে কম অতিবেগুণি রশ্মি শোষিত হয়। এদের আণবিক ওজন কয়েক লক্ষের বেশি হয় না।