A দ্রবণ হতে 'MN2' এবং B দ্রবণ হতে 'X [গণিত] পৃথকীকরণ পদ্ধতির তুলনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের A দ্রবণ থেকে MN2 পৃথকীকরণের পদ্ধতির নাম হলো কেলাসন বা অধঃক্ষেপণ পদ্ধতি এবং B দ্রবণ হতে X পৃথকীকরণের পদ্ধতির নাম হলো পাতন পদ্ধতি। কেলাসন ও পাতন পদ্ধতির তুলনা নিম্নে দেখানো হলো : কেলাসন পদ্ধতি : i. এ পদ্ধতিতে কঠিন উপাদানকে মিশ্রণ হতে বিশুদ্ধ কেলাস হিসেবে পৃথক করা হয়। ii. জৈব পদার্থের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি অধিক ব্যবহৃত হয়। iii. যৌগটিকে উপযুক্ত দ্রাবকে দ্রবীভূত করে উচ্চ তাপমাত্রায় দ্রবণকে সম্পৃক্ত করে নেয়া হয়। iv. দ্রবণকে পরিস্রাবণ করে অদ্রবণীয় কঠিন ভেজাল উপাদানকে অপসারিত করা হয়। v. পরিস্রুত দ্রবণকে তাপ প্রয়োগে অতি ঘন দ্রবণে পরিণত করা হয়।। vi. দ্রবণকে ধীরে ধীরে শীতল করা হয়। ফলে পাত্রের নিচে ধীরে ধীরে কেলাস উৎপন্ন হতে থাকে। পাতন পদ্ধতি : i. সাধারণত কোনো উদ্বায়ী তরল ও অনুদ্বায়ী কঠিন পদার্থের মিশ্রণকে অথবা দুই বা ততোধিক তরলের মিশ্রণ হতে উদ্বায়ী তরলকে বিশুদ্ধরূপে পৃথক করার জন্য পাতন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। ii. জৈব যৌগের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি সাধারণত বেশি ব্যবহৃত হয়। iii. এ পদ্ধতিকে কোনো তরল মিশ্রণে তাপ প্রয়োগ করে স্বাভাবিক বায়ুচাপে মিশ্রণের উপাদানসমূহকে তাদের স্ফুটনাঙ্কে বাষ্পীভূত করা হয়। পরবর্তীতে ঐ বাষ্পকে ঘনীভবন প্রক্রিয়ায় ভরলে পরিণত করে মিশ্রণ থেকে পৃথক করা হয়। অর্থাৎ পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন। iv. দুটি তরলের স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্য 40° C এর অধিক হলে এ পদ্ধতির সাহায্যে উপাদানকে পৃথক করা যায়। v. বাষ্পে পরিণত করার সময় পদার্থটি বিয়োজিত হতে পারবে না।
HSC Chemistry 1st Paper Chapter 2: গুণগত রসায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Chemistry 1st Paper · Chapter 2: গুণগত রসায়ন · সৃজনশীল
A দ্রবণ হতে 'MN2' এবং B দ্রবণ হতে 'X পৃথকীকরণ পদ্ধতির তুলনা কর।
উদ্দীপক

Chittagong · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর