শেয়ারFacebookWhatsApp

A দ্রবণ হতে 'MN2' এবং B দ্রবণ হতে 'X [গণিত] পৃথকীকরণ পদ্ধতির তুলনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের A দ্রবণ থেকে MN2 পৃথকীকরণের পদ্ধতির নাম হলো কেলাসন বা অধঃক্ষেপণ পদ্ধতি এবং B দ্রবণ হতে X পৃথকীকরণের পদ্ধতির নাম হলো পাতন পদ্ধতি। কেলাসন ও পাতন পদ্ধতির তুলনা নিম্নে দেখানো হলো : কেলাসন পদ্ধতি : i. এ পদ্ধতিতে কঠিন উপাদানকে মিশ্রণ হতে বিশুদ্ধ কেলাস হিসেবে পৃথক করা হয়। ii. জৈব পদার্থের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি অধিক ব্যবহৃত হয়। iii. যৌগটিকে উপযুক্ত দ্রাবকে দ্রবীভূত করে উচ্চ তাপমাত্রায় দ্রবণকে সম্পৃক্ত করে নেয়া হয়। iv. দ্রবণকে পরিস্রাবণ করে অদ্রবণীয় কঠিন ভেজাল উপাদানকে অপসারিত করা হয়। v. পরিস্রুত দ্রবণকে তাপ প্রয়োগে অতি ঘন দ্রবণে পরিণত করা হয়।। vi. দ্রবণকে ধীরে ধীরে শীতল করা হয়। ফলে পাত্রের নিচে ধীরে ধীরে কেলাস উৎপন্ন হতে থাকে। পাতন পদ্ধতি : i. সাধারণত কোনো উদ্বায়ী তরল ও অনুদ্বায়ী কঠিন পদার্থের মিশ্রণকে অথবা দুই বা ততোধিক তরলের মিশ্রণ হতে উদ্বায়ী তরলকে বিশুদ্ধরূপে পৃথক করার জন্য পাতন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। ii. জৈব যৌগের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি সাধারণত বেশি ব্যবহৃত হয়। iii. এ পদ্ধতিকে কোনো তরল মিশ্রণে তাপ প্রয়োগ করে স্বাভাবিক বায়ুচাপে মিশ্রণের উপাদানসমূহকে তাদের স্ফুটনাঙ্কে বাষ্পীভূত করা হয়। পরবর্তীতে ঐ বাষ্পকে ঘনীভবন প্রক্রিয়ায় ভরলে পরিণত করে মিশ্রণ থেকে পৃথক করা হয়। অর্থাৎ পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন। iv. দুটি তরলের স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্য 40° C এর অধিক হলে এ পদ্ধতির সাহায্যে উপাদানকে পৃথক করা যায়। v. বাষ্পে পরিণত করার সময় পদার্থটি বিয়োজিত হতে পারবে না।

HSC Chemistry 1st Paper Chapter 2: গুণগত রসায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Chemistry 1st Paper · Chapter 2: গুণগত রসায়ন · সৃজনশীল

A দ্রবণ হতে 'MN2' এবং B দ্রবণ হতে 'X পৃথকীকরণ পদ্ধতির তুলনা কর।

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2019

উত্তর

পলির বর্জন নীতিটি হলো— একই পরমাণুতে যেকোনো দুটি ইলেকট্রনের জন্য চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যার মান কখনো একই হতে পারে না।

উত্তর

3f অরবিটাল সম্ভব নয়। n = 3 এর জন্য সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যার মান l = 0, 1, 2 হবে। কিন্তু আমরা জানি, সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা 0, 1, 2 এর জন্য s, p ও d অরবিটাল সম্ভব। তাই 3f অরবিটাল সম্ভব নয়।

উত্তর

দ্রবণে MN2 এর পরিমাণ মোল এককে নির্ণয় করা হলো— MN2 দ্রবণে নিম্নরূপে বিয়োজিত হয় : MN2(ag) ⇌ M2+(aq)+2N(aq)M^2+ (aq) + 2N- (aq) ধরি, MN2 এর দ্রাব্যতা = S দ্রবণে [M2+]=SM^2+] = S এবং [N-] = 2S MN2 এর দ্রাব্যতা গুণফল, Ksp = 1.7 x 10-5 আমরা জানি, Ksp = [M2+][N]2M^2+] [N-]2 বা, 1.7 × 10-5 = (S) (2S)2 বা, 4S3 = 1.7 × 10-5 বা, S3 = 4.25 × 10-6 বা, S = 1.6198 × 10-2 molL-1 MN2 এর দ্রাব্যতা 1.6198 x 10-2 mol/L 1000 mL দ্রবণে MN2 এর মোল সংখ্যা 1.6198 x 10-2 mol 100 mL দ্রবণে MN2 এর মোল সংখ্যা (1.6198 x 10-2 x 100)/1000 mol = 1.6198 x 10-3 mol

উত্তর

উদ্দীপকের A দ্রবণ থেকে MN2 পৃথকীকরণের পদ্ধতির নাম হলো কেলাসন বা অধঃক্ষেপণ পদ্ধতি এবং B দ্রবণ হতে X পৃথকীকরণের পদ্ধতির নাম হলো পাতন পদ্ধতি। কেলাসন ও পাতন পদ্ধতির তুলনা নিম্নে দেখানো হলো : কেলাসন পদ্ধতি : i. এ পদ্ধতিতে কঠিন উপাদানকে মিশ্রণ হতে বিশুদ্ধ কেলাস হিসেবে পৃথক করা হয়। ii. জৈব পদার্থের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি অধিক ব্যবহৃত হয়। iii. যৌগটিকে উপযুক্ত দ্রাবকে দ্রবীভূত করে উচ্চ তাপমাত্রায় দ্রবণকে সম্পৃক্ত করে নেয়া হয়। iv. দ্রবণকে পরিস্রাবণ করে অদ্রবণীয় কঠিন ভেজাল উপাদানকে অপসারিত করা হয়। v. পরিস্রুত দ্রবণকে তাপ প্রয়োগে অতি ঘন দ্রবণে পরিণত করা হয়।। vi. দ্রবণকে ধীরে ধীরে শীতল করা হয়। ফলে পাত্রের নিচে ধীরে ধীরে কেলাস উৎপন্ন হতে থাকে। পাতন পদ্ধতি : i. সাধারণত কোনো উদ্বায়ী তরল ও অনুদ্বায়ী কঠিন পদার্থের মিশ্রণকে অথবা দুই বা ততোধিক তরলের মিশ্রণ হতে উদ্বায়ী তরলকে বিশুদ্ধরূপে পৃথক করার জন্য পাতন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। ii. জৈব যৌগের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি সাধারণত বেশি ব্যবহৃত হয়। iii. এ পদ্ধতিকে কোনো তরল মিশ্রণে তাপ প্রয়োগ করে স্বাভাবিক বায়ুচাপে মিশ্রণের উপাদানসমূহকে তাদের স্ফুটনাঙ্কে বাষ্পীভূত করা হয়। পরবর্তীতে ঐ বাষ্পকে ঘনীভবন প্রক্রিয়ায় ভরলে পরিণত করে মিশ্রণ থেকে পৃথক করা হয়। অর্থাৎ পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন। iv. দুটি তরলের স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্য 40° C এর অধিক হলে এ পদ্ধতির সাহায্যে উপাদানকে পৃথক করা যায়। v. বাষ্পে পরিণত করার সময় পদার্থটি বিয়োজিত হতে পারবে না।
HSCChemistry 1st PaperChapter 2: গুণগত রসায়ন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.কোনটিতে ফসফোরে থাকে না?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.α\alphaকণার ভর ইলেকট্রনের ভরের চেয়ে কতগুণ ভারী?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ইলেকট্রনের স্থানান্তরের সময় ইলেকট্রনের শক্তি 2.32 x 10-18J হলে বিকিরিত রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মৌলের আংগুলির ছাপ বলা হয় কোনটিকে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.উপশক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারন ক্ষমতা কোনটি?

ময়মংসিংহ বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বলয় পরীক্ষায় নিচের কোনটিকে শনাক্ত করা যায়?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোনো একটি উপস্তরে অরবিটালের সংখ্যা নির্ণীত হয়-

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ইলেকট্রন বিন্যাসের নীতি- i. আউফবাউ নীতি ii. হুন্ডের নীতি iii. পাউলির বর্জন নীতি নিচের কোনটি সঠিক?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.IR রশ্মির ব্যবহার সর্বাপেক্ষা বেশি কোন ক্ষেত্রে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.একটি আয়নের 18টি ইলেকট্রন, 20টি নিউট্রন ও চার্জ -2 হলে এর ভর কত হবে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.IR রশ্মির কয়টি অংশ?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বোর পরমাণুতে একটি ইলেকট্রন চতুর্থ শক্তিস্তরে একটি পূর্ণ আবর্তন করতে কয়টি পূর্ণ তরঙ্গ সৃষ্টি করবে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

কোনটিতে ফসফোরে থাকে না?[গণিত] কণার ভর ইলেকট্রনের ভরের চেয়ে কতগুণ ভারী?ইলেকট্রনের স্থানান্তরের সময় ইলেকট্রনের শক্তি 2.32 x 10-18J হলে বিকিরিত রশ্মির তমৌলের আংগুলির ছাপ বলা হয় কোনটিকে?উপশক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারন ক্ষমতা কোনটি?বলয় পরীক্ষায় নিচের কোনটিকে শনাক্ত করা যায়?কোনো একটি উপস্তরে অরবিটালের সংখ্যা নির্ণীত হয়-ইলেকট্রন বিন্যাসের নীতি- i. আউফবাউ নীতি ii. হুন্ডের নীতি iii. পাউলির বর্জন নীতি IR রশ্মির ব্যবহার সর্বাপেক্ষা বেশি কোন ক্ষেত্রে?একটি আয়নের 18টি ইলেকট্রন, 20টি নিউট্রন ও চার্জ -2 হলে এর ভর কত হবে?IR রশ্মির কয়টি অংশ?বোর পরমাণুতে একটি ইলেকট্রন চতুর্থ শক্তিস্তরে একটি পূর্ণ আবর্তন করতে কয়টি পূর্ণ ত

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।