Chapter 2: গুণগত রসায়ন Chemistry 1st Paper

HSC Chemistry 1st Paper এর Chapter 2: গুণগত রসায়ন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১,৫২১

প্রশ্ন

Chemistry 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCChemistry 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
দ্রবণ তাপ কী?

উত্তর

গ্রাম মোল দ্রবকে যথেষ্ট পরিমাণ (যে অবস্থায় আরো দ্রাবক যোগ করলে তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে) দ্রাবকে দ্রবীভূত করা হলে যে পরিমাণ তাপের পরিবর্তন হয় তাকে ঐ দ্রবের দ্রবণ তাপ বলে।
খ
অ্যামোনিয়া অণুর বন্ধন কোণ 107° কেন?

উত্তর

NH3 অণুতে নাইট্রোজেন পরমাণুর চারদিকে চার জোড়া ইলেকট্রন থাকায় এর আকৃতি চতুস্তলকীয় হওয়ার কথা। কেননা NH3 অণুতে sp3 সংকরায়ন ঘটে। কিন্তু চার জোড়া ইলেকট্রনের একটি মুক্ত জোড় হওয়ায় এদের অধিকতর বিকর্ষণে অণুর আকৃতি বিকৃত হয়ে ত্রিকোণীয় পিরামিডের মতো হয়ে যায় এবং বন্ধন কোণ 109.28° থেকে হ্রাস পেয়ে 107° হয়। question image
গ
উদ্দীপকের অধঃক্ষেপটির দ্রাব্যতা নির্ণয় করো।

উত্তর

প্রদত্ত উদ্দীপকে দেওয়া আছে- CuS এর দ্রাবতা গুণফল Ksp = 5.0 × 10-38 mol2L-2 ধরি, CuS এর দ্রাব্যতা = x molL-1 তাহলে দ্রাব্যতা গুণফলের সংজ্ঞানুযায়ী- Ksp =5.0×10−38=[Cu2+][S2−]\mathrm{K}_{\text{sp }}=5.0 \times 10^{-38}=\left[\mathrm{Cu}^{2+}\right]\left[\mathrm{S}^{2-}\right] ⇒5.0×10−38=x×x\Rightarrow 5.0 \times 10^{-38}=\mathrm{x} \times \mathrm{x} [∵[Cu2+]=xmolL−1\because\left[\mathrm{Cu}^{2+}\right]=\mathrm{x} \mathrm{molL}^{-1} এবং [S2−]=xmol−1\left[\mathrm{S}^{2-}\right]=\mathrm{x} \mathrm{mol}^{-1}] ⇒x2=5.0×10−38⇒x=2.236×10−19\begin{aligned} & \Rightarrow \mathrm{x}^2=5.0 \times 10^{-38} \\ & \Rightarrow \mathrm{x}=2.236 \times 10^{-19}\end{aligned} সুতরাং প্রদত্ত উদ্দীপকের CuS এর দ্রাব্যতা 2.236 × 10-19 molL-1
ঘ
উদ্দীপক দ্রবণে বিদ্যমান আয়ন দুটি একই সাথে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে না- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

প্রদত্ত দ্রবণে বিদ্যমান আয়ন দুটি Zn2+, Cu2+ একই সাথে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে না। কারণ আমরা জানি, যে উপাদানের দ্রাব্যতা গুণফল আয়নিক গুণফল অপেক্ষা যত কম সে তত আগে বা তত তাড়াতাড়ি অধঃক্ষিপ্ত হবে। দেওয়া আছে, ZnS এর Ksp = 3.0 ×10-23 এবং CuS এর Ksp = 5.0 × 10-38 যেহেতু এদের আয়নগুলোর প্রকৃত ঘনমাত্রা জানা নেই তাই প্রদত্ত দ্রাব্যতা গুণফল থেকে কোন আয়নটি অধঃক্ষিপ্ত হবে অথবা হবে না তা নির্ণয় করতে হবে। এখানে, দেখা যাচ্ছে যে CuS এর দ্রাব্যতা গুণফল ZnS এর চেয়ে কম। অতএব শর্তানুসারে দ্রাব্যতা গুণফলের এই পার্থক্যের কারণে CuS আগে অধঃক্ষিপ্ত হবে। তাই উপরোক্ত আলোচনা অনুসারে বলা যায় যে, প্রদত্ত দ্রাব্যতা গুণফলের মানের উপর নির্ভর করে কোন আয়ন আগে অধঃক্ষিপ্ত হয় তা নির্ণয় করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCChemistry 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
দ্রবণ তাপ কী?

উত্তর

গ্রাম মোল দ্রবকে যথেষ্ট পরিমাণ (যে অবস্থায় আরো দ্রাবক যোগ করলে তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে) দ্রাবকে দ্রবীভূত করা হলে যে পরিমাণ তাপের পরিবর্তন হয় তাকে ঐ দ্রবের দ্রবণ তাপ বলে।
খ
অ্যামোনিয়া অণুর বন্ধন কোণ 107° কেন?

উত্তর

NH3 অণুতে নাইট্রোজেন পরমাণুর চারদিকে চার জোড়া ইলেকট্রন থাকায় এর আকৃতি চতুস্তলকীয় হওয়ার কথা। কেননা NH3 অণুতে sp3 সংকরায়ন ঘটে। কিন্তু চার জোড়া ইলেকট্রনের একটি মুক্ত জোড় হওয়ায় এদের অধিকতর বিকর্ষণে অণুর আকৃতি বিকৃত হয়ে ত্রিকোণীয় পিরামিডের মতো হয়ে যায় এবং বন্ধন কোণ 109.28° থেকে হ্রাস পেয়ে 107° হয়। question image
গ
উদ্দীপকের অধঃক্ষেপটির দ্রাব্যতা নির্ণয় করো।

উত্তর

প্রদত্ত উদ্দীপকে দেওয়া আছে- CuS এর দ্রাবতা গুণফল Ksp = 5.0 × 10-38 mol2L-2 ধরি, CuS এর দ্রাব্যতা = x molL-1 তাহলে দ্রাব্যতা গুণফলের সংজ্ঞানুযায়ী- Ksp =5.0×10−38=[Cu2+][S2−]\mathrm{K}_{\text{sp }}=5.0 \times 10^{-38}=\left[\mathrm{Cu}^{2+}\right]\left[\mathrm{S}^{2-}\right] ⇒5.0×10−38=x×x\Rightarrow 5.0 \times 10^{-38}=\mathrm{x} \times \mathrm{x} [∵[Cu2+]=xmolL−1\because\left[\mathrm{Cu}^{2+}\right]=\mathrm{x} \mathrm{molL}^{-1} এবং [S2−]=xmol−1\left[\mathrm{S}^{2-}\right]=\mathrm{x} \mathrm{mol}^{-1}] ⇒x2=5.0×10−38⇒x=2.236×10−19\begin{aligned} & \Rightarrow \mathrm{x}^2=5.0 \times 10^{-38} \\ & \Rightarrow \mathrm{x}=2.236 \times 10^{-19}\end{aligned} সুতরাং প্রদত্ত উদ্দীপকের CuS এর দ্রাব্যতা 2.236 × 10-19 molL-1
ঘ
উদ্দীপক দ্রবণে বিদ্যমান আয়ন দুটি একই সাথে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে না- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

প্রদত্ত দ্রবণে বিদ্যমান আয়ন দুটি Zn2+, Cu2+ একই সাথে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে না। কারণ আমরা জানি, যে উপাদানের দ্রাব্যতা গুণফল আয়নিক গুণফল অপেক্ষা যত কম সে তত আগে বা তত তাড়াতাড়ি অধঃক্ষিপ্ত হবে। দেওয়া আছে, ZnS এর Ksp = 3.0 ×10-23 এবং CuS এর Ksp = 5.0 × 10-38 যেহেতু এদের আয়নগুলোর প্রকৃত ঘনমাত্রা জানা নেই তাই প্রদত্ত দ্রাব্যতা গুণফল থেকে কোন আয়নটি অধঃক্ষিপ্ত হবে অথবা হবে না তা নির্ণয় করতে হবে। এখানে, দেখা যাচ্ছে যে CuS এর দ্রাব্যতা গুণফল ZnS এর চেয়ে কম। অতএব শর্তানুসারে দ্রাব্যতা গুণফলের এই পার্থক্যের কারণে CuS আগে অধঃক্ষিপ্ত হবে। তাই উপরোক্ত আলোচনা অনুসারে বলা যায় যে, প্রদত্ত দ্রাব্যতা গুণফলের মানের উপর নির্ভর করে কোন আয়ন আগে অধঃক্ষিপ্ত হয় তা নির্ণয় করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCChemistry 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
তড়িৎ ঋণাত্মকতা কী?

উত্তর

কোন সমযোজী যৌগের অণুতে উপস্থিত দুটি ভিন্ন মৌলের পরমাণুর মধ্যে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগলকে একটি মৌলের পরমাণু কর্তৃক নিজের দিকে অধিক আকর্ষণ করার তুলনামূলক ক্ষমতাকে সেই মৌলের তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে।
খ
রক্তের বাফার ক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

রক্তের pH নিয়ন্ত্রণে শরীরে তিনটি বাফার সিস্টেম কাজ করে। যথা-১. কার্বনেট বাফার, ২. ফসফেট বাফার ও ৩. প্রোটিন বাফার। i. কার্বনেট বাফার: শ্বসনক্রিয়ায় উৎপন্ন H2CO3 এর বিয়োজনে সাম্যবস্থায় সৃষ্ট কার্বনেট বাফার সিস্টেমের ক্রিয়া হলো, CO2 + H2O Hoool H2CO3 H2CO3 Hoool H+ + HCO3 ii. ফসফেট বাফার: রক্তে কার্যকর আর একটি বাফার সিস্টেম হলো সোডিয়াম ডাইহাইড্রোজেন ফসফেট (Na2HPO4) এবং ডাইসোডিয়াম হাইড্রোজেন ফসফেট (Na2HPO4)। iii. প্রোটিন বাফার: রক্তে কার্যকর প্রোটিন বাফার সিস্টেমটি প্লাজমা প্রোটিন এবং কনজুগেটেড প্রোটিন যেমন হিমোগ্লোবিন সমন্বয়ে গঠিত। উল্লিখিত বাফার সিস্টেমের সম্মিলিত কার্যকারিতার ফলেই যেকোন অবস্থায় আমাদের রক্তের pH অপরিবর্তিত থাকে।
গ
উদ্দীপকের আলোকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত মডেলটি আলোচনা করো।

উত্তর

প্রদত্ত প্রশ্নের আলোকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত মডেলটি 'বোর পরমাণু মডেল' নামে পরিচিত। কোয়ান্টাম তত্ত্বানুসারে, কোন বস্তু বিচ্ছিন্নভাবে এক নির্দিষ্ট পরিমাণ বা তার সরল গুণিতকের সমান শক্তি বিকিরণ বা শোষণ করে। কোয়ান্টাম তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত বোর পরমাণু মডেলের উল্লেখযোগ্য স্বীকার্যসমূহ হলো- ১. শক্তি স্তর সম্পর্কিত স্বীকার্য: পরমাণুর ইলেকট্রনসমূহ নির্দিষ্ট শক্তির কতকগুলো বৃত্তাকার স্থায়ী কক্ষপথে নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে আবর্তন করে। এসব কক্ষপথে আবর্তনের সময় ইলেকট্রন কোন শক্তি শোষণ বা বিকিরণ করে না। এ কক্ষপথগুলো শক্তি স্তর নামে পরিচিত। নিউক্লিয়াস থেকে ক্রমান্বয়ে দূরবর্তী শক্তি স্তরসমূহকে ১ম, ২য়, ৩য় প্রভৃতি শক্তি স্তর বলা হয়। প্রত্যেক শক্তি স্তর নির্দিষ্ট কোয়ান্টাম শক্তি সম্পন্ন। যে শক্তি স্তর নিউক্লিয়াস থেকে যত বেশি দূরে তার শক্তি তত অধিক। শক্তি স্তর সূচক এ সংখ্যাগুলোকে প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (n = 1, 2, 3...) বলে। পরমাণুর ১ম শক্তি স্তর (n=1) কে K শেল বলা হয়। পরমাণুর ২য় শক্তি স্তর (n = 2) কে L শেল বলা হয়। পরমাণুর ৩য় শক্তি স্তর (n=3) কে M শেল বলা হয়। ২. কৌণিক ভরবেগ সম্পর্কিত স্বীকার্য: একটি নির্দিষ্ট শক্তি স্তরে পরিক্রমণরত ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ নির্দিষ্ট এবং তা h2π\frac{\mathrm{h}}{2 \pi} এর গুণিতক। অর্থাৎ কৌণিক ভরবেগ, mVr=nh2π\mathrm{mVr}=\frac{\mathrm{nh}}{2 \pi} ৩. শক্তির বিকিরণ সম্পর্কিত স্বীকার্য: ইলেকট্রন একটি শক্তি স্তর থেকে অপর শক্তি স্তরে স্থানান্তরিত হলে শক্তির শোষণ বা বিকিরণ ঘটে। ইলেকট্রন উচ্চ শক্তি স্তর হতে নিম্ন শক্তি স্তরে স্থানান্তরিত হলে শক্তির বিকিরণ এবং নিম্ন শক্তি স্তর থেকে উচ্চ শক্তি স্তরে স্থানান্তর ঘটলে শক্তির শোষণ হয়। শোষিত বা বিকিরিত শক্তিকে (ΔΕ) নিম্নরূপে দেখানো যায়,ΔΕ = E2−E1=E^2 - E1 = hv; এখানে, h = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক, ফ্রিকুয়েন্সী, E1 = নিম্ন শক্তি স্তর এবং E2=E^2 = উচ্চ শক্তি স্তর। চিত্রের মডেলে প্রদত্ত ইলেকট্রন নিম্ন শক্তি স্তর হতে উচ্চ শক্তিস্তরে স্থানান্তরিত হয় এবং এক্ষেত্রে শক্তির শোষণ ঘটে।
ঘ
উদ্দীপক মডেলটি যদি হাইড্রোজেন পরমাণু হয় তাহলে ইলেকট্রনটির ধাপান্তরে শোষিত শক্তি হিসাব করে তার কম্পাঙ্ক নির্ণয় করো।

উত্তর

উদ্দীপকের মতে, H-পরমাণুতে ইলেকট্রনটি K শক্তিস্তর তথা ১ম শক্তিস্তর থেকে M শক্তিস্তর তথা ৩য় শক্তিস্তরে ধাপান্তরিত হয়েছে। এখানে, M = শক্তিস্তরের ক্ষেত্রে, n1 = 3 k শক্তিস্তরের ক্ষেত্রে,
n2=1RH=10967800m−1λ=1.025n^2 = 1 RH = 10967800 m-1 \lambda = 1.025
× 10-7 m C = 3 x 10 ms-1 h = 6.63 x 10-34 Js এখন, E=hv=hcλ=hc[1λ]=hcRH(1n12−1n22)\begin{aligned} \mathrm{E} & =\mathrm{hv} \\ & =\mathrm{h} \frac{\mathrm{c}}{\lambda} \\ & =\mathrm{hc}\left[\frac{1}{\lambda}\right] \\ & =\mathrm{hcR}_{\mathrm{H}}\left(\frac{1}{\mathrm{n}_1{ }^2}-\frac{1}{\mathrm{n}_2{ }^2}\right)\end{aligned} =6.626×10−34×3×108×10967800(132−112)=−1.94×10−18 J\begin{aligned} & =6.626 \times 10^{-34} \times 3 \times 10^8 \times 10967800\left(\frac{1}{3^2}-\frac{1}{1^2}\right) \\ & =-1.94 \times 10^{-18} \mathrm{~J}\end{aligned} ∴ শোষিত শক্তি = 1.94 × 10 10-18 J আবার, E=hν\mathrm{E}=\mathrm{h} \nu বা, v=Ehv=\frac{E}{h} বা, v=1.94×10−186.626×10−34v=\frac{1.94 \times 10^{-18}}{6.626 \times 10^{-34}} ∴v=2.93×1015 Hz\therefore v=2.93 \times 10^{15} \mathrm{~Hz}

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCChemistry 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
তড়িৎ ঋণাত্মকতা কী?

উত্তর

কোন সমযোজী যৌগের অণুতে উপস্থিত দুটি ভিন্ন মৌলের পরমাণুর মধ্যে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগলকে একটি মৌলের পরমাণু কর্তৃক নিজের দিকে অধিক আকর্ষণ করার তুলনামূলক ক্ষমতাকে সেই মৌলের তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে।
খ
রক্তের বাফার ক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

রক্তের pH নিয়ন্ত্রণে শরীরে তিনটি বাফার সিস্টেম কাজ করে। যথা-১. কার্বনেট বাফার, ২. ফসফেট বাফার ও ৩. প্রোটিন বাফার। i. কার্বনেট বাফার: শ্বসনক্রিয়ায় উৎপন্ন H2CO3 এর বিয়োজনে সাম্যবস্থায় সৃষ্ট কার্বনেট বাফার সিস্টেমের ক্রিয়া হলো, CO2 + H2O Hoool H2CO3 H2CO3 Hoool H+ + HCO3 ii. ফসফেট বাফার: রক্তে কার্যকর আর একটি বাফার সিস্টেম হলো সোডিয়াম ডাইহাইড্রোজেন ফসফেট (Na2HPO4) এবং ডাইসোডিয়াম হাইড্রোজেন ফসফেট (Na2HPO4)। iii. প্রোটিন বাফার: রক্তে কার্যকর প্রোটিন বাফার সিস্টেমটি প্লাজমা প্রোটিন এবং কনজুগেটেড প্রোটিন যেমন হিমোগ্লোবিন সমন্বয়ে গঠিত। উল্লিখিত বাফার সিস্টেমের সম্মিলিত কার্যকারিতার ফলেই যেকোন অবস্থায় আমাদের রক্তের pH অপরিবর্তিত থাকে।
গ
উদ্দীপকের আলোকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত মডেলটি আলোচনা করো।

উত্তর

প্রদত্ত প্রশ্নের আলোকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত মডেলটি 'বোর পরমাণু মডেল' নামে পরিচিত। কোয়ান্টাম তত্ত্বানুসারে, কোন বস্তু বিচ্ছিন্নভাবে এক নির্দিষ্ট পরিমাণ বা তার সরল গুণিতকের সমান শক্তি বিকিরণ বা শোষণ করে। কোয়ান্টাম তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত বোর পরমাণু মডেলের উল্লেখযোগ্য স্বীকার্যসমূহ হলো- ১. শক্তি স্তর সম্পর্কিত স্বীকার্য: পরমাণুর ইলেকট্রনসমূহ নির্দিষ্ট শক্তির কতকগুলো বৃত্তাকার স্থায়ী কক্ষপথে নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে আবর্তন করে। এসব কক্ষপথে আবর্তনের সময় ইলেকট্রন কোন শক্তি শোষণ বা বিকিরণ করে না। এ কক্ষপথগুলো শক্তি স্তর নামে পরিচিত। নিউক্লিয়াস থেকে ক্রমান্বয়ে দূরবর্তী শক্তি স্তরসমূহকে ১ম, ২য়, ৩য় প্রভৃতি শক্তি স্তর বলা হয়। প্রত্যেক শক্তি স্তর নির্দিষ্ট কোয়ান্টাম শক্তি সম্পন্ন। যে শক্তি স্তর নিউক্লিয়াস থেকে যত বেশি দূরে তার শক্তি তত অধিক। শক্তি স্তর সূচক এ সংখ্যাগুলোকে প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (n = 1, 2, 3...) বলে। পরমাণুর ১ম শক্তি স্তর (n=1) কে K শেল বলা হয়। পরমাণুর ২য় শক্তি স্তর (n = 2) কে L শেল বলা হয়। পরমাণুর ৩য় শক্তি স্তর (n=3) কে M শেল বলা হয়। ২. কৌণিক ভরবেগ সম্পর্কিত স্বীকার্য: একটি নির্দিষ্ট শক্তি স্তরে পরিক্রমণরত ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ নির্দিষ্ট এবং তা h2π\frac{\mathrm{h}}{2 \pi} এর গুণিতক। অর্থাৎ কৌণিক ভরবেগ, mVr=nh2π\mathrm{mVr}=\frac{\mathrm{nh}}{2 \pi} ৩. শক্তির বিকিরণ সম্পর্কিত স্বীকার্য: ইলেকট্রন একটি শক্তি স্তর থেকে অপর শক্তি স্তরে স্থানান্তরিত হলে শক্তির শোষণ বা বিকিরণ ঘটে। ইলেকট্রন উচ্চ শক্তি স্তর হতে নিম্ন শক্তি স্তরে স্থানান্তরিত হলে শক্তির বিকিরণ এবং নিম্ন শক্তি স্তর থেকে উচ্চ শক্তি স্তরে স্থানান্তর ঘটলে শক্তির শোষণ হয়। শোষিত বা বিকিরিত শক্তিকে (ΔΕ) নিম্নরূপে দেখানো যায়,ΔΕ = E2−E1=E^2 - E1 = hv; এখানে, h = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক, ফ্রিকুয়েন্সী, E1 = নিম্ন শক্তি স্তর এবং E2=E^2 = উচ্চ শক্তি স্তর। চিত্রের মডেলে প্রদত্ত ইলেকট্রন নিম্ন শক্তি স্তর হতে উচ্চ শক্তিস্তরে স্থানান্তরিত হয় এবং এক্ষেত্রে শক্তির শোষণ ঘটে।
ঘ
উদ্দীপক মডেলটি যদি হাইড্রোজেন পরমাণু হয় তাহলে ইলেকট্রনটির ধাপান্তরে শোষিত শক্তি হিসাব করে তার কম্পাঙ্ক নির্ণয় করো।

উত্তর

উদ্দীপকের মতে, H-পরমাণুতে ইলেকট্রনটি K শক্তিস্তর তথা ১ম শক্তিস্তর থেকে M শক্তিস্তর তথা ৩য় শক্তিস্তরে ধাপান্তরিত হয়েছে। এখানে, M = শক্তিস্তরের ক্ষেত্রে, n1 = 3 k শক্তিস্তরের ক্ষেত্রে,
n2=1RH=10967800m−1λ=1.025n^2 = 1 RH = 10967800 m-1 \lambda = 1.025
× 10-7 m C = 3 x 10 ms-1 h = 6.63 x 10-34 Js এখন, E=hv=hcλ=hc[1λ]=hcRH(1n12−1n22)\begin{aligned} \mathrm{E} & =\mathrm{hv} \\ & =\mathrm{h} \frac{\mathrm{c}}{\lambda} \\ & =\mathrm{hc}\left[\frac{1}{\lambda}\right] \\ & =\mathrm{hcR}_{\mathrm{H}}\left(\frac{1}{\mathrm{n}_1{ }^2}-\frac{1}{\mathrm{n}_2{ }^2}\right)\end{aligned} =6.626×10−34×3×108×10967800(132−112)=−1.94×10−18 J\begin{aligned} & =6.626 \times 10^{-34} \times 3 \times 10^8 \times 10967800\left(\frac{1}{3^2}-\frac{1}{1^2}\right) \\ & =-1.94 \times 10^{-18} \mathrm{~J}\end{aligned} ∴ শোষিত শক্তি = 1.94 × 10 10-18 J আবার, E=hν\mathrm{E}=\mathrm{h} \nu বা, v=Ehv=\frac{E}{h} বা, v=1.94×10−186.626×10−34v=\frac{1.94 \times 10^{-18}}{6.626 \times 10^{-34}} ∴v=2.93×1015 Hz\therefore v=2.93 \times 10^{15} \mathrm{~Hz}

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCChemistry 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2017

ক
প্রতিনিধি মৌল কী?

উত্তর

গ্রুপ- 1, 2, 13, 14, 15, 16, 17 ও 18 এর মৌলসমূহকে প্রতিনিধি মৌল বলে।
খ
সালফিউরিক এসিডপূর্ণ বিকারক বোতল কাঠের তৈরি সেলফে রাখা হয় না কেন?

উত্তর

সালফিউরিক এসিড একটি শক্তিশালী নিরুদক পদার্থ। তাই এটি অন্য কোনো পদার্থের সংস্পর্শে আসলে ঐ পদার্থ থেকে পানি শুষে নেয়। কাঠের প্রধান উপাদান হলো সেলুলোজ। কাঠের গঠন ঠিক রাখার জন্য সেলুলোজে নির্দিষ্ট মাত্রার পানি বজায় রাখতে হয়। কিন্তু কাঠের তৈরি সেলফে সালফিউরিক এসিডপূর্ণ বোতল রাখলে কাঠ তখন পানি হারিয়ে ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। তাই সালফিউরিক এসিড পূর্ণ বিকারক বোতল কাঠের সেলফে রাখা হয় না।
গ
X+ আয়নটি বিক্রিয়াসহ সনাক্ত করো।

উত্তর

প্রদত্ত A ও B পাত্রের মিশ্রণ হলো নেসলার দ্রবণ। কারণ আমরা জানি ক্ষারযুক্ত পটাশিয়াম টেট্রাআয়োডো মারকিউরেট এর দ্রবণ হলো + নেসলার দ্রবণ। আর নেসলার দ্রবণ অ্যামোনিয়াম আয়ন (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। তাই বলা যায় বিক্রিয়ায় X2SOO হলো (NH4)2SO4। সুতরাং X+ আয়নটি হলো (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) আয়ন। একটি টেস্ট টিউবে 2-1 mL প্রস্তুতকৃত বর্ণহীন (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) দ্রবণ নিয়ে তাতে নেসলার দ্রবণ যোগ করা হলে বাদামী বর্ণের অধঃক্ষেপ পড়ে। এটি মূলত অ্যামিনো মারকিউরিক আয়োডাইডের অধঃক্ষেপ। উক্ত বাদামী + অধঃক্ষেপ দ্বারা দ্রবণে (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) এর উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। বিক্রিয়া: question image এই বাদামী অধঃক্ষেপ দেখে (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) আয়ন শনাক্ত করা যায়।
ঘ
B দ্রবণের পরিবর্তে Ba(OH)2 ব্যবহার করলে X+ আয়নটি শনাক্তকরণের জটিলতা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের B দ্রবণটি KOH ও X+ আয়নটি (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right)। সুতরাং KOH দ্রবণের পরিবর্তে Ba(OH)2 ব্যবহার করলে (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) আয়নটি শনাক্তকরণের জটিলতা যুক্তিসহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- KOH দ্রবণ একটি শক্তিশালী ক্ষার এবং জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণরূপে বিয়োজিত হয়। KOH দ্রবণ (NH4)2SO4 এর সাথে বিক্রিয়ায় পানিতে দ্রবণীয় K2SO4 দ্রবণ উৎপন্ন করে। K2SO4 পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় পরবর্তী অ্যামিনো মারকিউরিক আয়োডাইডের অধঃক্ষেপ তেমন প্রভাব ফেলে না। পক্ষান্তরে KOH এর পরিবর্তে Ba(OH)2 নিলে তা নিম্নরূপে (NH4)2SO4 এর সাথে বিক্রিয়া করে- question image Ba(OH)2 দ্রবণ অ্যামোনিয়াম সালফেটের সাথে বিক্রিয়া করে সাদা বর্ণের BaSO4 এর অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে। পরবর্তীতে এ বিক্রিয়ায় উৎপন্ন NH3 গ্যাস নেসলার দ্রবণের পটাশিয়াম টেট্রাআয়োডো মারকিউরেট (K2HgI4) এর সাথে বিক্রিয়ায় অ্যামিনো মারকিউরিক আয়োডাইড (NH2Hg2I3) এর বাদামী বর্ণের অধঃক্ষেপ পড়ে ঠিকই কিন্তু তা BaSO4 এর সাদা অধঃক্ষেপের কারণে বর্ণ পরিবর্তিত হয়ে জটিল অবস্থার সৃষ্টি করে। ফলে (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) শনাক্তকরণে জটিলতা দেখা দেয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCChemistry 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2017

ক
প্রতিনিধি মৌল কী?

উত্তর

গ্রুপ- 1, 2, 13, 14, 15, 16, 17 ও 18 এর মৌলসমূহকে প্রতিনিধি মৌল বলে।
খ
সালফিউরিক এসিডপূর্ণ বিকারক বোতল কাঠের তৈরি সেলফে রাখা হয় না কেন?

উত্তর

সালফিউরিক এসিড একটি শক্তিশালী নিরুদক পদার্থ। তাই এটি অন্য কোনো পদার্থের সংস্পর্শে আসলে ঐ পদার্থ থেকে পানি শুষে নেয়। কাঠের প্রধান উপাদান হলো সেলুলোজ। কাঠের গঠন ঠিক রাখার জন্য সেলুলোজে নির্দিষ্ট মাত্রার পানি বজায় রাখতে হয়। কিন্তু কাঠের তৈরি সেলফে সালফিউরিক এসিডপূর্ণ বোতল রাখলে কাঠ তখন পানি হারিয়ে ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। তাই সালফিউরিক এসিড পূর্ণ বিকারক বোতল কাঠের সেলফে রাখা হয় না।
গ
X+ আয়নটি বিক্রিয়াসহ সনাক্ত করো।

উত্তর

প্রদত্ত A ও B পাত্রের মিশ্রণ হলো নেসলার দ্রবণ। কারণ আমরা জানি ক্ষারযুক্ত পটাশিয়াম টেট্রাআয়োডো মারকিউরেট এর দ্রবণ হলো + নেসলার দ্রবণ। আর নেসলার দ্রবণ অ্যামোনিয়াম আয়ন (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। তাই বলা যায় বিক্রিয়ায় X2SOO হলো (NH4)2SO4। সুতরাং X+ আয়নটি হলো (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) আয়ন। একটি টেস্ট টিউবে 2-1 mL প্রস্তুতকৃত বর্ণহীন (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) দ্রবণ নিয়ে তাতে নেসলার দ্রবণ যোগ করা হলে বাদামী বর্ণের অধঃক্ষেপ পড়ে। এটি মূলত অ্যামিনো মারকিউরিক আয়োডাইডের অধঃক্ষেপ। উক্ত বাদামী + অধঃক্ষেপ দ্বারা দ্রবণে (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) এর উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। বিক্রিয়া: question image এই বাদামী অধঃক্ষেপ দেখে (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) আয়ন শনাক্ত করা যায়।
ঘ
B দ্রবণের পরিবর্তে Ba(OH)2 ব্যবহার করলে X+ আয়নটি শনাক্তকরণের জটিলতা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের B দ্রবণটি KOH ও X+ আয়নটি (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right)। সুতরাং KOH দ্রবণের পরিবর্তে Ba(OH)2 ব্যবহার করলে (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) আয়নটি শনাক্তকরণের জটিলতা যুক্তিসহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- KOH দ্রবণ একটি শক্তিশালী ক্ষার এবং জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণরূপে বিয়োজিত হয়। KOH দ্রবণ (NH4)2SO4 এর সাথে বিক্রিয়ায় পানিতে দ্রবণীয় K2SO4 দ্রবণ উৎপন্ন করে। K2SO4 পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় পরবর্তী অ্যামিনো মারকিউরিক আয়োডাইডের অধঃক্ষেপ তেমন প্রভাব ফেলে না। পক্ষান্তরে KOH এর পরিবর্তে Ba(OH)2 নিলে তা নিম্নরূপে (NH4)2SO4 এর সাথে বিক্রিয়া করে- question image Ba(OH)2 দ্রবণ অ্যামোনিয়াম সালফেটের সাথে বিক্রিয়া করে সাদা বর্ণের BaSO4 এর অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে। পরবর্তীতে এ বিক্রিয়ায় উৎপন্ন NH3 গ্যাস নেসলার দ্রবণের পটাশিয়াম টেট্রাআয়োডো মারকিউরেট (K2HgI4) এর সাথে বিক্রিয়ায় অ্যামিনো মারকিউরিক আয়োডাইড (NH2Hg2I3) এর বাদামী বর্ণের অধঃক্ষেপ পড়ে ঠিকই কিন্তু তা BaSO4 এর সাদা অধঃক্ষেপের কারণে বর্ণ পরিবর্তিত হয়ে জটিল অবস্থার সৃষ্টি করে। ফলে (NH4+)\left(\mathrm{NH}_4^{+}\right) শনাক্তকরণে জটিলতা দেখা দেয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো