শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের জাহানারা চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি আলোচনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের জাহানারা চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো উদার এবং সেবাব্রতী মানসিকতা । 'বিলাসী' গল্পের বিলাসী উদার ও সেবাপরায়ণ মনোভাবাপন্ন এক নারী নিচু জাতের মেয়ে হয়েও বিলাসী অসুস্থ মৃত্যুঞ্জয়কে সেবা-শুশ্রূষা করে সুস্থ করে তোলে। পোড়োবাড়িতে একা রাত জেগে সে দিন-রাত সেবা করে গেছে মৃত্যুঞ্জয়ের । এজন্য তাতে নানা প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়েছে। সমাজের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে মৃত্যুঞ্জয়ের সেবা করে গেছে।পরম মমতায় আগলে রেখেছে মৃত্যুঞ্জয়কেউদ্দীপকের জাহানারা একজন মানবিক এবং সেবাপরায়ণ, কোমল স্বভাবের নারী । মারাত্মক দুর্ঘটনায় আহত রায়হানকে সে নিজ দায়িত্বে বাড়িতে নিয়ে সেবা শুশ্রূষা করে। দুর্ঘটনায় রায়হান তার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলে। পরবর্তী সময়ে জাহানাবার সেবা-যত্নে সে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে। মূলত জাহানারার আন্তরিকতা, সেবা যত্নে এবং ভালোবাসাই রায়হানকে নতুন জীবন দিয়েছে। তাই বলা যায়, মানবিকতা ও সেবাপরায়ণ মানসিকতা বিলাসী চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : বিলাসী CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : বিলাসী · সৃজনশীল

উদ্দীপকের জাহানারা চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্যপূর…

উদ্দীপক

ভয়ংকর এক সড়ক দুর্ঘটনায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা রায়হানকে পাশের বস্তির মেয়ে জাহানারা উদ্ধার করে নিয়ে আসে। স্মৃতি ফিরে পেলে রায়হান জানতে পারে তার জীবন বাঁচিয়েছে ঐ মেয়েটি। দীর্ঘদিন সেবা-যতেœর পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে সে। রায়হান মেয়েটির প্রতি কৃজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা জাহানারাকে মেনে নেয় না। কিছু টাকা-পয়সা দিয়ে তাকে বিদায় করে দিতে চাইলে রায়হানও জাহানার সাথে বস্তিতেই চলে যায় এবং সেখানেই সুখে সংসার বাঁধে।

Chittagong · 2022

উত্তর

'বিলাসী' গল্পের গল্প কথকের নাম ন্যাড়া।

উত্তর

উক্তিটির মাধ্যমে ন্যাড়া তার এক আত্মীয়ার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তার মেকি স্বামীপ্রেমের প্রতি ইঙ্গিত করেছে। 'বিলাসী' গল্পে ন্যাড়ার এক আত্মীয় মারা গেলে তার বিধবা স্ত্রী শোকাহত হয়ে স্বামীর সঙ্গে সহমরণের জন্য হাহাকার করতে থাকে। কিন্তু লাশের পাশে তাকে একাকী রেখে ন্যাড়া যখন মৃতের সৎকারের জন্য লোক ডাকতে বাইরে পা বাড়ায়, তখনই সে চিৎকার করে উদ্ধৃত উক্তিটি করে। এ ঘটনা থেকে বোঝা যায়, বহুদিনের সাহচর্য সত্ত্বেও হৃদয়ের গভীর সংযোগ ঘটেনি । এভাবে উক্তিটির মধ্য দিয়ে তার মেকি স্বামীপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

উত্তর

উদ্দীপকের জাহানারা চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো উদার এবং সেবাব্রতী মানসিকতা । 'বিলাসী' গল্পের বিলাসী উদার ও সেবাপরায়ণ মনোভাবাপন্ন এক নারী নিচু জাতের মেয়ে হয়েও বিলাসী অসুস্থ মৃত্যুঞ্জয়কে সেবা-শুশ্রূষা করে সুস্থ করে তোলে। পোড়োবাড়িতে একা রাত জেগে সে দিন-রাত সেবা করে গেছে মৃত্যুঞ্জয়ের । এজন্য তাতে নানা প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়েছে। সমাজের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে মৃত্যুঞ্জয়ের সেবা করে গেছে।পরম মমতায় আগলে রেখেছে মৃত্যুঞ্জয়কেউদ্দীপকের জাহানারা একজন মানবিক এবং সেবাপরায়ণ, কোমল স্বভাবের নারী । মারাত্মক দুর্ঘটনায় আহত রায়হানকে সে নিজ দায়িত্বে বাড়িতে নিয়ে সেবা শুশ্রূষা করে। দুর্ঘটনায় রায়হান তার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলে। পরবর্তী সময়ে জাহানাবার সেবা-যত্নে সে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে। মূলত জাহানারার আন্তরিকতা, সেবা যত্নে এবং ভালোবাসাই রায়হানকে নতুন জীবন দিয়েছে। তাই বলা যায়, মানবিকতা ও সেবাপরায়ণ মানসিকতা বিলাসী চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।।

উত্তর

উদ্দীপকের রায়হান এবং মৃত্যুঞ্জয় উভয়েই মানবিকতার মূর্ত প্রতীক। কারণ, তারা সামাজিক ভেদ বৈষম্যের ঊর্ধ্বে গিয়ে মানবিক পরিচয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। মৃত্যুঞ্জয় কায়স্থ ঘরের মিত্তির বংশের ছেলে। কিন্তু সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সেবা-শুষা করে সুস্থ করে তোলে সাপুড়ের মেয়ে বিলাসী। পরবর্তী সময়ে বিলাসীর গুণমুগ্ধ হয়ে তাকে ভালোবেসে বিয়ে করে মৃত্যুঞ্জয়। এ কারণে রক্ষণশীল সমাজের চাপে পড়ে জাত বিসর্জন দিয়ে সাপুড়ে হতে হয় মৃত্যুঞ্জয়কে। উদ্দীপকের রায়হান ছিল অত্যন্ত কৃতজ্ঞতাবোধসম্পন্ন মানুষ। বস্তির মেয়ে জাহানারা তারা জীবন বাঁচালে সে-ও তার প্রতি আন্তরিকতা, ভালোবাসা এবং মুগ্ধতা থেকে তাকে বিয়ে করে ঘরে নিয়ে আসে। কিন্তু রায়হানের পরিবার জাহানারাকে কিছু টাকা দিয়ে বিদায় করে দিতে চায়। তবে, রায়হান এই অন্যায় হতে দেয়নি। সে তার পরিবার ছেড়ে স্ত্রীকে নিয়ে বস্তিতে চলে আসে। জাহানারার প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং উদারতার জন্য রায়হান নিজের পরিবার ত্যাগ করে বস্তিজীবন বেছে নেয়। তাছাড়া সে তার স্ত্রীর প্রতি অত্যন্ত দায়িত্বশীল। অন্যদিকে মৃত্যুঞ্জয় সমাজের নিষ্ঠুরতা রক্ষণশীলতা, সংকীর্ণতা ও চোখরাঙানি উপেক্ষা করে স্বেচ্ছায় সাপুড়ে কন্যাকে বিয়ে করে জাত সাপুড়ে হয়ে উঠতেও দ্বিধা করেনি। যার মূলে সক্রিয় ছিল মৃত্যুঞ্জয়ের মানবতাবোধ। তাই বলা যায়; রায়হান ও মৃত্যুঞ্জয় উভয়েই মানবিকতার মূর্ত প্রতীক।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : বিলাসী
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.খুড়ার দৃষ্টিতে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ কোনটি?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'ইহা আর একটি শক্তি।'- উক্তিটিতে কোন শক্তির কথা বলা হয়েছে?

যশোর বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মৃত্যুঞ্জয়ের অন্নপাপ হলো কীভাবে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে কত সালে ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.'বিলাসী' গল্পে কোন সমাজের কথা বলা হয়েছে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মৃত্যুঞ্জয়ের খুড়ার কাজ কী ছিল?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ন্যাড়া সন্ন্যাসীগিরিতে ইস্তফা দেয় কেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মৃত্যুঞ্জয় নামটি কীভাবে মিথ্যা প্রতিপন্ন হলো?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.গোখরো সাপ ধরে পোষার শখ ছিল কার?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মৃত্যুঞ্জয় যে সাপটা ধরেছিল সেটির নাম কী?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'যে বস্তুটি এই অসাধ্য সাধন করিয়া তুলিয়াছিল তাহার পরিচয় যদিও সেদিন পাই নাই, কিন্তু আর একদিন পাইয়াছিলাম।'- এখানে 'বস্তুটি বলতে 'বিলাসী' গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?

কুমিল্লা বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে'- এ উক্তিটি ইঙ্গিত করে- i. বর্ণ-হিন্দু সমাজের রীতি-নীতির প্রতি ii. সমাজের অলিখিত বিধি-ব্যবস্থার প্রতি iii. সমাজের অন্ধবিশ্বাস ও সংকীর্ণতার প্রতি নিচের কোনটি সঠিক?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

খুড়ার দৃষ্টিতে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ কোনটি?'ইহা আর একটি শক্তি।'- উক্তিটিতে কোন শক্তির কথা বলা হয়েছে?মৃত্যুঞ্জয়ের অন্নপাপ হলো কীভাবে?সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে কত সাল'বিলাসী' গল্পে কোন সমাজের কথা বলা হয়েছে?মৃত্যুঞ্জয়ের খুড়ার কাজ কী ছিল?ন্যাড়া সন্ন্যাসীগিরিতে ইস্তফা দেয় কেন?মৃত্যুঞ্জয় নামটি কীভাবে মিথ্যা প্রতিপন্ন হলো?গোখরো সাপ ধরে পোষার শখ ছিল কার?মৃত্যুঞ্জয় যে সাপটা ধরেছিল সেটির নাম কী?'যে বস্তুটি এই অসাধ্য সাধন করিয়া তুলিয়াছিল তাহার পরিচয় যদিও সেদিন পাই নাই, কিন্ত'অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে'- এ উক্তিটি ইঙ্গিত করে- i.

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।