উদ্দীপকের মনোরঞ্জনই খুড়ার প্রতিচ্ছবি।
বিলাসী' সর্বংসহা বাঙালি নারীর প্রতিচ্ছবি। গল্পটি গড়ে উঠেছে এক মহীয়সী নারীর প্রেম, ত্যাগ, তিতিক্ষার কাহিনি। গল্পটিতে প্রেমের সঙ্গে একই সমান্তরালে স্থান করে নিয়েছে জাত-পাত ভেদ, অন্ত্যজ শ্রেণির জীবন চারিত্র্য, স্বজনহীন এক মানবের বেদনাবিধুর জীবন। যেই জীবনকে সেবা, ভালোবাসায় জয় করে নিয়েছে বিলাসী। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়। এছাড়া আরও একটি চরিত্র বিশেষভাবেই স্থান করে নিয়েছে মৃতুঞ্জয়ের জ্ঞাতি খুড়া।
মৃত্যুঞ্জয়ের শয্যাশায়ী অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে মুক্তি মেলে এবং নীচু জাতের সাপুড়ে কন্যা বিলাসীকে বিয়ে করে। মৃত্যুঞ্জয়ের জ্ঞাতি খুড়া অন্নপাপের দোষে দোষী করে গ্রাম ছাড়া করে তাদের। সবিশেষ সাপুড়ে পেশায় মৃত্যুঞ্জয়কে দেখা যায়।
অপরদিকে উদ্দীপকে দেখা যায়, মনরঞ্জন সৌদামিনীর অমঙ্গল চেয়েছে। এক অসহায় শিশুর সেবাকে সে কুমন্ত্রণা রটিয়েছে। সুতরাং বলা যায়, মনরঞ্জন ও খুড়া একই সুতায় গাথা।