যেহেতু কমিউনিকেশন মাধ্যমটি আলোর গতিতে ডেটা ট্রান্সমিট করতে পারে। সুতরাং কমিউনিকেশন মাধ্যমটি হলো ফাইবার অপটিকস ক্যাবল। ফাইবার তৈরির জন্য সোডা বোরো সিলিকেট, সোডা লাইম সিলিকেট, সোডা অ্যালুমিনা সিলিকেট ইত্যাদি মাল্টি কম্পোনেন্ট কাঁচগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়। এসব পদার্থের গুণগত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো- অতি স্বচ্ছতা, রাসায়নিক সুস্থিরতা বা নিষ্ক্রিয়তা, সহজ প্রক্রিয়াকরণ যোগ্যতা। কখনো কখনো ফাইবারের ক্ল্যাডিং হিসেবে প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ফাইবার অপটিকের তিনটি অংশ থাকে। যথা:
কোর: ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৪ থেকে 100 মাইক্রোন হয়ে থাকে।
ক্ল্যাডিং: কেন্দ্রের অপটিক্যাল ফাইবারকে আচ্ছাদিত করে আছে ক্ল্যাডিং (cladding) বা কেভলার (kevlar) যা এমন এক পদার্থ দিয়ে তৈরি যে আলোক প্রতিফলন করতে পারে। এর ফলে আলোক সংকেত ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মধ্য দিয়ে বাঁকা পথে যেতে পারে।
জ্যাকেট: আবরণ হিসেবে কাজ করে।