• উদ্দীপকের কবিতাংশ কবি উচ্চকিত সত্যের মতো স্বপ্নের কথা বলেছেন। এই স্বপ্নের মূলে রয়েছে মূলত মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
• ১৯৭১ সালে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধের পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের দমননীতি ও ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ পরিচালনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের এই বর্ণনা নিয়ে রচিত হয়েছে 'রেইনকোট' গল্পটি।
• উদ্দীপকে দেখা যায়, কবি উচ্চকিত সত্যের মতো স্বপ্নের কথা বলেছেন। যেখানে তিনি উনুনের আগুনে আলোকিত একটি উজ্জ্বল জানালার কথা তুলে ধরেছেন। কবি মূলত মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করার স্বপ্ন দেখেছেন। এই স্বপ্ন চিরস্থায়ী সত্যের মতোই সত্য। এই স্বপ্নের মধ্য দিয়ে কবি স্বাধীন সার্বভৌম দেশে উনুনের আগুনে আলোকিত উজ্জ্বল জানালার চিত্রকে তুলে ধরেছেন। 'রেইনকোট' গল্পের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, দেশের সংকটকালে দেশকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে, দেশের সর্বস্তরের মানুষ দেশকে স্বাধীন করার স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে, যা উদ্দীপকের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ।
• বাংলাদেশের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর শোষণ ও নিপীড়নের মাত্রা বেড়ে গেলে এদেশের মানুষ সচেতন হয়ে ওঠে। স্বপ্ন দেখে একটি স্বাধীন দেশ গড়ার। এই আকাঙ্ক্ষা থেকেই সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই মুক্তিযুদ্ধের প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে 'রেইনকোট' গল্পে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে যে স্বপ্নের কথা বলা হয়েছে তথা একটি 'স্বাধীন দেশ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে তা মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছে বাঙালি জাতি।