মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক দিক উঠে না আসায় উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের বিষয়বস্তু আংশিক প্রতিফলিত হয়েছে।
'রেইনকোট' গল্পে মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ের একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঢাকার অবস্থা এবং গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে ঢাকায় মিলিটারির কোণঠাসা হয়ে পড়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে এ গল্পে। ঢাকা কলেজের রসায়ন শিক্ষক নুরুল হুদার জবানিতে গল্পকার মুক্তিযুদ্ধের চিত্র তুলে ধরেছেন।
উদ্দীপকে সালেহীনের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে গোপন আঁতাঁতের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। সরকারি চাকরিজীবী, ছোট ছোট সন্তান ও অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে রেখে যুদ্ধে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হয় না। ঘটনাচক্রে এক রাতে তাদের বাড়িতে মিলিটারি আক্রমণ করলে জানা যায় তার সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্ক রয়েছে। 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদাও গ্রেফতার হন মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে আঁতাঁত রাখার অভিযোগে।
উদ্দীপকের সালেহীন 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদার সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও 'রেইনকোট' গল্পের মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক দিক ফুটে ওঠেনি। এ গল্পে নুরুল হুদার শ্যালক মিন্টুর মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গ, প্রিন্সিপাল আফাজ আহমদের বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকাণ্ড, পঁচিশে মার্চ রাতের ঘটনা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মকাণ্ড ও নুরুল হুদার মধ্যে দেশপ্রেমের সঞ্চার প্রভৃতি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বর্ণিত হয়েছে, যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।