উদ্দীপকের সাথে রোইনকোট গল্পে অত্যাচার বিষয়টির সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
পাকিস্থান হানাদার বাহিনী এদেশের মানুষের উপর যে নির্মম অত্যাচার করেছে তা উদ্দীপক এবং রেইনকোট গল্পের প্রতিচ্ছবি। রেইনকোট গল্পের প্রধান নায়ক হচ্ছে নুরুল হুদা। তার মাধ্যমেই গল্পের গঠন কাঠামো গঠিত হয়েছে। তিনি কথার কৌশলে কলেজের প্রিন্সিপালকে বার বার তাচ্ছিল্যের কাঠ গড়ায় দাড় করিয়ে অপমান করেছেন। রাজাকার-প্রতারক-ঠকবাজ কলেজের প্রিন্সিপাল পাকবাহিনীর সঙ্গ দিয়ে এদেশের মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। ঘরবাড়ি- বাজার, দোকান-পার্ট পুড়িয়ে দিয়েছে। মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত তাদের অত্যাচার থেকে রেহাই পায়নি। কলেজের ইলেকট্রনিক ট্রান্সফর্মার ফাটানোর দায় আব্দুস সাত্তার এবং নুরুল হুদার ঘারে চাপিয়ে দিয়ে অত্যাচার করে।
পাকিস্তানিদের এই অত্যাচার অসহনীয়। সুন্দর মেয়েদের ধরে নিয়ে অত্যাচার ছিল এদের আনন্দের বিষয় যা উদ্দীপক এবং গল্পের আলোচিত কথা।
রেইনকোট গল্প এবং উদ্দীপক উভয় যেহেতু মিলিটারি অত্যাচার নিয়েই রচিত, সুতরাং বলা যায় উদ্দীপকের সাথে রেইনকোট গল্পের অত্যাচার বিষয়টি সাদৃশ্য।