'মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা আক্রমণে সফলতা আমাদের অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সহসী করে তুলেছিল' উদ্দীপক ও রেইনকোট গল্পের আলোকে উক্তিটি সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত বলে মনে করি I
'রেইনকোট' গল্পে গেরিলা আক্রমণের সাথে জড়িত হচ্ছে মিন্টু । যে তার বোন আসমা এবং দুলাভাই নুরুল হুদার সাথে থাকে। নুরুল হুদা খুবই ভীতু একজন মানুষ। যে যুদ্ধ এবং রক্তপাত দেখলে ভীষণ ভয় পায় কিন্তু তার শ্যালক মিন্টু দমাদম মিলিটারি মারে। তার শ্যালকের পরা রক্তাক্ত একটা রেইনকোট গায়ে দিয়ে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয় সাহস, উষ্ণতা এবং দেশপ্রেম ।
উদ্দীপকেও গেরিলা আক্রমণের এমন কর্মকাণ্ড দেখে অনেক সাধারণ ভীতু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের অনুপ্রেরণা জোগায়। উদ্দীপকে গেরিলা বাহিনী তাঁবেদারদের একটি মোটর গাড়িতে টাইম বোমা বসিয়ে বিস্ফোরিত করে। ফলে গাড়িতে থাকা পাঁচ জন তাঁবেদার খতম হয়ে যায় যেটা দেখে ভীরু মানুষ সাহসী হয়ে ওঠে।
'রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদার শ্যালক মিন্টু একজন মুক্তিযোদ্ধা। যে গেরিলা আক্রমণের মাধ্যমে দমাদম মিলিটারি মারে। এক বৃষ্টির দিনে নুরুল হুদার স্ত্রী তাকে মিন্টুর রেইনকোট পরতে দিলে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মধ্যে এক শক্তি, সাহস, উষ্ণতা এবং দেশপ্রেম সঞ্চারিত হয় নুরুল হুদাকে মিলিটারিরা ধরে নিয়ে গিয়ে তার শ্যালক মিন্টুর খোঁজ জানতে চাইলে সে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য দেয় না বরং অনেক অত্যাচার সহ্য করে । সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি সঠিক এবং যুক্তিযুক্ত।