ঘটনার বৈপরীত্য থাকলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রবল দেশপ্রেম উজ্জীবিত ছিল।
'রেইনকোট' গল্পটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ঢাকার পরিস্থিতি নিয়ে রচিত। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতা ও বুদ্ধিমত্তা, পাকবাহিনীর সহায়তায় নিয়োজিত লোকদের ভূমিকা, মিলিটারিদের অত্যাচার ও নৃশংসতা গল্পটিতে ফুটে উঠেছে। উষ্ণতা, সাহস এবং দেশপ্রেম সঞ্চারণে রেইনকোটের প্রতীকী তাৎপর্যও ফুটে উঠেছে গল্পটিতে। গল্পের প্রধান চরিত্র নুরুল হুদা যখন তার মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট পরিধান করে তখন মনের অজান্তেই তার মধ্যে যে সাহস এবং দেশপ্রেমের সঞ্চারণ হয় সে দিকটি এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
উদ্দীপকে কলিমদ্দি দফাদার পাক-সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া তাঁর ডিউটি। মুক্তিসংগ্রামে যেতে না পারায় তাঁর মনে দুঃখ। কিন্তু সুযোগ পেয়ে একবার একদল পাক হানাদার বাহিনীকে ভুল পথ দেখিয়ে বিপদে ফেলেছিলেন। এটাও তাঁর মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ, কলিমদ্দি স্বস্তি পায় দেশের পক্ষে কাজ করতে পেরে।
উদ্দীপক এবং রেইনকোট গল্পের ঘটনার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। কিন্তু উভয় চরিত্রের মাঝেই দেশ প্রেম লক্ষ্য করা যায়।