কেবল পাকিস্তানি সেনাদের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বিষয়টি উঠে আসায় উদ্দীপকটি রেইনকোট গল্পের খণ্ডচিত্রের ধারক হয়ে উঠেছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলার মানুষের ওপর নির্মম নির্যাতন চালায়। তাদের হাত থেকে নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ কেউই রক্ষা পায়নি। তাদের এই ঘৃণ্য অত্যাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
উদ্দীপকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বিবরণ রয়েছে। গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠীর দেশত্যাগ ও তাদের উপর হত্যাকাণ্ডে বিবরন আমরা দেখতে পাই।কেবল সন্দেহের বশে তারা নিরাপদ কেষ্ট বাবুকে নির্মমভাবে হত্যা করে, তার চিত্রও আমরা উদ্দীপকে দেখতে পাই।
রেইনকোট' গল্পে যুদ্ধবিধ্বস্ত ঢাকা শহরের চিত্র ফুটে উঠেছে।মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে গেরিলা আক্রমণে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাদের ব্যতিব্যস্ত করে তোলে।এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ভীতু প্রকৃতির মানুষের সাহসী হয়ে ওঠার ব্যঞ্জনাময় প্রকাশ ঘটেছে আলোচ্য গল্পে। কিন্তু উদ্দীপকে কেবল পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে গল্পের অন্যান্য দিকের প্রতিফলন ঘটেনি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উঠে আসার দিকটি রেইনকোট গল্পের সসমগ্রভাবকে ধারণ করতে পারেনি, আংশিক ভাবকে ধারণ করেছে।