মি. জনসন ২০১৫ সালে যে শিল্প পরিদর্শন করেন, ঐ শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে যে ধারণা পোষণ করেন, তার সাথে তুমি কি একমত?- তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: ব্রিটিশ ব্যবসায়ী মি. জনসন ২০১৫ সালে বাংলাদেশের হাজারীবাগে বেশকিছু চামড়াজাত পণ্য তৈরি কারখানা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি এ শিল্প তথা চামড়া শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আমি তার সে ধারণার সাথে একমত পোষণ করি। আমার উত্তরের সপক্ষে নিম্নরূপ যুক্তিসমূহ প্রদান করা হলো-১. চামড়ার পর্যাপ্ততা: এদেশে প্রতিদিন বহুসংখ্যক গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া জবাই করা হয়। তাছাড়া কোরবানির সময় প্রচুর চামড়া পাওয়া যায়। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় প্রধান কাঁচামাল তথা কাঁচা চামড়ার পর্যাপ্ত যোগান রয়েছে।২. উন্নত চামড়া: এদেশের যে কাঁচা চামড়া পাওয়া যায় তা উন্নত মানের। এরূপ চামড়া দ্বারা প্রক্রিয়াজাত পাকা চামড়া, উৎপাদিত চামড়াজাত পণ্যের উন্নতমানের নিশ্চয়তা প্রদান করে।৩. সস্তা শ্রম: জনবহুল দেশ হওয়ায় বাংলাদেশে শ্রমিকের সংখ্যা বেশি এবং স্বল্প মজুরিতেই শ্রমিক পাওয়া যায়। এজন্য চামড়াজাত পণ্যের উৎপাদন খরচ কম পড়ে।৪. চামড়াজাত দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি: দেশের ভেতরে ও বাইরে চামড়াজাত দ্রব্যের চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। তাই বিদেশের বাজারে উন্নতমানের পাকা চামড়া ও চামজাত পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারলে চামড়া শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা উজ্জ্বল হবে।সুতরাং, উপরিউক্ত যুক্তিগুলোর আলোকে মি. জনসনের সাথে সুর মিলিয়ে বলা যায়, বাংলাদেশের চামড়া শিল্প ভবিষ্যতে একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি শিল্প হিসেবে গড়ে উঠবে।
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
মি. জনসন ২০১৫ সালে যে শিল্প পরিদর্শন করেন, ঐ শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাব…
উদ্দীপক
Chittagong · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর