শেয়ারFacebookWhatsApp

অধিক জনসংখ্যা কী কী আর্থসামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করে? তোমার দেশের প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: আয়তনের তুলনায় বাংলাদেশে জনসংখ্যা বহুগুণ বেশি। আমাদের সম্পদও সীমিত। ফলে এদেশের অর্থনীতিতে জনসংখ্যাধিক্য অন্যতম প্রধান সমস্যা। অধিক জনসংখ্যা নিম্নোক্ত আর্থসামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করে। (i) নিম্ন মাথাপিছু আয়: অধিক জনসংখ্যা মাথাপিছু আয় কমিয়ে দেয়। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২,২২৭ মার্কিন ডলার, যা উন্নত দেশের তুলনায় অনেক কম। (ii) বেকারত্ব: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার যদি কর্মসংস্থান সৃষ্টির হার অপেক্ষা বেশি হয়, তাহলে বেকারত্ব সৃষ্টি হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনশক্তির ১/৩ ভাগ বেকার। (iii) আবাসন সমস্যা: অধিক জনসংখ্যার জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে গিয়ে বাংলাদেশে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কমছে। (iv) খাদ্য ঘাটতি: অধিক জনসংখ্যার কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছরই খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকারি ও বেসরকারি খাতে মোট ৩৮.১২ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য আমদানি করতে হয়েছে। (v) স্বাস্থ্যঝুঁকি : জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে চিকিৎসাসেবা অপ্রতুল হয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় হাসপাতাল, চিকিৎসক অনেক কম। ফলে চিকিৎসাসেবাও ব্যয়বহুল হয়ে যাচ্ছে। বিনা চিকিৎসায় দেশে প্রতিবছর বহু দরিদ্র মানুষ মারা যায়। (vi) পরনির্ভরশীলতা: প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ খাদ্য আমদানি করতে হয় বাংলাদেশকে। এছাড়া উচ্চ বেকারত্ব হারের কারণে প্রতিবছর উন্নত দেশগুলোতে বাড়তি জনশক্তি রপ্তানি করতে হয় বাংলাদেশকে। ফলে পরিনির্ভরশীলতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্দীপকে দেখা যায় মি. সুমন বলেন, অধিক জনসংখ্যা একটি দেশের খাদ্য ঘাটতিসহ নানাবিধ আর্থসামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করে। বিষয়টি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সত্য যা উপরে আলোকপাত করা হয়েছে।

HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল

অধিক জনসংখ্যা কী কী আর্থসামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করে? তোমার দেশের প্র…

উদ্দীপক

মি. সুমন একজন জনসংখ্যা গবেষক। দেশের জনাধিক্য সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, অধিক জনসংখ্যা একটি দেশের খাদ্য ঘাটতিসহ নানাবিধ আর্থসামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করে। কিন্তু নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যাকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে জনসম্পদে পরিণত করা গেলে তা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। তাঁর মতে, জনসংখ্যা একটি দেশের জন্য শুধু অভিশাপই নয় বরং আশীর্বাদও বটে। প্রয়োজন শুধু জনসংখ্যার কার্যকর ব্যবস্থাপনা।

জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট · 2025

উত্তর

কোনো দেশের মোট জনসংখ্যাকে ঐ দেশের মোট আয়তন দ্বারা। ভাগ করলে জনসংখ্যার ঘনত্ব পাওয়া যায়। অর্থাৎ, DP= TP (Total Population)  TA (Total Area) \mathrm{DP}=\frac{\text{ TP (Total Population) }}{\text{ TA (Total Area) }}

উত্তর

জনসংখ্যা বৃদ্ধি পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। অপরিকল্পিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অভিবাসন, নগরায়ণ ইত্যাদি সমস্যা পরিবেশের ওপর প্রতিকূল আভাস সৃষ্টি করছে। অতিরিক্ত যানবাহন, বাসস্থানের অব্যবস্থা, ময়লা নিষ্কাশনের অব্যবস্থার পরিবেশ হুমকির মুখে পতিত হচ্ছে। বর্ধিত জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে রাসায়নিক সার, ওষুধ ইত্যাদি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা প্রাণিকুলের ক্ষতিসাধন করছে। এভাবে অধিক জনসংখ্যা পরিবেশ, বিপর্যয় ঘটায়।

উত্তর

আয়তনের তুলনায় বাংলাদেশে জনসংখ্যা বহুগুণ বেশি। আমাদের সম্পদও সীমিত। ফলে এদেশের অর্থনীতিতে জনসংখ্যাধিক্য অন্যতম প্রধান সমস্যা। অধিক জনসংখ্যা নিম্নোক্ত আর্থসামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করে। (i) নিম্ন মাথাপিছু আয়: অধিক জনসংখ্যা মাথাপিছু আয় কমিয়ে দেয়। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২,২২৭ মার্কিন ডলার, যা উন্নত দেশের তুলনায় অনেক কম। (ii) বেকারত্ব: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার যদি কর্মসংস্থান সৃষ্টির হার অপেক্ষা বেশি হয়, তাহলে বেকারত্ব সৃষ্টি হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনশক্তির ১/৩ ভাগ বেকার। (iii) আবাসন সমস্যা: অধিক জনসংখ্যার জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে গিয়ে বাংলাদেশে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কমছে। (iv) খাদ্য ঘাটতি: অধিক জনসংখ্যার কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছরই খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকারি ও বেসরকারি খাতে মোট ৩৮.১২ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য আমদানি করতে হয়েছে। (v) স্বাস্থ্যঝুঁকি : জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে চিকিৎসাসেবা অপ্রতুল হয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় হাসপাতাল, চিকিৎসক অনেক কম। ফলে চিকিৎসাসেবাও ব্যয়বহুল হয়ে যাচ্ছে। বিনা চিকিৎসায় দেশে প্রতিবছর বহু দরিদ্র মানুষ মারা যায়। (vi) পরনির্ভরশীলতা: প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ খাদ্য আমদানি করতে হয় বাংলাদেশকে। এছাড়া উচ্চ বেকারত্ব হারের কারণে প্রতিবছর উন্নত দেশগুলোতে বাড়তি জনশক্তি রপ্তানি করতে হয় বাংলাদেশকে। ফলে পরিনির্ভরশীলতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্দীপকে দেখা যায় মি. সুমন বলেন, অধিক জনসংখ্যা একটি দেশের খাদ্য ঘাটতিসহ নানাবিধ আর্থসামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করে। বিষয়টি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সত্য যা উপরে আলোকপাত করা হয়েছে।

উত্তর

জনসংখ্যা শুধু অভিশাপ নয় বরং আশির্বাদও বটে- উক্তিটি যথার্থ। "দক্ষ জনসংখ্যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সহায়ক।" আমাদের একটা প্রচলিত ধারণা হলো জনসংখ্যা বোধহয় সবসময়ই বোঝাস্বরূপ। কিন্তু এই জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। চীন আজ বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হয়েছে এই দক্ষ জনসংখ্যার কল্যাণেই। নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে জনগণ দক্ষতা অর্জন করবে। ❖ বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। যেমন-মোটর মেকানিক্স, ইলেক্ট্রিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক্স, মোবাইল ফোন সার্ভিসিং ইত্যাদি। ❖ প্রশিক্ষণ কোর্সগুলো দেশের গ্রাম পর্যায়ে বিস্তৃত করতে হবে এবং স্বল্প কোর্স ফির মাধ্যমে চালাতে হবে।দেশে পর্যাপ্ত কারিগরি স্কুল, পলিটেকনিক, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, নার্সিং কলেজ স্থাপন করতে হবে। ❖ ভারী শিল্পকারখানা স্থাপন করতে হবে। কারণ একটি ভারী ও বৃহৎ শিল্পকারখানাকে কেন্দ্র করে কয়েকশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানা গড়ে ওঠে। এতে শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ❖ দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যার শতভাগ কাজে লাগাতে পারলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। ফলে পণ্যের দাম কমে আসবে, সেইসাথে উদ্বৃত্ত পণ্য রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশ্বের বহু উন্নত দেশ বর্তমানে নিম্ন জনসংখ্যা সমস্যায় ভুগছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বের ৪৮টি উন্নত দেশে ২০৩০ সাল নাগাদ ষাটোর্ধ্ব মানুষের পরিমাণ হবে মোট জনসংখ্যার ২৮ ভাগ এবং ২০৫০ সালে তা দাঁড়াবে ৩৪ ভাগ। এই সময়কালে ঐ দেশগুলোতে প্রচুর জনশক্তির দরকার হবে, যা তারা জনবহুল দেশগুলো থেকে সংগ্রহ করবে। এই জনশক্তির বাজার ধরতে পারলে আমাদের রেমিট্যান্সের পরিমাণ বহুগুণে বেড়ে যাবে। এছাড়া দেশে পর্যাপ্ত জনসংখ্যা না থাকলে প্রাকৃতিক সম্পদের পর্যাপ্ত ব্যবহার করা যায় না। এর জন্য দরকার কর্মদক্ষ জনশক্তি। জনগণ যত উৎপাদনশীল কাজ করবে দেশে অর্থের প্রবাহ তত বাড়বে। আর অর্থের প্রবাহ যত বাড়বে সম্পদের সুষম বণ্টন তত নিশ্চিত হবে। সুতরাং জনসংখ্যা শুধু অভিশাপ নয়, আশীর্বাদও বটে। তবে এর জন্য দরকার জনসংখ্যার কার্যকর ব্যবস্থাপনা। একটি দেশপ্রেমিক সরকার সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে সফলতা আসবেই।
HSCEconomics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রায় ত্রিশ বছর আগে মি. জসিম লেখাপড়া শেষ করে কানাডায় চলে যান। তৎসময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল নেতিবাচক। একটানা ত্রিশ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি অবাক। আগের বাংলাদেশ আর নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা প্রভৃতি সূচকে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করেছে। মি. জসিম সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি দেশেই অবস্থান করবেন এবং অর্জিত অর্থ বিনিয়োগ করবেন।

Dinajpur · 2017

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?

Dinajpur · 2017

  • নির্দেশকমূলক
  • কেন্দ্রীয়
  • বিক্রেন্দ্রীয়
  • প্ররোচিত

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-
i. কৃষি ঋণ বিতরণ
ii. কৃষি উপকরণ বিতরণ
iii. শস্য বহুমুখীকরণনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, iiও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?

Dinajpur · 2017

  • মূল্য সংযোজন কর (মূসক)
  • সরকারি ঋণ
  • আয়কর
  • আবগারি শুল্ক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?

Dinajpur · 2017

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?

Dinajpur · 2017

  • হাইটেক
  • সংরক্ষিত
  • নিয়ন্ত্রিত
  • অগ্রাধিকার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-
i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন
ii. অধিক বাণিজ্য
iii. অধিক কর্মসংস্থান নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, iiও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?

Dinajpur · 2017

  • দুই
  • তিন
  • চার
  • পাঁচ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

Dinajpur · 2017

  • ৩৭১৫
  • ৪৭১৫
  • ৫৭১৭
  • ৬৭১৫

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মি. জসিমের যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে, সে সম্পর্বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- ব্যাখ্যা করো।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?কোন পরিকল্পনায় সম্মিলিত সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায়?বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে-i. কৃষি ঋণ বিতরণii. কৃষি উপকরকোনটি রাজস্ব বহির্ভূত আয়?জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ম্যালথাস কয়টি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন?ফ্লাইওভার নির্মাণ কোন শিল্পের অন্তর্গত?বিশ্বায়নের ফলে যে সব সুযোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-i. জীবনযাত্রার মান উন্নয়নii. অধিক উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে খামার কত প্রকার?বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।