দ্রব্যের দাম বৃদ্ধিতে সলিমের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ায় তিনি চিন্তিত নন ।
একটি সমাজে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ বাস করে। তাই মুদ্রাস্ফীতির সময় সব শ্রেণির মানুষের ওপর এক রকম প্রভাব পড়ে না। মুদ্রাস্ফীতির সময় দরিদ্র, নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব বেশি পড়ে। তবে ধনীকৃষক, ব্যবসায়ী ও উৎপাদক শ্রেণির মানুষের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। উদ্দীপকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধির ফলে অসীম চিন্তিত হয়ে পড়ে। কিন্তু তার প্রতিবেশী সলিম দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধিতে চিন্তিত নন। তিনি জমিতে চাষাবাদ করে ফসল উৎপাদন করেন। দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার উদ্বৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্য বেশি দামে বিক্রি করে বেশি লাভবান হতে পারবে। অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির সময় ধনী কৃষকরা উদ্বৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্য বেশি দামে বিক্রি করেন। তখন উৎপাদন ব্যয়ের চেয়ে উৎপাদিত কৃষিজাত দ্রব্যের দাম বেশি বৃদ্ধি পায়। ফলে কৃষক শ্রেণির লোক মুদ্রাস্ফীতির সময় লাভবান হয়ে থাকে। এজন্য মুদ্রাস্ফীতির সময় কৃষি খাতে আয় বৈষম্য বেশি লক্ষ করা যায়। এছাড়া মুদ্রাস্ফীতির সময় উৎপাদক ও ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, ঋণগ্রহীতা, ফটকা কারবারি, মজুতদার ও চোরাকারবারিরা লাভবান হয়ে থাকে। তাই বলা যায়, সলিম উৎপাদক শ্রেণির ধনী কৃষক হওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির সময় লাভবান হয়েছে । তাই তিনি চিন্তিত নন ।