উদ্দীপকে প্রকাশিত মুদ্রাস্ফীতির কারণ হলো উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়া । বিভিন্ন কারণে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হতে পারে। যেমন— চাহিদা বৃদ্ধি, ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থের যোগান বৃদ্ধি ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতির ক্ষেত্রে উৎপাদনের উপকরণ, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির ব্যয় বৃদ্ধি পায়। তাই মোট উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে যোগান হ্রাস পায় । ফলে দামস্তর বৃদ্ধি পায়।
উদ্দীপকের চিত্রে AD সামগ্রিক চাহিদা রেখা এবং AS, প্রাথমিক সামগ্রিক যোগান রেখা। সামগ্রিক যোগান কমে AS, হলে ভারসাম্য দামস্তর P1 থেকে P2 হয়। অর্থাৎ দামস্তর বৃদ্ধি পায়। ফলে মুদ্রাস্ফীতি তৈরি। এক্ষেত্রে যোগান হ্রাস পাওয়ার জন্যই মুদ্রাস্ফীতি তৈরি হয়। শ্রমের মজুরি, কাঁচামালের দাম, পরিবহন ব্যয় প্রভৃতি বৃদ্ধি পেলে উৎপাদন খরচও বৃদ্ধি পায়। ফলে বাজারে পণ্য দ্রব্যের সংকট তৈরি হয়। অর্থাৎ সামগ্রিক যোগান হ্রাস পায়। এ সময় সামগ্রিক চাহিদা স্থির থাকলে দামস্তর বৃদ্ধি পায়। দামস্তর বৃদ্ধির এ প্রবণতা ক্রমাগত চলতে থাকে। ফলে মুদ্রাস্ফীতির সৃষ্টি হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে প্রকাশিত মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃত কারণ হলো উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়া।