পলাশের মতো সফল হতে দেশের বেকার যুবকদের আত্ম- কর্মসংস্থান গড়ে তোলা প্রয়োজন।
নিজস্ব উদ্যোগে জীবিকা অর্জনের প্রচেষ্টায় নিয়োজিত থাকাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে। এর মাধ্যমে বেকারত্বের অভিশাপ ঘোচানো সম্ভব। আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যক্তির দূরদৃষ্টি, আত্মবিশ্বাস, সঠিক কর্মপরিকল্পনা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকে পলাশ এমএ পাশ করে চাকরির জন্য চেষ্টা করেন। কিন্তু সরকারি বা বেসরকারি কোনো চাকরি তিনি পাননি। পরে বাবার কাছে টাকা নিয়ে গরুর ফার্ম দিয়ে আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন। এভাবে বেকার যুবকদেরও উচিত আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা। যেকোনো কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। তাই আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণের পর ব্যক্তিকে সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কাজের উপযোগী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।
আত্মকর্মসংস্থানে ইচ্ছুক ব্যক্তির প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও কাজের প্রতি আগ্রহ থাকতে হবে। জীবিকা অর্জনের জন্য যেকোনো কাজ করতে তাকে যেমন প্রস্তুত থাকতে হবে তেমনি কোনো কাজকেই হেয় মনে করা যাবে না। এছাড়া, আত্মকর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কাজের উপযোগী সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করতে হবে। তাকে ঠিক করতে হবে কোন কাজটি করা লাভজনক হবে, কাজের ঝুঁকি কতটা, প্রাপ্ত মূলধন দ্বারা কাজটি করা সম্ভব হবে কি না ইত্যাদি। এর সাথে ব্যক্তিকে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, আত্মবিশ্বাসী, অধ্যবসায়ী হতে হবে। তাহলেই আত্মকর্মসংস্থানে সফল হওয়া সম্ভব হবে।