পরিকল্পিত পরিবার গঠনের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের মধ্য দিয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির মাধ্যমে সুপরিকল্পিত উপায়ে উচ্চ জন্মহার কমিয়ে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এভাবে সীমিত সম্পদের সাথে জনসংখ্যার সামঞ্জস্য বিধান করে সর্বোচ্চ উৎপাদন করার মাধ্যমে সামাজিক সুযোগ-সুবিধা জনগণের নিকট সহজলভ্য করা যায়। এভাবে জীবনযাত্রার মান উন্নত করা সম্ভব।
উদ্দীপকের রহিমার পরামর্শ অনুযায়ী, যদি সবাই পরিকতি উপায়ে পরিবার গঠনে উদ্বুদ্ধ হয় তাহলে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ল্প হ্রাস পাবে। এতে সীমিত সম্পদের সাথে জনসংখ্যার সামঞ্জস্য বিধান নিশ্চিত হবে। ফলে একটি সুখী, সমৃদ্ধশীল ও কাম্য আকারের পরিবার গঠনের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের উন্নত জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করা যাবে।
সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি থাকলে জীবনযাত্রার মান নিম্নমানের হয়। এ অবস্থায় পরিকল্পিত পরিবার গঠন করা হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস পাবে। এতে কৃষি জমির ওপর চাপ কমবে, শ্রম সরবরাহ কমে বেকারত্ব হ্রাস পাবে, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ইত্যাদির যোগান বাড়বে। জনসংখ্যার অতিরিক্ত চাপ উন্নয়নের সুফল ভোগে বাধা সৃষ্টি করে। সেক্ষেত্রে পরিবার ছোট হলে সবাই উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারবে, ভোগব্যয় হ্রাস পেয়ে সঞ্চয় বৃদ্ধি পাবে, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির দ্বারা আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে।