উদ্দীপকের আলোকে মানবসম্পদ উন্নয়ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান, কারিগরি শিক্ষার প্রসারতা বৃদ্ধি, জনস্বাস্থ্যের উন্নতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রভৃতি উল্লেখ করা হয়েছে।
কোনো দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন হলো সার্বিক মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। আর এ জন্য দরকার শিক্ষিত জাতি তৈরি করা। আবার, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তি অধিক কর্মক্ষম ও দক্ষ হয়। মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমগ্র দেশে চিকিৎসা সুবিধা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
উদ্দীপকে রুবেলের মতে, তার দেশে তথা বাংলাদেশে যদি শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, যোগযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো যেতো তাহলে জনসংখ্যার সমস্যা না হয়ে সম্পদে পরিণত হতো। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা অধিক হলেও শিক্ষা ও দক্ষতার অভাবে দক্ষ শ্রমিকের যোগান কম। তাই মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সেবার প্রসারের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মানবসম্পদ উন্নয়নের আরো কিছু উপায় হলো নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি ইত্যাদি।