উক্ত জনসংখ্যা তত্ত্ব তথা ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বটি উদ্দীপকের আলোকে উন্নয়নশীল এবং অধিক জনবহুল দেশে এর যথার্থতা রয়েছে। নিচে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো—
১. জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি : জনবহুল দেশে খাদ্য উৎপাদন অপেক্ষা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি। ফলে এসব দেশে দেখা যায় জনসংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে খাদ্য তার চেয়ে কম হারে বাড়ছে। [যেমন— বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৬% এবং খাধ্য উৎপাদন হচ্ছে ১.৮০% ]
২. খাদ্য ঘাটতি : এসব দেশে দেখা যায় প্রতি বছর খাদ্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার পর খাদ্য উৎপাদন কম হওয়ায় খাদ্য ঘাটতি হয়ে থাকে। ৩. মাথাপিছু জমি : ভররণপোষণের জন্য মাথাপিছু যে পরিমাণ জমির প্রয়োজন বাস্তবে অধিক জনবহুল দেশে এ পরিমাণ জমি নেই, যা ম্যালথাস তত্ত্বের আলোকে অনুমেয়৷
৪. প্রাকৃতিক দূর্যোগ : এসব দেশে অধিক পরিমাণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি, দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি দেখা যায়, যা ম্যালথাসের তত্ত্বের বিশদ আলোচনায় ব্যক্ত হয়েছে।
৫. জীবনযাত্রার মান : ম্যালথাস তত্ত্বে দেখা যায় যে, অধিক জনসংখ্যার কারণে জীবনযাত্রার মান অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় অনেক নিম্ন থাকে।
তাই উপরিউক্ত আলোচনা প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ম্যালথাসের তত্ত্ব উন্নয়নশীল ও জনবহুল দেশে যথার্থ।