স্বপনের কর্মসংস্থানটি আত্মকর্মসংস্থান বা স্বকর্মসংস্থান হিসেবে পরিচিত। এ কর্মসংস্থানের প্রকৃতি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:বেকারত্ব ঘোচানোর জন্য যখন কেউ নিজের যৎসামান্য পুঁজি ও স্থাবর সম্পত্তি কিংবা অন্য কোনো উৎস হতে সংগৃহীত সামান্য পুঁজি এবং কোনো কাজ করার অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে উক্ত কাজে লাগিয়ে অর্থোপার্জন করে তখন তাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে। এ ধরনের কর্মসংস্থানের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দৃঢ় মনোবল, অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং অটুট আত্মবিশ্বাস থাকা প্রয়োজন। ব্যক্তির নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থানের এ ব্যবস্থাতে সরকারি বা বেসরকারি ঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠানের ঋণ দান, সহযোগিতা ও পরামর্শের প্রয়োজন পড়ে। নির্দিষ্ট কাজের প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেই কাজ করা শুরু করলে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা কার্যকর ও স্থায়ী হয়। আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষ নিজের বুদ্ধি ও শক্তিকে নিজেই কাজে লাগাতে ও বেকারত্বের গ্লানি থেকে মুক্ত হতে পারে। এর মাধ্যমে সে উৎপাদন ও আয় বাড়াতে পারে।বাংলাদেশে লোক সংখ্যা খুব বেশি; কিন্তু সে তুলনায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত। এ অবস্থায় আত্ম-কর্মসংস্থান অর্থোপার্জন ও মোটামুটিভাবে সুন্দর জীবনযাপনের একটি উৎকৃষ্ট উপায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আত্মকর্মসংস্থানের বিভিন্ন উপায় আছে। যেমন- গবাদি পশুর খামার, হাঁস-মুরগির খামার, মাছ চাষ, চিংড়ি চাষ, শাকসবজির চাষ, মাশরুম চাষ, ফুলের চাষ, ফলের চাষ, কুটিরশিল্প স্থাপন, গম বা চালের কল ইত্যাদি। এছাড়া নার্সারি, যানবাহন ও যন্ত্রপাতি মেরামত, ক্ষুদ্র ব্যবসায় ইত্যাদিও আত্মকর্মসংস্থানের উপায়