উদ্দীপক অনুযায়ী, মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিচে মূল্যায়ন করা হলো।
মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ আবশ্যক। এর ফলে ব্যক্তির অন্তর্নিহিত কর্মগুণের বিকাশ ঘটবে। উৎপাদনশীলতা বাড়বে। এই লক্ষ্যে সরকারকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান, স্বাস্থ্য উন্নয়নসহ অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে মানবসম্পদ উন্নয়নের একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব আবুল বাশার একজন শিক্ষক। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের বেশিরভাগই অশিক্ষিত ও নিরক্ষর। এসব মানুষকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে তারা মানবসম্পদে পরিণত হবে এবং উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারবে। এভাবে জনাব আবুল বাশার ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দক্ষ মানবসম্পদের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।
মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০১০, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২০১১-১৬ মেয়াদে সমন্বিত স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি উন্নয়ন সেক্টর (HPNSDP) কর্মসূচি, নারীদের শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নারীর রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিতকরণ, জাতীয় নারী উন্নয়ন-২০১১ গৃহীত হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে এদেশের মানুষ আধুনিক শিক্ষা ও প্রযুক্তির জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে এক উদীয়মান মানবসম্পদে রূপান্তরিত হচ্ছে। এটি সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়নে গৃহীত কর্মসূচির সাফল্যের নিদর্শন। তাই সার্বিক মূল্যায়নে বলা যায়, বাংলাদেশে মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।