রতনের মতো কর্মসংস্থানের জন্য আমার আত্মকর্মী হওয়া প্রয়োজন। নিজের জ্ঞান, বুদ্ধি ও দক্ষতার আলোকে উৎপাদন বা জীবিকা অর্জনে নিয়োজিত থাকাই হলো আত্মকর্মসংস্থান। আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। আবার স্বাধীনভাবে কর্ম করাও যায়। নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। উদ্দীপকের রতন বুঝতে পারে তার দেশ অতি জনবহুল। তাই সে পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে হাঁস, মুরগি, মাছের খামার ও একটি নার্সারি গড়ে তোলে। এর মাধ্যমে সে আরও পাঁচজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। অর্থাৎ রতন তার নিজের উদ্যোগে অর্থ উপার্জনের সুযোগ সৃষ্টি করে। তাই এটি আত্মকর্মসংস্থানকে নির্দেশ করে। আত্মকর্মসংস্থান মূলত স্ব-উদ্যোগ ও স্ব-ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। তাই এক্ষেত্রে নিজের জ্ঞান, বুদ্ধি, দক্ষতা এবং পুঁজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ কারণে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। অন্যথায় আত্মকর্মসংস্থানে ব্যর্থ হতে বাধ্য। তাই রতনের মতো কর্মসংস্থানের জন্য আমার প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আত্মকর্মী হওয়া প্রয়োজন।