দেশটির নিট অভিবাসন হারের ভিত্তিতে দেশটির আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর যে প্রভাব পড়বে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
আমরা জানি, নিট অভিবাসন হার নির্ণয়ের সূত্র: নিট অভিবাসন হার
=বহিরাগমনকারীর সংখ্যা – বহির্গমনকারীর সংখ্যামোট জনসংখ্যা ×১০০০
উদ্দীপকে দেওয়া আছে,
বহিরাগমন কারীর সংখ্যা = ৩০ লক্ষ = ৩০,০০,০০০
বহির্গমনকারীর সংখ্যা = ৫০ লক্ষ = ৫০,০০,০০০
মোট জনসংখ্যা = ১৮ কোটি = ১৮,০০,০০,০০০
সুতরাং,
নিট
অভিবাসন
হার =৩০,০০,০০০-৫০,০০,০০০১৮,০০,০০,০০০ × ১০০০ =- ২০,০০,০০০১৮,০০,০০,০০০ × ১০০০ =- ০.০১১ ×১০০০ =- ১১.১১
নিট অভিবাসন হার = ১১.১১ প্রতি হাজারে।
নিট অভিবাসন হার নেতিবাচক হওয়ার অর্থ হলো, দেশ থেকে বেশি মানুষ বিদেশে যাচ্ছে এবং কম সংখ্যক মানুষ দেশে আসছে। এর ফলে দেশে দক্ষ জনশক্তি হ্রাস পাবে, যা উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাছাড়া, দেশীয় বাজারে চাহিদা কমে যেতে পারে, যা 'শ্বানীয় অর্থনীতিকে দুর্বল করতে পারে। তবে, বিদেশে কাজ করা জনশক্তি রেমিটেন্স পাঠালে অর্থনীতিতে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। যেমন, প্রাপ্ত রেমিটেন্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
সুতরাং, নিট অভিবাসন হারের এই নেতিবাচক প্রবণতা দেশের জনসংখ্যার কাঠামো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় দীর্ঘমেয়াদে. ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।