উদ্দীপকের বিষয়টি নারী উন্নয়নের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত, কারণ মানবসম্পদ উন্নয়নের সকল পদক্ষেপের সুবিধা নারীর ক্ষমতায়ন ও অগ্রগতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
যখন সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণ ঘটায়, তখন নারীরাও এই শিক্ষার সুবিধা পায়, যা তাদের দক্ষতা ও জ্ঞান বৃদ্ধি করে। নারীরা যদি শিক্ষিত এবং কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন হয়, তাহলে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়, যা তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলে। উদ্দীপকে শিক্ষিত-অল্প শিক্ষিত যুবকদের প্রশিক্ষণ প্রদান, ঋণ প্রদান এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সহায়তার কথা বলা হয়েছে। এই সহায়তাগুলো যখন নারীদের জন্যও উন্মুক্ত করা হয়, তখন নারীরাও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ পায়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হতে পারে, ঋণের মাধ্যমে নিজস্ব উদ্যোগ শুরু করতে 'পারে এবং বিদেশে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে। এতে সমাজে তাদের মর্যাদা বাড়ে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও নারীরা মানবসম্পদে পরিণত হলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। তারা কর্মক্ষেত্রে যেমন অবদান রাখে, তেমনি পরিবার ও সমাজেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত মায়েরা তাদের সন্তানদের সঠিক শিক্ষা ও বিকাশে সহায়তা করতে পারে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সহায়ক। তাই সরকারের এ পদক্ষেপগুলো নারী-পুরুষ, নির্বিশেষে সকলের জন্য মানবসম্পদ উন্নয়নে কাজ করে এবং 'বিশেষ করে নারী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।