দৃশ্যপট-২ এ দেশটির অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষণীয়।
কোনো দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো নানা উপাদান নিয়ে গঠিত। যেমন- পরিবহণ ও যোগাযোগব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পের অবস্থান বৈদেশিক মুক্তার রিজার্ভ ইত্যাদি। অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলো এসব উপাদানগুলোর সামগ্রিক ইতিবাচক পরিবর্তন। অর্থাৎ, এগুলোর ইতিবাচক পরিবর্তন অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকে দৃশ্যপট-২ এ বলা হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটেছে। এছাড়াও দেশটিতে শিল্পের বিকাশ ঘটায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। অর্থাৎ, দেশটির অর্থনীতির নানা উপাদান বা সূচকের ইতিবাচক প্রভাব লক্ষণীয়।কোনো দেশের সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটে। আবার রপ্তানির পরিমাণ বাড়াসহ বিভিন্ন উপকরণবাবদ বিদেশ থেকে আয় বাড়লে বৈদেশিক রিজার্ভ বাড়ে। একই সাথে তথ্য ও প্রযুক্তির উন্নয়নে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। আর শিল্পের বিকাশ ঘটলে উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদে চলতে থাকে। সুতরাং বলা যায়, দৃশ্যপট-২ এ বিষয়সমূহ অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে তুলে ধরছে।