যে কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে একটি দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয় তাকে অর্থনৈতিক কাঠামো বলা হয়। বিভিন্ন খাত ও উপখাতের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির কাঠামো গঠিত হয়েছে।
ক. অঞ্চলভিত্তিক, খাত : অঞ্চলভিত্তিক খাতকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. গ্রামীণ খাত : বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে যেসব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং পরিচালিত হয় সেসব খাতকে গ্রামীণ খাত বলে। যেমন- কৃষি খাত, শিল্প খাত, পরিবহন খাত, যোগাযোগ খাত, পল্লি বিদ্যুৎ খাত, গ্রামীণ ব্যাংক খাত, ব্যবসায় বাণিজ্য খাত ইত্যাদি।
২. শহুরে খাত : শহরে খাতের উপখাতগুলো হলো— বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প ব্যাংক ও বিমা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায় বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সম্পদ, পেশা ও চাকরি, পরিবহন ও যোগাযোগ খাত৷
খ. মালিকানাভিত্তিক খাত : মালিকানাভিত্তিক খাতকে আবার দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সরকারি খাত : যেসব খাত সরকারি মালিকানায় পরিচালিত হয় সেসব খাতকে সরকারি খাত বলা হয়। যেমন- মুদ্রা ও টাকশাল, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামাদি, পারমানবিক শক্তি উৎপাদন, বিমান, রেলওয়ে, বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ।
২. বেসরকারি খাত : যেসব খাত ব্যক্তিমালিকানায় পরিচালিত হয় তাকে বেসরকারি খাত বলা হয়। যেমন— বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত শিল্পসমূহ, সড়ক পরিবহন, ব্যাংক, বিমা ও অন্য সেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ ।
গ. উৎপাদনভিত্তিক খাত : উৎপাদনভিত্তিক খাতগুলো হলো— কৃষি, শিল্প ও সেবা-এ তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত। তাছাড়া খনিজ ও খনন, ম্যানুফেকচারিং, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ এবং নির্মাণ।