উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পদার্পণের সম্ভাবনা তুমি কীভাবে মূল্যায়ন করবে?
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পদার্পণের সম্ভাবনা রয়েছে।বাংলাদেশ সরকার অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করছে। আবার, দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য 'রূপকল্প-২০৪১' ঘোষণা করেছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি এবং শক্তি ও জ্বালানি খাতে সমৃদ্ধি অর্জনের ওপর জোর দিয়েছে। এটি একটি উন্নত অর্থনীতির পূর্বশর্ত।উদ্দীপকে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।যেমন: গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, শক্তি ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধি এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্যব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন। এগুলো উন্নত দেশে পদার্পণের মূল ভিত্তি। বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কৃষির কাঠামোগত পরিবর্তন, শিল্প ও সেবা খাতের ভূমিকা বৃদ্ধি এবং রেমিট্যান্সের প্রবাহ দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে।একটি দেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হতে হলে কেবল মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিই। যথেষ্ট নয়। এর জন্য মানবসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন মানবসম্পদকে উন্নত করছে। তথ্য ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং শিল্প খাতের দ্রুত অগ্রগতি উৎপাদনশীলতা বাড়াচ্ছে। এই গতিধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ উন্নত দেশের কাতারে শামিল হতে পারবে। অতএব, উদ্দীপকে উল্লিখিত ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের কারণে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উন্নত দেশে পদার্পণের সম্ভাবনা অত্যন্ত জোরালো
HSC Economics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পদার্প…
উদ্দীপক
নটরডেম কলেজ · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর